<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অপরাধ &#8211; bongonewsbd24.com</title>
	<atom:link href="https://bongonewsbd24.com/category/%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bongonewsbd24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Thu, 11 Jun 2026 09:05:51 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>
	<item>
		<title>আবীর–কামরুজ্জামান জুটিকে ঘিরে অনিয়মের অভিযোগ, ঝুঁকিতে কৃষি সরবরাহ ব্যবস্থা</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 09:05:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bongonewsbd24.com/?p=89748</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ, নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রভাব বিস্তার করছে, যার ফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এই সিন্ডিকেটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বলে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংস্থাটির একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভিযোগ, নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রভাব বিস্তার করছে, যার ফলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।<br />
এই সিন্ডিকেটের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ও মহাব্যবস্থাপক (বীজ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মোঃ আবীর হোসেন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মোঃ কামরুজ্জামান। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই দুজনকে ঘিরেই একটি প্রভাবশালী নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে, যারা প্রকল্প বাস্তবায়ন, ঠিকাদারি কার্যক্রম এবং অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব খাটাচ্ছেন।<br />
বিএডিসির ভেতরের একাধিক সূত্র জানায়, আবীর–কামরুজ্জামান জুটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও সেগুলো কার্যকরভাবে তদন্তের মুখ দেখেনি। বরং অভিযোগ রয়েছে, তারা বিভিন্ন সময় প্রভাব খাটিয়ে বিষয়গুলো ধামাচাপা দিয়েছেন। ফলে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এক ধরনের ভীতি ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।<br />
অভিযোগকারীরা বলেন, সংস্থার বড় বড় প্রকল্প, বিশেষ করে বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে এই সিন্ডিকেটের প্রভাব স্পষ্ট। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ঠিকাদার নির্বাচন থেকে শুরু করে কাজের মান নির্ধারণ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে নিম্নমানের যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও কাজের মানহীনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।<br />
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগগুলোর একটি হলো, গণমাধ্যমে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির খবর প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হলে সেটি ঠেকাতে তৎপরতা চালানো হয়। কয়েকজন কর্মকর্তা দাবি করেন, অতীতে এমন ঘটনাও ঘটেছে যেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ‘প্রভাবিত’ করার চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীন যাচাই সম্ভব হয়নি, তবুও বিষয়টি বিএডিসির অভ্যন্তরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।<br />
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, “যখনই কোনো অনিয়ম নিয়ে কথা ওঠে বা সংবাদ প্রকাশের সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখন বিভিন্নভাবে সেটি বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। এতে সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।”<br />
আরেকজন কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, “কিছু কর্মকর্তার আচরণ এতটাই প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে যে, তারা নিজেদের ঊর্ধ্বে মনে করেন। এতে প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাঠামো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।”<br />
অভিযোগ রয়েছে, এই সিন্ডিকেটের কারণে অনেক যোগ্য ও সিনিয়র কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতে করে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং কর্মপরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে।<br />
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিএডিসির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের অভিযোগ অবহেলা করার সুযোগ নেই। দেশের কৃষি উৎপাদন অনেকাংশে নির্ভর করে এই প্রতিষ্ঠানের বীজ, সার ও সেচ ব্যবস্থার ওপর। ফলে এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অস্থিরতা তৈরি হলে তার প্রভাব সরাসরি কৃষকদের ওপর পড়বে।<br />
বিশেষ করে আসন্ন রবি মৌসুমকে সামনে রেখে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বোরো ধান, গম, ভুট্টা, আলু, ডাল ও তেলবীজ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় বীজ ও সার সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। এতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।<br />
কৃষি বিশ্লেষকরা বলছেন, “বিএডিসিতে যদি কোনো ধরনের অনিয়ম থেকে থাকে, তাহলে সেটি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।”<br />
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোঃ আবীর হোসেন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি সবসময় নিয়ম মেনে কাজ করেছি এবং কোনো ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই।”<br />
অন্যদিকে মোঃ কামরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।<br />
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অভিযোগগুলো যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে ঘুরপাক খাচ্ছে, তাই একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা জরুরি। এতে একদিকে যেমন দোষীদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে নির্দোষ কর্মকর্তারাও বিতর্কমুক্ত হতে পারবেন।<br />
বিএডিসির ভেতরে চলমান এই পরিস্থিতি শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়—এটি দেশের কৃষি ব্যবস্থার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে আরও গভীর হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%86%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গণপূর্তের জুবায়ের বিন হায়দারের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ ও দুর্নীতির অভিযোগ</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 11 Jun 2026 09:03:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://bongonewsbd24.com/?p=89744</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক : গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাঠারে কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জুবায়ের বিন হায়দারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী নিজেকে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে গত ৭ জুন দুদকে এ অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বলা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক : গণপূর্ত অধিদপ্তরের কাঠারে কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জুবায়ের বিন হায়দারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, ঘুষ গ্রহণ এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারী নিজেকে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে গত ৭ জুন দুদকে এ অভিযোগ দাখিল করেন।<br />
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থেকে মোঃ জুবায়ের বিন হায়দার নানা ধরনের অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয় সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশে অসঙ্গতি সৃষ্টি, ভুয়া বিল প্রস্তুত, বানোয়াট ভাউচার তৈরি এবং সরকারি অর্থ ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাতের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।<br />
দুদকে জমা দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় বিভিন্ন কাজের বিল প্রণয়ন ও অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, উন্নয়নমূলক বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থের একটি অংশ যথাযথভাবে ব্যয় না করে আত্মসাত করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।<br />
অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানের মেডিকেল বিভাগসংক্রান্ত ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভুয়া বিল প্রদর্শনের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকৃত ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যহীন বিভিন্ন বিল ও ভাউচার দেখিয়ে সরকারি তহবিল থেকে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে এবং এসব অর্থের যথাযথ হিসাব সংরক্ষণ করা হয়নি।<br />
এছাড়া সরকারি পুরোনো আসবাবপত্র বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণ করার অভিযোগও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, সরকারি মালামাল বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত অর্থের সঠিক হিসাব পাওয়া যায়নি এবং সেই অর্থ সরকারি খাতে জমা হয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।<br />
দুদকে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, মোঃ জুবায়ের বিন হায়দার দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, তার নামে ও বেনামে বিভিন্ন স্থানে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে, যার পরিমাণ ও মূল্য সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে তার বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।<br />
অভিযোগপত্রে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার আসাদ এভিনিউয়ে প্রায় ২ হাজার ২০০ বর্গফুট আয়তনের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই ফ্ল্যাটের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা হতে পারে। তবে এ সম্পদের প্রকৃত মালিকানা, অর্থের উৎস এবং ক্রয়ের সময়কার আর্থিক তথ্য তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।<br />
অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, পূর্বাচল এলাকায় প্রায় ২০ কাঠা জমি রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা এলাকায় তার নামে কিংবা বেনামে জমি থাকার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগকারী মনে করেন, এসব সম্পদের প্রকৃত মালিকানা এবং অর্থের উৎস অনুসন্ধান করলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।<br />
অভিযোগপত্রে কয়েকটি নির্দিষ্ট কাজের আইডি নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, আইডি নম্বর ১২৫৬৪০২, ৯৯৭৮২৭ এবং ৯৯৭৮২৬ নম্বর কাজের বাস্তবায়ন ও ব্যয় সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করলে অনিয়মের বিষয়গুলো স্পষ্ট হতে পারে। এসব প্রকল্পে বরাদ্দ, ব্যয়, বিল অনুমোদন, কাজের অগ্রগতি এবং বাস্তবায়নের তথ্য পর্যালোচনার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।<br />
দুদকে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর ন্যস্ত। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে ব্যক্তিগত সুবিধা অর্জনের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অনিয়ম সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। ফলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন।<br />
অভিযোগকারী তার আবেদনে বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মোঃ জুবায়ের বিন হায়দারের আয়, সম্পদ এবং জীবনযাত্রার মানের মধ্যে কোনো অস্বাভাবিক অসামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা অনুসন্ধানের মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তার ব্যাংক হিসাব, স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, কর নথি, সম্পদ বিবরণী এবং আর্থিক লেনদেনের তথ্য যাচাই করারও দাবি জানানো হয়েছে।<br />
দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে দেওয়া আবেদনে আরও বলা হয়েছে, অভিযোগগুলো যদি তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। অন্যদিকে অভিযোগগুলো সত্য না হলে তদন্তের মাধ্যমে তা-ও স্পষ্ট হয়ে আসবে। ফলে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তই এ বিষয়ে সঠিক চিত্র তুলে ধরতে সক্ষম হবে বলে অভিযোগকারী মনে করেন।<br />
জনপ্রশাসন ও উন্নয়ন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। কারণ সরকারি অর্থ জনগণের অর্থ এবং উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়ের প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হলে তা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপ জনআস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।<br />
সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, কেবল অভিযোগ উত্থাপন করাই যথেষ্ট নয়; একই সঙ্গে অভিযোগের পক্ষে প্রয়োজনীয় নথিপত্র, আর্থিক তথ্য ও প্রমাণও যাচাই করা জরুরি। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, আর অভিযোগ অসত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থানও পরিষ্কার হবে।<br />
এদিকে অভিযোগপত্রের সঙ্গে পত্রিকার কাটিং সংযুক্ত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী দাবি করেন, বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত সংবাদ ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই তিনি দুদকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তবে এসব তথ্যের যথার্থতা ও গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব তদন্তকারী সংস্থার ওপর বর্তায়।<br />
দুদকে জমা দেওয়া অভিযোগে মোঃ জুবায়ের বিন হায়দারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্তপূর্বক সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। অভিযোগকারী আশা প্রকাশ করেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবে।<br />
তবে এ প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে মোঃ জুবায়ের বিন হায়দারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে। একইভাবে দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযোগটি গ্রহণ করেছে কি না কিংবা এ বিষয়ে কোনো অনুসন্ধান শুরু হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।<br />
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে যথাযথ তদন্ত হলে অভিযোগের সত্যতা, সম্পদের উৎস, প্রকল্প বাস্তবায়নের আর্থিক ব্যবস্থাপনা এবং সরকারি অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট চিত্র পাওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তদন্তের ফলাফল ভবিষ্যতে সরকারি প্রকল্প ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কুমিল্লার বরুড়ায় ছয় বছরের নিষ্পাপ শিশুকে ধর্ষণ ঘৃণ্য অপরাধী এখনও পলাতক</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Jun 2026 01:57:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=89452</guid>

					<description><![CDATA[রিমন হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার : কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় এক নারকীয় ঘটনায় মাত্র ছয় বছর বয়সী একটি নিষ্পাপ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২ জুন) বিকাল আনুমানিক দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে উপজেলার ১৪ নং লক্ষীপুর ইউনিয়নের ২ নং বড় কালিকাপুর গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষণকারী হারুনুর রশিদ, পেশায় একজন গাছি, ঘটনার পরপরই [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রিমন হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার : কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় এক নারকীয় ঘটনায় মাত্র ছয় বছর বয়সী একটি নিষ্পাপ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২ জুন) বিকাল আনুমানিক দুইটা থেকে তিনটার মধ্যে উপজেলার ১৪ নং লক্ষীপুর ইউনিয়নের ২ নং বড় কালিকাপুর গ্রামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ধর্ষণকারী হারুনুর রশিদ, পেশায় একজন গাছি, ঘটনার পরপরই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান এবং এখনও তিনি আইনের আওতার বাহিরে রয়েছেন।</p>
<p>ঘটনার দিন দুপুরে শিশুটি তার সমবয়সী এক বন্ধুর সঙ্গে বাড়ির পাশের বাগানে নিশ্চিন্তে খেলছিল। সেই ফাঁকে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী হারুনুর রশিদ কলা খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে নিজের মেয়েকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এরপর অসহায় শিশুটিকে একা পেয়ে বাড়ির পাশের নির্জন জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে গিয়ে পাশবিক কায়দায় ধর্ষণ করেন। শিশুটি যন্ত্রণায় কান্নায় ভেঙে পড়লে নরপশু হারুনুর রশিদ তার কোমল মুখ নিষ্ঠুরভাবে চেপে ধরেন এবং গাছ কাটার কাটালি দেখিয়ে মুখ না খোলার হুমকি দেন।</p>
<p>নির্যাতনের পর শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে বাড়িতে ফিরে আসে। তার অসহায় চেহারা ও অবিরাম কান্না দেখে বড় বোন সঙ্গে সঙ্গে মাকে ডেকে আনেন। জিজ্ঞেস করলে ভয়ে কাঁপতে থাকা ছোট্ট শিশুটি ধীরে ধীরে পুরো ঘটনা খুলে বলে। বড় বোন জামা সরিয়ে দেখতে পান শিশুর শরীরে নির্যাতনের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে। পরিবার তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।</p>
<p>পুলিশ অভিযোগ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে অভিযুক্ত ধর্ষণকারী হারুনুর রশিদ ততক্ষণে পালিয়ে যান। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তের বাড়ি লাকসাম খিলা এলাকায় এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করে আসছিলেন। এই ঘটনায় তার ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মর্মাহত কণ্ঠে বলেন, &#8220;আমি আমার বাবার এই জঘন্য কাজের তীব্র নিন্দা জানাই এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করি।&#8221;</p>
<p>বরুড়া থানায় ইতিমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। থানার তদন্ত ওসি সঞ্জয় সরকার এই প্রতিবেদকের সঙ্গে যোগাযোগে জানান,&#8221;থানায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং আহত শিশুটি চিকিৎসাধীন রয়েছে। পলাতক ধর্ষণকারী হারুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক দল এখন মাঠে রয়েছে। অতিশীঘ্রই তাকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।&#8221;</p>
<p>এলাকাজুড়ে এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত ধর্ষণকারী হারুনুর রশিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং দ্রুত বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9b%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শনির আখড়ায় কোরবানির হাটে জনদুর্ভোগ চরমে: নীরব প্রশাসন, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%96%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%96%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 May 2026 16:21:29 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88863</guid>

					<description><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন : রাজধানীর ব্যস্ততম যাত্রাবাড়ী-ডেমরা পুরাতন সড়কে অবস্থিত ঢাকার ঐতিহ্যবাহী “কাজলা-মৃদা বাড়ি গরু-ছাগলের বিরাট হাট ২০২৬”কে কেন্দ্র করে ভয়াবহ যানজট, জনদুর্ভোগ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে গরু-ছাগল নামানো ও হাট সম্প্রসারণের কারণে শনির আখড়া এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। হাটটির ইজারাদার হিসেবে রয়েছে কে. বি. ট্রেড। প্রোপ্রাইটর মোঃ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিবেদন : রাজধানীর ব্যস্ততম যাত্রাবাড়ী-ডেমরা পুরাতন সড়কে অবস্থিত ঢাকার ঐতিহ্যবাহী “কাজলা-মৃদা বাড়ি গরু-ছাগলের বিরাট হাট ২০২৬”কে কেন্দ্র করে ভয়াবহ যানজট, জনদুর্ভোগ ও পরিবেশ বিপর্যয়ের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে গরু-ছাগল নামানো ও হাট সম্প্রসারণের কারণে শনির আখড়া এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা।<br />
হাটটির ইজারাদার হিসেবে রয়েছে কে. বি. ট্রেড। প্রোপ্রাইটর মোঃ শামীম খান। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে রয়েছেন মোঃ আবুস সালাম ও মোঃ তরিকুল ইসলাম তারেক। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রকাশ্যে সড়ক দখল করে পশু নামানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।<br />
বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শনির আখড়া মেইন রোড থেকে বাসপট্টি মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ট্রাকভর্তি গরু-ছাগল নামানোর দৃশ্য দেখা যায়। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছে গণপরিবহন, ভোগান্তিতে পড়ছেন অফিসগামী মানুষ, নারী ও শিশু।<br />
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনির আখড়া এমনিতেই রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ততম এলাকা। সেখানে রাস্তার দুই পাশ দখল করে পশুর হাট বসানোয় সাধারণ মানুষের চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। নারী ও শিশুদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। দুর্গন্ধ, বর্জ্য ও ময়লায় পরিবেশ বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে পুরো এলাকায়।<br />
এলাকাবাসীর প্রশ্ন— সিটি কর্পোরেশন, ট্রাফিক বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন কি এসব দেখেও না দেখার ভান করছে? জনগণের দুর্ভোগ উপেক্ষা করে কার স্বার্থ রক্ষা করা হচ্ছে?<br />
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কোরবানির পশুর হাটের নামে যদি রাজধানীর প্রধান সড়ক অচল হয়ে পড়ে, তাহলে সেটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণের চলাচলের অধিকার ক্ষুণ্ন করে ব্যবসায়িক সুবিধা আদায় করার সুযোগ কাউকে দেওয়া যায় না।<br />
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক, ট্রাফিক বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত সড়ক দখলমুক্ত করা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।<br />
জনগণের ভাষায়—<br />
“হাট চাই, কিন্তু জনদুর্ভোগের বিনিময়ে নয়। প্রশাসনের দায়িত্ব জনগণের পাশে দাঁড়ানো, নীরব দর্শক হয়ে থাকা নয়।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%96%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>*জুয়ার আগুনে পুড়ছে জীবন, কার্যকর উদ্যোগ শূন্য*</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 May 2026 09:15:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88800</guid>

					<description><![CDATA[বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশে জুয়া এখন স্মার্টফোনের পর্দায় ছড়িয়ে পড়েছে। এর নানা ধরনের নাম থাকলেও একে সবাই অনলাইন জুয়া বলে জানে। এই জুয়া খেলে সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যা করেছেন অনেকেই। অনলাইন জুয়া অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে (২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়) বাংলাদেশে প্রায় ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) মানুষ অনলাইন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশে জুয়া এখন স্মার্টফোনের পর্দায় ছড়িয়ে পড়েছে। এর নানা ধরনের নাম থাকলেও একে সবাই অনলাইন জুয়া বলে জানে। এই জুয়া খেলে সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যা করেছেন অনেকেই।</p>
<p>অনলাইন জুয়া অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে (২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়) বাংলাদেশে প্রায় ৫০ লাখ (৫ মিলিয়ন) মানুষ অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। এদের সিংহভাগই তরুণ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং বেকার যুবক।</p>
<p>অনলাইন জুয়া ২০১৮-২০১৯ সালের দিকে শুরু হয়। ২০২০ সালে করোনা মহামারির লকডাউনের সময় মানুষ যখন ঘরে অবরুদ্ধ, সে সময়ে বৃদ্ধি পায় স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের ব্যবহার। এই অবসরে অনলাইন জুয়া ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।</p>
<p>এই সর্বনাশা জুয়ায় কত লোক পথে বসেছে, কত লোক নিঃস্ব হয়েছে এর সরকারি পরিসংখ্যান নেই। তবে মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন অনুসন্ধান এবং গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, লক্ষাধিক মানুষ জুয়ায় হেরে সর্বস্বান্ত হয়েছেন।</p>
<p>মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক সংস্থাগুলোর গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুয়ায় আসক্ত ব্যক্তিদের প্রায় ৩০% তীব্র মানসিক অবসাদ ও দুশ্চিন্তায় ভোগেন। অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে আইন ও পুলিশের ভূমিকা অপ্রতুল। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০-এর বেশি জুয়ার সাইট এবং অসংখ্য মোবাইল অ্যাপ ব্লক হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।</p>
<p>মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, কক্সবাজার এবং দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে এটি মহামারির আকার ধারণ করেছে। অনেক পরিবার তাদের জমিজমা, ভিটেমাটি এবং শেষ সম্বল বিক্রি করে ঋণগ্রস্ত হয়ে সম্পূর্ণরূপে পথে বসেছেন।</p>
<p>একসময় জুয়া মানে ছিল তাসের আড্ডা কিংবা গোপন আসর। এখন সেই জুয়া স্মার্টফোনের পর্দায় মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে চলছে। একশ্রেণির মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষকে জুয়ায় জড়াচ্ছে। তারা বিকাশ-নগদের লেনদেনের মাধ্যমে তৈরি করেছে ভয়ংকর অনলাইন বেটিং সিন্ডিকেট। কিশোর থেকে বৃদ্ধ বয়সি অনেক মানুষ জড়িয়ে পড়ছে এই ভয়ংকর নেশায়। এ থেকে বাদ থাকছে না স্কুলের শিক্ষার্থীরাও। এতে কেউ হারাচ্ছেন ব্যবসার মূলধন, কেউ বসতভিটা, কেউ সর্বস্ব হারিয়ে বেছে নিচ্ছেন আত্মহত্যার পথ।</p>
<p>অভিযোগ রয়েছে, অনলাইন জুয়া শুধু মানুষকেই সর্বস্বান্ত করছে না, এর মাধ্যমে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>অনুসন্ধানে দেশের বিভিন্ন জেলায় অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। জুয়ার কারণে আত্মহত্যা, খুন, চুরি, ছিনতাই, ঋণগ্রস্ততা ও পারিবারিক ভাঙনের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালালেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকছে। ফুটপাতের দোকানি, সিএনজিচালক, নির্মাণশ্রমিক, কলেজশিক্ষার্থী, গৃহপরিচারিকা থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী পর্যন্ত অনেকেই এখন নিয়মিত জড়াচ্ছেন বেটিং অ্যাপে।</p>
<p>অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, সিকে৪৪৪, সিভি৬৬৬, নগদ৮৮, ক্রিক্রিয়া, ওয়ানএক্সবেট, বাবু৮৮, লাইনবেটসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বেটিং অ্যাপ ব্যবহার করে চলছে জুয়ার আসর। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে সহজে টাকা জমা ও উত্তোলনের সুযোগ থাকায় দ্রুত বাড়ছে আসক্তি।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাত্র একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কেউ জুয়ার জগতে প্রবেশ করতে পারছে। অনলাইন জুয়ায় নিঃস্ব হওয়া কক্সবাজার শহরের এক তরুণ ব্যবসায়ী বলেন, আগে ডলার দিয়ে খেলতে হতো, তাই লোক কম ছিল। এখন বিকাশে টাকা পাঠালেই খেলা যায়। সহজ হওয়ার কারণেই লোভে পড়ে সবাই জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছে।</p>
<p>মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনলাইন জুয়ার নেশায় পড়ে এক সরকারি চাকরিজীবী এনজিও থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নেন। পুরো টাকাই জুয়ায় হারিয়ে পারিবারিক ও অর্থনৈতিক চাপে গত ১০ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা করেন। এলাকায় কলেজছাত্র হৃদয় মিয়া বন্ধুর কাছ থেকে ধার নেওয়া ২২ হাজার টাকা জুয়ায় হারিয়ে ফেলেন। সেই টাকা ফেরত না পেয়ে ক্ষুব্ধ বন্ধুরা তাকে হত্যা করে। গত বছরের ৯ ডিসেম্বর কক্সবাজার পৌরসভার এসএম পাড়ার ইমরান (২৮) অনলাইন জুয়ার ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন। বগুড়ায় অনলাইন জুয়াকে কেন্দ্র করে খুন, আত্মহত্যা ও পারিবারিক সহিংসতার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। যশোরেও জুয়া খেলতে গিয়ে ঋণের চাপে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান বলেন, অনলাইন অপরাধ দমনে জেলার সব থানাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ ভুক্তভোগী অভিযোগ করতে চান না। স্থানীয়রা বলছেন, অনলাইন জুয়ার কারণে চুরি, ছিনতাই, মাদকাসক্তি ও পারিবারিক কলহ বাড়ছে। অনেক তরুণ জুয়ার টাকা জোগাতে স্বর্ণালংকার বিক্রি, পরিবারের টাকা আত্মসাৎ এমনকি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে। একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, শুরুতে সামান্য লাভ দেখিয়ে অ্যাপগুলো ব্যবহারকারীদের আসক্ত করে তোলে। পরে বড় অঙ্কের টাকা হারিয়ে মানুষ ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে। অনেকেই বের হতে চাইলেও পারেন না। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অনলাইন জুয়ার পেছনে রয়েছে শক্তিশালী এজেন্ট সিন্ডিকেট। মাস্টার এজেন্ট, সাব-এজেন্ট ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে পুরো নেটওয়ার্ক। খেলোয়াড় হারলে কমিশন পান এজেন্টরা। দেশের বিভিন্ন জেলায় বসে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিয়ে নতুন খেলোয়াড় সংগ্রহ করছে। এসব বিজ্ঞাপনে জনপ্রিয় সেলিব্রেটিদের এআই নির্মিত ভিডিও ব্যবহার করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র বলছে, অধিকাংশ বেটিং সার্ভার বিদেশে নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় মূল হোতাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। সীমান্তবর্তী জেলা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি এমন এলাকাগুলোতে এ নেটওয়ার্ক বেশি সক্রিয়। কক্সবাজার, মেহেরপুর ও যশোরে বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে অনলাইন জুয়ার এজেন্টদের আটক করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর জামিনে বেরিয়ে আবার একই কর্মকাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগও রয়েছে। মেহেরপুরে অনলাইন জুয়ার ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচিত কমরপুর গ্রামের নবাবকে একসময় গ্রেপ্তার করা হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি বিদেশে পাড়ি জমান। তার অনুপস্থিতিতে জুয়ার নেটওয়ার্কের নেতৃত্বে আসেন মোরশেদুল আলম লিপু গাজী। তিনিও গত বছর অক্টোবরে গ্রেপ্তার হন। তার বিরুদ্ধে একাধিক জেলায় অন্তত অর্ধডজন মামলা রয়েছে। তবে কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি জামিনে মুক্তি পান। অসুসন্ধানে জানা গেছে, মেহেরপুরে অনলাইন জুয়া মহামারিতে রূপ নিয়েছে। কয়েকশ তরুণ বিভিন্ন অ্যাপের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। মুজিবনগর উপজেলায় অনলাইন জুয়ার টাকায় অনেকের জীবনযাত্রায় হঠাৎ পরিবর্তন এসেছে। কেউ দোতলা বাড়ি করেছেন, কেউ বিলাসবহুল গাড়ি কিনেছেন। অথচ তাদের দৃশ্যমান কোনো বৈধ আয় নেই। মেহেরপুর পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, প্রযুক্তির মাধ্যমে জুয়ার অ্যাপ শনাক্ত ও বন্ধ করার কাজ চলছে। তবে মূল হোতারা বিদেশে অবস্থান করায় তদন্ত কঠিন হয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভয়ংকর এই জুয়ার নেটওয়ার্কের বড় শক্তি হলো সহজ প্রযুক্তি ও মোবাইল ব্যাংকিং। বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে প্রতিদিন বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন হচ্ছে। একাধিক এমএফএস এজেন্ট জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক দিনে কয়েকবার বড় অঙ্কের টাকা ক্যাশ ইন ও ক্যাশ আউট করছেন, যা অনলাইন জুয়ার সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট বলে তাদের ধারণা। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হচ্ছে। ২০২২ সালে রাশিয়া থেকে পরিচালিত একটি বেটিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে কক্সবাজার থেকে ৯ ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দেশের আরও অনেক জেলায় জুয়ার এজেন্টদের গ্রেপ্তারের নজির আছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, অ্যাপগুলো বিদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে। বিকাশের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনস কর্মকর্তা শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম বলেন, অনলাইন জুয়া, হুন্ডি ও অর্থ পাচার ঠেকাতে তারা নিজেরাই প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালাচ্ছেন। সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হলে তারা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) প্রতিবেদন পাঠান। অনুসন্ধানে জানা গেছে, যেখানে টাকার প্রবাহ বেশি সেখানেই অনলাইন জুয়ার রমরমা কারবার। মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের হাব হওয়ায় সেখানে অনলাইনের জুয়ার হাট বেশ চাঙা। আসক্ত হয়ে পড়েছেন ওখানকার শ্রমিকরা। পুলিশ ও সাইবার ইউনিট বলছে, অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে। তবে অধিকাংশ ভুক্তভোগী সামাজিক লজ্জা বা ভয় থেকে অভিযোগ করতে চান না। ফলে মূল চক্র অনেক ক্ষেত্রেই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। সমাজবিজ্ঞানী ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে অনলাইন জুয়ার ভয়াবহতা নিয়ে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় প্রশাসনকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অনলাইন জুয়া দেশের জন্য বড় সামাজিক ও অর্থনৈতিকসংকটে পরিণত হতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অপরাধ চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%9a/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%9a/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 May 2026 01:14:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88480</guid>

					<description><![CDATA[বিশেষ প্রতিনিধি : আইন পেশার ঢাল ব্যবহার করে বছরের পর বছর ধরে অপরাধ চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন। উদ্দেশ্যমূলক প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইল করছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী এবং সমাজের সুপরিচিত ব্যক্তিত্বদের। ক্ষতিগ্রস্তরা আইনের আশ্রয় নিলে আরও হিংস্র হয়ে ওঠেন এই ব্যারিস্টার। নিজে এবং চক্রের সদস্যদের মাঠে নামিয়ে একযোগে শুরু হয় তথ্য সন্ত্রাস। ব্যারিস্টার সারোয়ার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধি : আইন পেশার ঢাল ব্যবহার করে বছরের পর বছর ধরে অপরাধ চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন। উদ্দেশ্যমূলক প্রপাগান্ডা ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইল করছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী এবং সমাজের সুপরিচিত ব্যক্তিত্বদের।</p>
<p>ক্ষতিগ্রস্তরা আইনের আশ্রয় নিলে আরও হিংস্র হয়ে ওঠেন এই ব্যারিস্টার। নিজে এবং চক্রের সদস্যদের মাঠে নামিয়ে একযোগে শুরু হয় তথ্য সন্ত্রাস।</p>
<p>ব্যারিস্টার সারোয়ার দীর্ঘদিন ধরে দেশের দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানকে নিয়ে সামাজিক ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মানহানিকর ও মিথ্যা তথ্য সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছেন। এর প্রতিকার চেয়ে আদালতে গেছেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান।</p>
<p>আর তাতেই নতুন করে জিঘাংসা চরিতার্থ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন ব্যারিস্টার সারোয়ার। ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এমন তথ্য সন্ত্রাসে নেমেছেন যা কল্পনাকেও হার মানায়।</p>
<p>লিখেছেন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নাকি এক লাখ দুই হাজার একর জমি দখল করার অভিযোগ রয়েছে। অথচ পুরো ঢাকা শহরের আয়তনই এর চেয়ে অনেক কম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশনের মোট আয়তন ৩০৬.৪ বর্গকিলোমিটার বা প্রায় ৭৫ হাজার ৭০০ একর। আর ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তন ৩৬০ বর্গকিলোমিটার। একরের হিসাবে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০০ একর।</p>
<p>ব্যারিস্টার সারোয়ারের অভিযোগ সঠিক হলে পুরো ঢাকা শহর এবং এর বাইরের এলাকাও থাকত বসুন্ধরার হাতে। প্রশ্ন হলো, আইন পেশায় নিয়োজিত একজন ব্যক্তি কী করে এমন তথ্য সন্ত্রাস প্রকাশ্য চালাচ্ছেন? কোন খুঁটির জোরে তিনি দিনের পর দিন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে সীমাহীন মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন।</p>
<p>ব্যারিস্টার সারোয়ার তার পোস্টে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে আইন সকলের প্রতি সমান এবং কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।’ অথচ বছরের পর বছর মিথ্যাচারের প্রতিকার চেয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আদালতের আশ্রয় নেয়ায় এই ব্যারিস্টারই নতুন প্রোপাগান্ডায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।</p>
<p>সামাজিক ও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে মানহানিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের ঘটনায় এম. সারোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে গত বছরের ২২ নভেম্বর ঢাকার আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা করেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান।</p>
<p>এতে বলা হয়, বিবাদী এম. সারোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে অনবরত মিথ্যা, অকথ্য এবং মানহানিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। এতে বাদী আহমেদ আকবর সোবহান, তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং পরিবারের সদস্যরা দেশে-বিদেশে ব্যবসায়ী কমিউনিটি ও সাধারণ জনগোষ্ঠীর কাছে অপমানিত, অপদস্থ ও সমালোচিত হয়েছেন, যার কারণে তারা আর্থিক, ব্যবসায়িক ও মানসিকভাবে বিরাট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।</p>
<p>অভিযোগে আরো বলা হয়, বিবাদী পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন সোশ্যাল ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় অপপ্রচার চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও বড় ব্যবসায়ীদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ উপার্জনের অপচেষ্টায় লিপ্ত। বাদী আহমেদ আকবর সোবহান দেশের স্বনামধন্য ব্যবসায়ী গ্রুপ, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও মালিক। বসুন্ধরা গ্রুপ ১৯৮৭ সালে আবাসন ব্যবসার মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে গ্রুপটি খাদ্যপণ্য, কাগজ, সিমেন্ট, এলপিজি, শিপিং, গোল্ড, সংবাদপত্র এবং টিভি চ্যানেল প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন ব্যবসা অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে পরিচালনা করে আসছে।</p>
<p>এই মামলার খবর সে সময় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়। অথচ সারোয়ার হোসেন (৫ মে) ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, এই মামলা নিয়ে কোনো মিডিয়া সংবাদ প্রকাশ করেনি। বসুন্ধরার কারণেই সংবাদ ধামাচাপা দেওয়া হয়েছে এমন ইঙ্গিতও দেন তিনি। তার পোস্টের পুরোটাই এভাবে মিথ্যাচার এবং প্রপাগান্ডায় ভরপুর। আদালতের আওতাধীন বিষয়ে একজন ব্যারিস্টার এভাবে ফেসবুকে পোস্ট করতে পারেন কিনা তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন।</p>
<p>ব্যারিস্টার সারোয়ার এর আগেও বিভিন্ন ঘটনা ঘটিয়ে বিতর্কিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ শাসনামলে হত্যা-গুম-নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি ১৫ সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী প্যানেলে ছিলেন এই ব্যারিস্টার। অথচ এর আগে তিনিই ১৫ সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ দিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে প্রচণ্ড সমালোচনা হলে আইনজীবী প্যানেল থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন সারোয়ার হোসেন।</p>
<p>এভাবেই ব্যারিস্টারের মুখোশের আড়ালে একদিকে তথ্য সন্ত্রাস এবং অন্যদিকে সীমাহীন অপরাধের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সারোয়ার হোসেন। আইনজীবীর দোহাই দিয়ে থেকে যাচ্ছেন আইনের ধরাছোঁয়ার বাইরে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%9a/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চাটখিলে টিসিবির পণ্য গুদামজাত: ছাত্রলীগ নেতাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 03 May 2026 03:40:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88350</guid>

					<description><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় টিসিবির পণ্য গ্রাহকদের না দিয়ে অবৈধভাবে গুদামজাত করার অপরাধে জসিম উদ্দীন নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার (২ মে) দুপুরে উপজেলার পরকোট ইউনিয়নের মুন্সি রাস্তা এলাকার একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে এই দণ্ডাদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযান পরিচালনা করেন চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>স্টাফ রিপোর্টার : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় টিসিবির পণ্য গ্রাহকদের না দিয়ে অবৈধভাবে গুদামজাত করার অপরাধে জসিম উদ্দীন নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার (২ মে) দুপুরে উপজেলার পরকোট ইউনিয়নের মুন্সি রাস্তা এলাকার একটি গুদামে অভিযান চালিয়ে এই দণ্ডাদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।</p>
<p>অভিযান পরিচালনা করেন চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ টিসিবির পণ্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে ১৮০ বোতল (২ লিটারের) সয়াবিন তেল, ৪ বস্তা (২০০ কেজি) চিনি এবং প্রায় ২০০ কেজি ছোলা বুট।</p>
<p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বদলকোট ইউনিয়নের ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দীনের মালিকীয় টিসিবি ডিলার শশী এন্টারপ্রাইজ ও রয়েল এন্টারপ্রাইজ কার্ডধারী গ্রাহকদের পণ্য না দিয়ে তা গুদামজাত করে রাখতেন। পরবর্তী সময়ে এসব পণ্য বেশি দামে খুচরা বাজারে বিক্রি করার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।</p>
<p>অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান জানান, &#8220;১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ওই ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া তার ডিলারশিপ লাইসেন্স বাতিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সুপারিশ করা হবে। জসিমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফরিদপুরে শিশু বিক্রি ও মা নিখোঁজ: ৯ বছরেও মেলেনি দেবী বিশ্বাসের সন্ধান</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ab%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ab%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 02 May 2026 04:44:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88288</guid>

					<description><![CDATA[ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নে সন্তান জন্মদানের পর নবজাতক বিক্রি এবং প্রসূতি মা নিখোঁজ হওয়ার একটি লোমহর্ষক অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও ভুক্তভোগী পরিবার তাদের সন্তান বা নিখোঁজ মেয়ের কোনো সন্ধান পায়নি। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। ​ঘটনার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নে সন্তান জন্মদানের পর নবজাতক বিক্রি এবং প্রসূতি মা নিখোঁজ হওয়ার একটি লোমহর্ষক অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও ভুক্তভোগী পরিবার তাদের সন্তান বা নিখোঁজ মেয়ের কোনো সন্ধান পায়নি। প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।<br />
​ঘটনার সূত্রপাত<br />
​অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৭ সালে পশ্চিম আলগী গ্রামের সুনীল বিশ্বাসের মেয়ে দেবী বিশ্বাসের সঙ্গে তার স্বামীর সম্পর্কের অবনতি ঘটে। এই সুযোগে স্থানীয় মিন্টুর স্ত্রী জরিনা ও তার বোন ফিরু দেবী বিশ্বাসের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলে। দেবীর সন্তান প্রসবের সময় ঘনিয়ে এলে গত ৩ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার কথা বলে তাকে ঢাকার কালামপুরে ফিরুর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।<br />
​অঙ্গাতবাস ও শিশু বিক্রি<br />
​অভিযোগ রয়েছে, ১২ দিন আটকে রাখার পর গত ১৪ অক্টোবর সোমবার দুপুরে দেবী বিশ্বাসের একটি পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। জ্ঞান ফেরার পর অভিযুক্ত জাকির হোসেন দেবীকে জানান যে বাচ্চা অসুস্থ এবং তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে দেবীকে কিছু টাকা ধরিয়ে দিয়ে জানানো হয় বাচ্চা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই দেবী বিশ্বাস নিখোঁজ রয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, জাকির হোসেন ও তার সহযোগীরা দেবীকেও পাচার করে দিয়েছে।<br />
​অভিযুক্তদের পরিচয়<br />
​ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার আলিপুর গ্রামের আলী ফকিরের ছেলে মো. জাকির হোসেনের নাম উঠে এসেছে। এলাকাবাসীর দাবি, মিন্টুর স্ত্রী জরিনা, মিন্টু এবং ফিরু একটি সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্রের সদস্য। তারা জোরপূর্বক রোগীদের ক্লিনিকে আনা-নেওয়া এবং মোটা অঙ্কের বিনিময়ে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে বাচ্চা বিক্রির সাথে জড়িত।<br />
​পরিবারের হাহাকার ও প্রশাসনের ভূমিকা<br />
​নিখোঁজ দেবী বিশ্বাসের মা আরতী বিশ্বাস ও বাবা সুনীল বিশ্বাস কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, &#8220;আমরা গরীব বলে আমাদের কথা কেউ শুনছে না। ৯ বছর হয়ে গেল মেয়েটা কোথায় আছে জানি না।&#8221; তারা আরও জানান, ভাঙ্গার নিকোর হাট বড় বাড়ি মাদ্রাসার পাশের এক অজ্ঞাত ব্যক্তির কাছে বাচ্চাটি বিক্রি করা হয়েছে।<br />
​তৎকালীন সময়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হলেও এবং সিরাজুল (সিরুল) নামক দারোগা দায়িত্বে থাকলেও মামলার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী অবিলম্বে দেবী বিশ্বাস ও তার সন্তানদের উদ্ধার এবং এই চক্রের হোতা জাকির হোসেনসহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় মাতুব্বর ও সুশীল সমাজ।</p>
<p>নাম: দেবী বিশ্বাস<br />
পিতা: শুনিল বিশ্বাস<br />
মাতা: আরতী বিশ্বাস।</p>
<p>ঠিকানা: গ্রাম/রাস্তা: পশ্চিম আলগী, আলগী, ডাকঘর: আলগী ৭৮৩০, ভাঙ্গা।<br />
,,,,✔️<br />
অপহরণকারী<br />
বর্তমান ঠিকানা<br />
নাম : মো: জাকির হোসেন<br />
পিতা: আলী ফকির<br />
মাতা : মোছা: শুকচান বেগম<br />
৩ নামবার সন্তান<br />
২ ভাই ১ বোন</p>
<p>গ্রাম : আলি পুর<br />
৬ নং চাপিলা ইউনিয়ন<br />
থানা গুরুদাসপুর<br />
জেলা নাটোর<br />
বিভাগ রাজশাহী</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ab%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চাটখিলে অকটেন মজুদের অপরাধে জামায়াতের ২ নেতা আটক</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Apr 2026 13:17:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=87961</guid>

					<description><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে পাল্লা বাজার থেকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবৈধ ২৮৭ লিটার অকটেন মজুদের অপরাধে জামায়াতের ২জন নেতাকে আটক করা হয়। সোমবার (২০এপ্রিল) দুপুরে আটককৃতদের বিজ্ঞআদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।গতকাল রবিবার দিবাগত রাত ২টার সময় উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পাল্লা বাজার রহিম ট্রেডার্স থেকে ২৮৭লিটার অকটেন অন্যত্র গোপনে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>স্টাফ রিপোর্টার : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে পাল্লা বাজার থেকে পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অবৈধ ২৮৭ লিটার অকটেন মজুদের অপরাধে জামায়াতের ২জন নেতাকে আটক করা হয়।</p>
<p>সোমবার (২০এপ্রিল) দুপুরে আটককৃতদের বিজ্ঞআদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।গতকাল রবিবার দিবাগত রাত ২টার সময় উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পাল্লা বাজার রহিম ট্রেডার্স থেকে ২৮৭লিটার অকটেন অন্যত্র গোপনে বিক্রি করার সময় তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।<br />
গ্রেফতারকৃতরা হলো নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা পাঁচ গাঁও ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ(৫৫), পিতা আব্দুল কাইয়ুম, গ্রাম-আবু তোরাব এবং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড(পাল্লা-ধন্যপুর-দুলালপুর) জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নাছির উদ্দিন (৩৮), পিতা-এনায়েত উল্লাহ, গ্রাম-পাল্লা, উভয় থানা চাটখিল, নোয়াখালী।<br />
এস আই সেকান্দর মোল্লা বলেন<br />
১৯ এপ্রিল রাত ১১.৩০ ঘটিকা সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাল্লা বাজার মেইন রোড রহিম ট্রের্ডাস নামক দোকানের কাগজপত্র ব্যতিত কালো বাজারী বিক্রয়ের জন্য অবৈধভাবে জ্বালানি তেল (অকটেন) মজুদ করিয়া রাখিয়াছে। অভিযান চালিয়ে (ক) একটি নীল রংয়ের ড্রামের ভিতর অনুমান ১৯০ লিটার অকটেন, (খ) একটি হালকা নীল রংয়ের ড্রামের ভিতর অনুমান ৯০ লিটার অকটেন, (গ) একটি ০৫ লিটার প্লাষ্টিকের বোতলের ভিতরে ০৪ লিটার অকটেন, (ঘ) একটি ০২ লিটার প্লাষ্টিকের বোতলের ভিতরে ০২ লিটার অফটেন, (ঙ) একটি ০১ লিটার প্লাষ্টিকের বোতলের ভিতরে ০১ লিটার অকটেন, সহ সর্ব মোট ২৮৭ (দুইশত সাতাশি) লিটার অকটেন, যাহার অনুমান মূল্য ৩৪,৪৪০/-(চৌত্রিশ হাজার চারশত চরিশ) টাকা উদ্ধার করে, এ ব্যাপারে আব্দুল্লাহ ও নাছিরকে জিজ্ঞাসাবাদে রাতের অন্ধকারে অকটেন বিক্রি সরকারি কোন বৈধ কাগজপত্র ও সঠিক কোন উত্তর দিতে না পারায় তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।</p>
<p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আটককৃতরা অকটেনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারি মূল্য থেকে অধিক দামে বিক্রি করছে। আটককৃত আব্দুল্লাহ ও নাছির দীর্ঘ দিন থেকে অবৈধ ভাবে সরকারি মূল্যের চেয়ে অধিক দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করছে। বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সমস্যার কারণে দেশের ভিতরে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সারাদেশে অবৈধ মজুরদার সৃষ্টি করছে জামায়াতে ইসলামীর লোকজন। এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এলাকাবাসী।</p>
<p>চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মোন্নাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন আসামীদ্বয় অবৈধভাবে তেল (অকটেন) মজুদ করিয়া কালোবাজারীর উদ্দেশ্যে দোকানের ভিতরে অবস্থান করিতেছে। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পারিয়া আসামীদ্বয় পালানোর চেষ্টা করিলে পুলিশ তাদের আটক জব্দকৃত মালামালসহ থানায় নিয়ে আসে। তিনি আরো বলেন<br />
আটককৃত আব্দুল্লাহ ও নাছিরকে অবৈধ মজুদ ও কালো বাজার আইনে মামলা দায়ের করে নোয়াখালী বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ওসি বলেন চাটখিল উপজেলা যারা অবৈধ ভাবে বিভিন্ন হাট বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রি ও মজুদদারি করছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%9f%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কিউ লাইভ এজেন্সির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%89-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad-%e0%a6%8f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%89-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad-%e0%a6%8f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 16 Apr 2026 15:41:04 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=87822</guid>

					<description><![CDATA[অশ্লীল অঙ্গ-ভঙ্গি দেখিয়ে কিউ লাইভ হাতিয়েছে ১০৮ লাখ টাকা, সিআইডির মামলা, কিউ বাংলার শেয়ারিং অ্যাপ কিউ লাইভের লাইভ চ্যাট ও লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি ও অশ্লীল অঙ্গ-ভঙ্গি দেখিয়ে গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলে ভাগিয়ে নিয়েছে ১ কোটি টাকা। তবে এই টাকার এর মধ্যে ২৯ লাখ টাকা আদালতের আদেশে অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করা হয়েছে। বাকি ৭৯ হাজার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অশ্লীল অঙ্গ-ভঙ্গি দেখিয়ে কিউ লাইভ হাতিয়েছে ১০৮ লাখ টাকা, সিআইডির মামলা, কিউ বাংলার শেয়ারিং অ্যাপ কিউ লাইভের লাইভ চ্যাট ও লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি ও অশ্লীল অঙ্গ-ভঙ্গি দেখিয়ে গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলে ভাগিয়ে নিয়েছে ১ কোটি টাকা। তবে এই টাকার এর মধ্যে ২৯ লাখ টাকা আদালতের আদেশে অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করা হয়েছে। বাকি ৭৯ হাজার টাকা ইতোমধ্যে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।<br />
টানা ২দিন তদন্ত শেষে সম্প্রতি অর্থ পাচার ও প্রতিরোধ আইনে কিউ বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন সিআইডির উপ-পরিদর্শক (এসআই) রিপন খন্দকার( পাওয়ার ) ।</p>
<p>কিউ লাইফ https://play.google.com/store/apps/details?id=com.kiyo.mobile,<br />
ID: নাম :OGR RÄGİNİ<br />
ID :55503 এডমিন<br />
এজেন্সি code 7875/<br />
ID :71124<br />
ID :4064902<br />
মেয়েদেরকে এই অ্যাপ্লিকেশনে যুক্ত করে যৌনতার ফাঁদে ফেলতেছে হোয়াটসঅ্যাপে<br />
এবং কি বিকাশে লক্ষ লক্ষ টাকা পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে বিকাশ নামবার 01922213682</p>
<p>তিনি জানান, অর্থ পাচারের কাগজপত্র জোগাড় সাপেক্ষে গত এপ্রিল ১৪ তিনি বাদি হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় কিউ বাংলা ব্যবস্থাপনা পরিচালক , কিউ বাংলার কর্মী , এডমিন ও কিউ এজেন্সি ID:7875 নামের আসামি করা হয়েছে।</p>
<p>ID:15020GR Admin&#8221;&#8221;<br />
ID 55503O GR RÄGİNİ<br />
ID 79077<br />
ID: 71124O, RLD BOSS<br />
ID:7507326,GRAdmin promi<br />
ID: 4064902<br />
বাংলাদেশে কিউ অ্যাপের ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল সংলাপ হোয়াটসঅ্যাপে অনেক হোস্ট টাকা মেরে দিয়েছে বলে অভিযোগ, অশ্লীলতা কাজ না করিলে , অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। কিউ অ্যাপের ব্যবহারকারীদের বড় অংশ তরুণ-তরুণী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক। এই অ্যাপে দুই ধরনের আইডি রয়েছে। একটি আইডির নাম ব্রডকাস্টার। ব্রডকাস্টার আইডি ব্যবহার করেন তরুণ-তরুণীরা।</p>
<p>সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, কিউ অ্যাপের লাইভ ভিডিওর মাধ্যমে অশ্লীলতা ছড়ানোর অভিযোগে গত –সহ পাঁচজনকে সিআইডি। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা ও পর্নোগ্রাফিৃঅ ক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়। মামলার অপর চার আসামি হলেন কিউ বাংলার , , এস এম,, । তারা সবাই এখনও এপ্লিকেশনে আছে তবে পাচার হওয়া টাকা বিকাশ তাদেরকে আগেই পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি রিপন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%89-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ad-%e0%a6%8f%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
