1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

বগুড়ায় আলুর কেজি ৪০০ টাকা!

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩১৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: বগুড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নবান্ন উৎসব উপলক্ষে শহরের ফতেহআলী ও রাজাবাজারে অন্যান্য নতুন শাক-সবজির পাশাপাশি পাকরি আলু উঠেছিল। তবে দাম ছিল আকাশছোঁয়া। প্রতি কেজি নতুন আলু বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে। বাধ্য হয়ে প্রথা পালনে অনেকেই এ আলু কিনেছেন।

বগুড়া শহরের রাজাবাজার আড়ৎদার ও সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল প্রসাদ রাজ জানান, প্রতি বছর অগ্রহায়ণের প্রথম দিনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নবান্ন উৎসব পালন করে থাকেন। এদিন পরিবারের মুরব্বি বা বউ-ঝিরা দিনভর উপোস করেন। নতুন আলু, কপি, শিমসহ বিভিন্ন শাক-সবজি দিয়ে তরকারি রান্না করা হয়। একটি বড় প্লেটে এসব খাবার সাজানো হয়। এরপর প্রথমে পূর্বপুরুষদের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে তাদের উদ্দেশ্যে ওই খাবার উৎসর্গ করা হয়। শেষে উপবাসে থাকা নারী বা পুরুষরা খাবার খেয়ে উপবাস ভঙ্গ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রতি বছর নবান্নের দিনে বাজারে নতুন আলু উঠে এবং উচ্চদরে বিক্রি হয়ে থাকে। বৃহস্পতিবার শহরের দুটি বড় বাজারে তিন থেকে চার মণ নতুন পাকরি আলু বিক্রির জন্য আনা হয়েছিল। প্রতি কেজি আলু ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ আলু কিনতে অনেকে বাজারে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। প্রথা পালনে অনেকে উচ্চদামে আলু কিনেছেন। তবে বাজারে পুরাতন আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। বাজারে অন্যান্য শাক-সবজির দাম অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে।

ফতেহ আলী বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী শামসুল হক ও রাজাবাজারের বিনয় রাজ জানান, নবান্নের দিন আলুর দাম বেশি হয়। এ দিনের উৎসবকে সামনে রেখে কৃষকরা অধিক লাভের আশায় সামান্য কিছু আলু চাষ করেন। আমরা বেশি দামে কিনি বলেই বেশি দামি বিক্রি করে থাকি। এতে আমাদেরও বাড়তি আয় হয়।

রাজাবাজারে আলু কিনতে আসা বিনীতা রায় জানান, তিনি ২০০ টাকায় আধা কেজি আলু কিনেছেন। উৎসব পালনের জন্য বেশি দামে আলু কিনতে কষ্ট হয়নি।

শহরের চেলোপাড়ার সুকুমার ও চন্দন জানান, এক পিস আলুর দাম ১৫ টাকা থেকে ২০ টাকা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে নবান্ন অনেক বড় উৎসব; তাই তারা বেশি দামে আলু কিনেছেন।

শহরের মালতিনগরের কল্যাণ দাস বলেন, নবান্নের দিনে সব শাক-সবজির দাম বেশি হয়ে থাকে। তাই বলে কখনও এক কেজি আলু ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়নি। এবার কৃষকরা অধিক মুনাফা করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com