1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপির নির্যাতিত সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে আনন্দ ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভায় সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল রাজশাহীতে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফুলতলার একাধিক মাদক মামলার আসামি শাহদত মোড়ল গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা

জাটকা আহরণে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩১ মার্চ, ২০২২
  • ২৩৯ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : জাটকা আহরণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ে অনুষ্ঠিত জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘আইন লঙ্ঘনের এখতিয়ার কাউকে দেওয়া হবে না। মাঝেমধ্যে কিছু দুর্বৃত্ত দরিদ্র মৎস্যজীবীদের ব্যবহার করে নিষিদ্ধ সময়ে তাদের জাটকা আহরণে সম্পৃক্ত করে। জাটকা আহরণের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তি যারা অবৈধ জাল তৈরি ও ব্যবহার করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে বরফ কল বন্ধ রাখতে হবে, যাতে দুষ্টু লোকরা জাটকা আহরণ করে সেটা সংরক্ষণ করতে না পারে। বাজারসমূহে মোবাইল কোর্ট অব্যাহত রাখা হবে। যেখানে যে জাটকা নিয়ে আসবে তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে। ইলিশ সম্পদ নষ্ট করার সুযোগ কোনভাবেই কোন দুর্বৃত্তকে দেওয়া যাবে না’।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ‘ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। এ সম্পদ রক্ষা শুধু দাপ্তরিক দায়িত্ব নয়, নৈতিক কর্তব্যও বটে। এ সম্পদ রক্ষার মাধ্যমে বিশ্বের ৮০ ভাগ ইলিশ উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখতে না পারলে আমাদের ইলিশ উৎপাদনের শীর্ষস্থান নষ্ট হয়ে যাবে। তাই জাটকা সংরক্ষণে সম্মিলিত সহযোগিতা থাকতে হবে। একজন মানবিক ও কর্মতৎপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার আমলে আমরা ব্যর্থ হতে চাই না। কোন প্রলোভন বা দুষ্টু লোকের প্ররোচনায় কেউ যেন ভুল পথে না যায়, সেটা খেয়াল রাখতে হবে’।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, ‘জাটকা নিধন বন্ধ করতে না পারলে একসময় ইলিশ আর থাকবে না। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে বলতে হবে এই আকৃতির, এই রঙের, এই স্বাদের একটা মাছ ছিল, যে মাছের নাম ইলিশ। আমরা নিশ্চয়ই সেটা হতে দিতে পারি না। জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের মূল উদ্দেশ্য কেউ যেন নির্ধারিত আকারের চেয়ে ছোট ইলিশ মাছ আহরণ না করে, বিপণন না করে। আমাদের লক্ষ্য মৎস্যজীবীরাই ইলিশ মাছ ধরুক, মানুষ মাছ খাওয়ার সুযোগ পাক। কিন্তু সেটা যেন ইলিশ মাছ পরিপক্ক অবস্থায় আসার পর হয়’।

তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম করা, বৈজ্ঞানিক গবেষণার সুযোগ করে দেয়াসহ নানাভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আসছেন। মা ইলিশ আহরণ ও জাটকা নিধন বন্ধ থাকাকালে মৎস্য আহরণে সম্পৃক্তরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেজন্য তাদের ভিজিএফ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান, ইলিশের সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানের কারণে যাতে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। মৎস্যজীবীদের সহায়তা দেওয়া অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে’।

মন্ত্রী বলেন, ‘সারা বিশ্বে উৎপাদিত ইলিশের প্রায় ৮০ ভাগ আমাদের দেশে উৎপাদিত হয়। ইলিশের জিআই সনদ বাংলাদেশ পেয়েছে। বিশ্বে ইলিশে বাংলাদেশের যে শীর্ষ অবস্থান এট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে হয়েছে’।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, ‘আমাদের দীর্ঘদিনের ভাতে-মাছে বাঙালির ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে। এ ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য আমাদের মৎস্যসম্পদ সমৃদ্ধ করতে হবে। জনপ্রতিনিধি, মৎস্যজীবী এবং মৎস্য খাতে যারা বিভিন্নভাবে কাজ করেন তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এক্ষেত্রে অনিবার্য। শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষে এটা সম্ভব নয়। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্নভাবে জাটকা রক্ষায় সম্পৃক্ত থাকবেন। আমাদের প্রত্যাশা জনপ্রতিনিধিরা সহায়তা করবেন, মৎস্য আহরণে সম্পৃক্তরা সহায়তা করবেন, যারা মৎস্য বিপণনে জড়িত তারা সহায়তা করবেন’।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি ও বাংলাদেশ নৌ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শীলু রায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. হেমায়েত হুসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল আউয়াল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওসমান গণি তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশীদ শিকদারসহ মন্ত্রণালয়‌ ও মৎস্য অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ, নৌপুলিশ ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সদস্যগণ, মৎস্যজীবী ও জেলে প্রতিনিধি, মৎস্যজীবী লীগের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে মুন্সিগঞ্জের লৌহজংস্থ পদ্মা নদীতে বর্ণাঢ্য নৌর‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com