<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>পরিবেশ &#8211; bongonewsbd24.com</title>
	<atom:link href="https://bongonewsbd24.com/category/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b6/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bongonewsbd24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Sat, 05 Jul 2025 17:00:01 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>
	<item>
		<title>জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ব্যাপকতা ও প্রভাবের মুখে শহর: ঝুঁকি হ্রাসে ঢাকায় আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Jul 2025 17:00:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=77204</guid>

					<description><![CDATA[মোহাম্মদ তারেক, বিশেষ প্রতিনিধি : জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ব্যাপকতা ও প্রভাবের কারনে বিশ্বজুড়ে পরিবেশগত সংকটের মুখে শহর। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে ঢাকায় “নগর জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন কেন্দ্র”-এর উদ্বোধন করে। এর লক্ষ্য হলো গবেষণা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা এবং প্রচারের মাধ্যমে জলবায়ু কার্যক্রম ও দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মোহাম্মদ তারেক, বিশেষ প্রতিনিধি : জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগের ব্যাপকতা ও প্রভাবের কারনে বিশ্বজুড়ে পরিবেশগত সংকটের মুখে শহর। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশ এবং অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয় ২ জুলাই ২০২৫ তারিখে ঢাকায় “নগর জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন কেন্দ্র”-এর উদ্বোধন করে। এর লক্ষ্য হলো গবেষণা, উদ্ভাবন, সহযোগিতা এবং প্রচারের মাধ্যমে জলবায়ু কার্যক্রম ও দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া নিয়ে শহুরে স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বর্তমানে বিশ্বের ৫৮% জনসংখ্যা শহুরে এলাকার বসবাস করছে—যার হার ২০৫০ সালের মধ্যে ৭০% পৌঁছাবে। বিশ্বের শহরগুলো ৭৫% বৈশ্বিক শক্তি ব্যবহার করে, ৭০% এরও বেশি CO₂ নির্গমন করে। একইসাথে তাপপ্রবাহ, বায়ু দূষণ, বন্যার মতো ঝুঁকির মুখে শহর। ২০২৪ ছিল রেকর্ড গরমের বছর যে ঢাকার মত শহরের পরিবেশ ও বসবাসযোগ্যতাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অনুষ্ঠানে অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর অশীষ দামলে বলেছেন: “ঢাকার মতো শহরগুলো একাধিক সংকটের শিকার যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ তাপ, বায়ু দূষণের মত বিষয়। এই চ্যালেঞ্জগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়গুলোকে আরও গভীর ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে।”</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>উদ্বোধিত কেন্দ্রটি শহুরে জলবায়ু ও দুর্যোগের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলার জন্য আধুনিক গবেষণা, অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি তৈরি ও প্রচার, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সম্প্রদায়-নেতৃত্বাধীন উদ্ভাবনের মাধ্যমে কাজ করবে। বর্তমানে এটি ছয়টি মূল থিমে মনোনিবেশ করছে: শহুরে তাপ ও দূষণ, শক্তি পরিবর্তন, সবুজ অবকাঠামো, ভূ-স্থানীয় বিজ্ঞান, জলবায়ু ন্যায় এবং জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথিবী ও গ্রহ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মার্টিন ভ্যান ক্রানেনডঙ্ক বলেছেন: “শহুরে উন্নয়ন আমাদের গ্রহকে নতুনভাবে গঠন করছে—এবং এর সাথে আমাদের ঝুঁকিগুলোও। শহুরে এলাকাগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রভাবের সম্মুখীন; কিন্তু একই সাথে পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণও ধারণ করে। কেন্দ্রটি বিজ্ঞান ও সম্প্রদায়কে সংযুক্ত করে স্থানীয় ভিত্তিক, বৈশ্বিকভাবে প্রয়োগিক সমাধান তৈরি করতে।”</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ঢাকায় সুইডেনের দূতাবাসের প্রথম সচিব ও উন্নয়ন সহযোগিতার উপ-প্রধান নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রম বলেছেন: “আজকের শহুরে উন্নয়ন জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতাকে উপেক্ষা করতে পারে না। উদ্বোধন হওয়া কেন্দ্রটি শহুরে জনগণের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া সহযোগিতামূলক কার্যক্রমের জরুরিতা তুলে ধরে বলেন, “বন্যা থেকে তাপ চাপ, ঢাকা জলবায়ু ঝুঁকির একটি বিস্তৃত পরিসরের সম্মুখীন। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ আজাজ বলেন, “শহুরে ব্যবস্থাপনায়, সেরা সমাধানগুলো প্রায়ই কমিউনিটি থেকে আসে। আমাদের অভিযোজিত কৌশল, সমন্বিত নেতৃত্ব এবং সম্প্রদায়-নেতৃত্বাধীন ডিজাইন প্রয়োজন আজকের শহুরে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলার জন্য।”</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>বাংলাদেশ সরকারও এই উদ্যোগের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকসুদ জাহেদী বলেন, “শহুরে জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা আর বিকল্প নয়; এটি অপরিহার্য। সহযোগিতামূলক পদ্ধতি দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মোকাবেলায় সহযোগিতা করে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের জলবায়ু ন্যায় ও প্রাকৃতিক সম্পদের অধিকার বিভাগের প্রধান ড. মোহাম্মদ এমরান হাসান এবং কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আশরাফ দেওয়ান কেন্দ্রের প্রেক্ষাপট এবং রোডম্যাপের উপর বিস্তারিত উপস্থাপন করেন। সেশনটি সঞ্চালনা করেন ওক্সফাম ইন বাংলাদেশ-এর ইনফ্লুয়েন্সিং, কমিউনিকেশনস, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের প্রধান মো. শরিফুল ইসলাম।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অংশে দুটি গবেষণা উপস্থাপনা এবং একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। চীনা বিজ্ঞান একাডেমির ড. ফেই ইয়াং অস্থায়ী বসবাসে শহুরে তাপ চাপের উপর গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল উপস্থাপন করেন, যখন পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো হক তথ্য ও প্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>ইউএনডিপি বাংলাদেশের মো. সারদার এম আসাদুজ্জামান পরিচালিত আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ছিলেন: হেসিন জাহান (ওয়াটারএইড বাংলাদেশ), টোমাস ওয়ারলুন্ড রাইলেনিয়াস (সুইডেনের দূতাবাস), ড. মো. গোলাম রাব্বানি (ক্লাইমেট ব্রিজ ফান্ড, ব্র্যাক), এবং মো. মোহাম্মদ বারাদ হোসেন চৌধুরী (শিক্ষা মন্ত্রণালয়)। আলোচনা অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিকল্পনা, জলবায়ু-স্মার্ট অবকাঠামো এবং আন্তঃখাত সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিল। অক্সফ্যাম ইন বাংলাদেশের প্রোগ্রাম পরিচালক মাহমুদা সুলতানা অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>অনুষ্ঠানে নাগরিক সমাজ, একাডেমিয়া, মিডিয়া, উন্নয়ন সহযোগী এবং পৌর কর্তৃপক্ষের অংশগ্রহণ ছিল। কেন্দ্রটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তন, শহুরে উন্নয়ন এবং সামাজিক অসমতার ত্রিমুখী বোঝার সম্মুখীন অন্যান্য দেশের জন্যও একটি উদাহরণ স্থাপন করে।</p>
<p>ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%9c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%81-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সিআইসিএ মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন:প্লাস্টিক দূষণ রোধে বৈশ্বিক প্লাস্টিক চুক্তির আহ্বান জানালেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 28 Aug 2024 12:10:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=59883</guid>

					<description><![CDATA[বঙ্গনিউজবিডি প্রতিনিধি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্লাস্টিক দূষণ রোধে বিশ্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা একটি উচ্চাভিলাষী গ্লোবাল প্লাস্টিক চুক্তির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পরিবেশ উপদেষ্টা বুধবার কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় অনুষ্ঠানরত &#8216;মিনিস্টেরিয়াল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বঙ্গনিউজবিডি প্রতিনিধি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্লাস্টিক দূষণ রোধে বিশ্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা একটি উচ্চাভিলাষী গ্লোবাল প্লাস্টিক চুক্তির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও একসঙ্গে কাজ করতে হবে।</p>
<p>পরিবেশ উপদেষ্টা বুধবার কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় অনুষ্ঠানরত &#8216;মিনিস্টেরিয়াল কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া (CICA) এ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষ হতে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কথা বলেন।</p>
<p>পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের পানি সম্পদের মূল্যায়ন করা এবং সেগুলোর সুরক্ষা ও ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য একটি ন্যায়সঙ্গত ব্যবস্থা গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্বে প্রচুর পরিমাণে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং মানবসম্পদ রয়েছে, যা বিশ্ববাসীর কল্যাণে কাজে লাগানো এবং ভাগাভাগি করা উচিত।</p>
<p>সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে তাদের শেয়ার করা সম্পদ, যেমন যৌথ নদী ও বন, রক্ষা করার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের বায়ু দূষণসহ অন্যান্য সাধারণ উদ্বেগগুলোও সমাধান করতে হবে। বাস্তব সময়ের তথ্য সংগ্রহ এবং সর্বোত্তম অভ্যাসগুলো শেয়ার করার মাধ্যমে, বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ বায়ুদূষণ থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হবে।</p>
<p>সৈয়দা রিজওয়ানা আরও বলেন, সিআইসিএ-এর মধ্যে একসঙ্গে কাজ করে, আসুন আমাদের অঞ্চলের একটি টেকসই ভবিষ্যতের জন্য অবদান রাখি এবং আমাদের গ্রাম ও শহরের প্রতিটি নারী ও পুরুষের জন্য, আগামী প্রজন্মের জন্য পরিবেশগত ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করি। আসুন আমরা একসঙ্গে একটি শূন্য কার্বন ভবিষ্যৎ অর্জনের জন্য প্রচেষ্টা করি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%8f-%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বোটানিক্যাল গার্ডেনে টিকিট ১০০ টাকা অযৌক্তিক: পরিবেশমন্ত্রী</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Jul 2024 16:25:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=57093</guid>

					<description><![CDATA[বঙ্গনিউবিডি ডেস্ক: বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রবেশ ফি ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে একলাফে ১০০ টাকা করার বিষয়টিকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। প্রবেশ ফি বাড়ানোর বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখানে একটা রাজস্ব চাহিদা আছে। তবে এতো [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><b>বঙ্গনিউবিডি ডেস্ক:</b> বোটানিক্যাল গার্ডেনের প্রবেশ ফি ২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে একলাফে ১০০ টাকা করার বিষয়টিকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।</p>
<p>বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।</p>
<p>প্রবেশ ফি বাড়ানোর বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখানে একটা রাজস্ব চাহিদা আছে। তবে এতো বাড়ানো উচিত না বলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি। এটা অযৌক্তিক।</p>
<p>সাবের হোসেন চৌধুরী আরও জানান, পরিবেশদূষণ রোধে প্রতিটি বিভাগে দুটি করে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকমুক্ত (এসইউপি) স্কুল ক্যাম্পাস বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে পাঁচটি স্কুলকে গ্র্যাজুয়েশন সিরেমনির মাধ্যমে এসইউপিমুক্ত করা হয়েছে।</p>
<p>এর আগে, এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের বন অধিশাখা-১ থেকে গত ২১ এপ্রিল একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এছাড়া দৈনিক পত্রিকায় এ বিষয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। গার্ডেনে প্রবেশের গেটেও এ নিয়ে নির্দেশনামূলক ব্যানার টানানো হয়েছে।</p>
<p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশ করার জন্য ১২ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে জনপ্রতি ১০০ টাকা প্রবেশ ফি দিতে হবে। আর এর চেয়ে কম বয়সীদের জন্য প্রবেশে ফি দিতে হবে ৫০ টাকা। তবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রিম অনুমতি নিয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেনে গেলে ১০০ জনের একটি দলের জন্য ১ হাজার টাকা ফি দিতে হবে। এর চেয়ে বেশিজনের দল হলে ফি দেওয়া লাগবে দেড় হাজার টাকা। গবেষকেরাও এই ফির আওতাভুক্ত থাকবেন।</p>
<p>প্রজ্ঞাপনে বিদেশি পর্যটক ও শরীরচর্চার জন্য উদ্যানে যারা নিয়মিত হাঁটতে যান, তাদের জন্যও আলাদা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রত্যেক বিদেশি পর্যটকের জন্য ১ হাজার টাকা বা সমমূল্যের ইউএস ডলার প্রবেশ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। আর উদ্যানে হাঁটতে যাওয়া ব্যক্তিদের একটি বার্ষিক কার্ড করাতে হবে। এর জন্য ফি দেওয়া লাগবে ৫০০ টাকা। তবে অবস্থান করা যাবে মাত্র ১ ঘণ্টা। অথচ শরীরচর্চার জন্য আগে উদ্যানে গেলে কোনোরকম ফি লাগত না।</p>
<p>বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রবেশ ফি বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এত অধিক হারে ফি বাড়ানোটা অনুচিত ও অযৌক্তিক মনে করছেন রাজধানীবাসীও।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এআইপি খেতাবে ভূষিত হয়েছেন পরিবেশবিদ অধ্যাপক মতিন সৈকত</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%8f%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%8f%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Jun 2024 19:22:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=56476</guid>

					<description><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার : কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সিআইপি&#8217;র সমমর্যাদায় Agricultural Important Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার। এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে- মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>স্টাফ রিপোর্টার : কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সিআইপি&#8217;র সমমর্যাদায় Agricultural Important Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার।</p>
<p>এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে- মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার, ব্যবসা/দাফতরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে Letter of Introduction ইস্যু করবে, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার সুবিধা পাবেন।</p>
<p>এবার ২০২১ সালের এআইপি খেতাবে ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার আদমপুর গ্রামের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়ন সংগঠক, অধ্যাপক এম এ মতিন (মতিন সৈকত)। তিনি চার দশক ধরে কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়নে বৈপ্লবিক অবদান রাখছেন। কৃষি উদ্ভাবন জাত/প্রযুক্তি বিভাগে মতিন সৈকত-কে এআইপি সন্মানা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত হয়। ৭ জুলাই ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মতিন সৈকত সহ অনান্য এআইপিদের সন্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।</p>
<p>মতিন সৈকত একজন বহুমুখী সৃজনশীল উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা। সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন পত্র পেয়েছেন। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যাবহার এবং সম্প্রসারণে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ এবং ২০১৭ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মতিন সৈকত-কে দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরিতে ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান করেন।</p>
<p>পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে মতিন সৈকত ছয়বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন। বিষমুক্ত ফসল, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মতিন সৈকত নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।</p>
<p>বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমবায় ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মতিন সৈকত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে তুলেন আপুসি, আপুবি, বিসমিল্লাহ, আদমপুর আদর্শ মৎস্য চাষ প্রকল্প।</p>
<p>প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষে দাউদকান্দি মডেল এবং নিরাপদ খাদ্য উপজেলা দাউদকান্দি মডেলের অন্যতম অংশীজন তিনি। সারাদেশে বোরোধান উৎপাদন করতে সেচের পানির জন্য কৃষককে যখন ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা বিঘাপ্রতি সেচ খরচ দিতে হয়। সেখানে মতিন সৈকত বিঘাপ্রতি এককালীন মৌসুমব্যাপী মাত্র দুইশ টাকার বিনিময়ে ত্রিশ বছর যাবত বোরোধান লাগানো থেকে পাকা ধান কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানির প্রয়োজন ততোবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয় দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন।</p>
<p>বোরোধানের জমিতে ধান উৎপাদনের পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে বিঘাপ্রতি ১০/ ১৫ হাজার টাকা মুনাফা পাচ্ছেন কৃষক। মতিন সৈকতের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সরকার কালাডুমুর নদী পূনঃখনন করে দিয়েছেন। মতিন সৈকত খাল-নদী পূনঃখনন জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, পাখি প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় &#8216;তিনি নিজ এলাকা দাউদকান্দি কুমিল্লায় ২০০৬ সালে ১০,০০০ কৃষক নিয়ে আইপিএম-আইসিএম ক্লাব গঠন করেন। তার এ উদ্যোগের ফলে ২০১৭ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দাউদকান্দি উপজেলাকে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০১০ ও ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক এবং ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছেন। &#8216;</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%8f%e0%a6%86%e0%a6%87%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%9b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাজেটে প্রতিফলন চাই: টেকসই পরিবেশ ও উন্নয়ন</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b8/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 20 Jun 2024 05:11:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=56121</guid>

					<description><![CDATA[সমীরণ বিশ্বাস: বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে সামনে রেখে, জাতীয় সংসদে পেশ করা বাজেটে প্রাকৃতিক পরিবেশের অবনতি মোকাবেলা নিয়ে তেমন কিছু বলা হয়নি। গত বাজেটে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে এক হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও এবারের বাজেটে তা কমিয়ে এক হাজার ২২১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, গত বাজেটের তুলনায় কমেছে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সমীরণ বিশ্বাস: বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে সামনে রেখে, জাতীয় সংসদে পেশ করা বাজেটে প্রাকৃতিক পরিবেশের অবনতি মোকাবেলা নিয়ে তেমন কিছু বলা হয়নি। গত বাজেটে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে এক হাজার ২৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও এবারের বাজেটে তা কমিয়ে এক হাজার ২২১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, গত বাজেটের তুলনায় কমেছে ২৫ কোটি টাকা।</p>
<p>সরকার মোট উন্নয়ন বাজেটের ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে, ১১ দশমিক ৫ শতাংশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে, ১৫ দশমিক ১ শতাংশ স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে, ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে, ৫ দশমিক ৬ শতাংশ কৃষি খাতে, ৬ দশমিক ৬ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে, ৬ দশমিক ৪ শতাংশ জনপ্রশাসন খাতে ও ৩ শতাংশ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। প্রতিবেশের ক্ষতি কাটিয়ে উঠার জন্যে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।</p>
<p>পরিবেশবাদীরা পরিবেশ রক্ষার জন্যে যা প্রয়োজন তা করার কথা বললেও সরকার সাধারণত তা উপেক্ষিত থাকেই গেছে। পানি ও বায়ু দূষণ বন্ধ এবং বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্যে বাজেটে উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। এক্ষেত্রে সরকারকে তেমন কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেবার ইঙ্গিত নাই । বাংলাদেশ এখন স্বল্প উন্নত দেশ থেকে বেরিয়ে এসেছে। উন্নত দেশগুলো এখন জানতে চাইবে, আমাদের পণ্যগুলো টেকসই পরিবেশে তৈরি হচ্ছে কি না।</p>
<p>নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ বেড়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ হাজার ১৩১ কোটি টাকা। যেখানে চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৭১ কোটি টাকা। বরাদ্দ বেড়েছে ৬০ কোটি টাকা। যা কোনভাবেই যথাপযুক্ত মনে করেন না পরিবেশবাদী এবং অংশীদারিগণ। বর্তমানে দেশের জলবায়ু পরিবর্তনের যে করাল গ্রাস তান্ডব বহমান রয়েছে তাহা এই অপ্রতুল বাজেট দিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা কোনমতেই সম্ভব নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞগণ । যদিও কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার লক্ষ্যে জলবায়ু খাতে ১০০ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।</p>
<p>এবারের বাজেট দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বাজেট। প্রস্তাবিত এ বাজেটের প্রতিপাদ্য সুখী-সমৃদ্ধ , উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার। এবারের বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। যা আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) চেয়ে ৩৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। চলতি অর্থবছরের বাজেটের আকার ছিল ৭ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা।</p>
<p>বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষায় এবারে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় বিভাগে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ২ হাজার ১৩১ কোটি টাকা। সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী, প্রায় ১৭ লাখ জনসংখ্যার বাংলাদেশে এ বরাদ্দ কতটুকু কাজে আসবে তা আলোচনার দাবি রাখে। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজন ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েছে। মূলত ব্যাপক জনঘনত্ব ও ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ বাড়ছে, ফলে দেশব্যাপী পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরী হয়েছে।</p>
<p>যেকোনো অঞ্চলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য চাই সুস্থ ও নির্মল পরিবেশ। আমাদের সামগ্রিক জীবনের ওপর পরিবেশের প্রভাব অপরিসীম। বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশের অবক্ষয় সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত একটি বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব, বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, বন্যা, দুর্যোগ, বন উজাড়, নদীভাঙনের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপী কোনো না কোনো অঞ্চল পরিবেশ বিপর্যের সম্মুখীন। বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজন ও চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েছে । ব্যাপক জনঘনত্ব ও ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর বিভিন্ন ধরনের চাপ বাড়ছে, ফলে দেশব্যাপী পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যেমন গাছপালা কর্তন, কৃষিকাজে অপরিকল্পিত, অযাচিত কীটনাশকের ব্যবহার, মাটি উত্তোলন ও পাহাড় কাটা, গভীর নলকূপের মাধ্যমে মাটির নিচ থেকে অতিরিক্ত পানি উত্তোলন, অতিরিক্ত সেচকাজ ইত্যাদি দেশের পরিবেশকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।</p>
<p>ভৌগোলিক অবস্থান, ভূপ্রকৃতি এবং কিছু প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপদাপন্ন দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। দেশের আবহাওয়া সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত হারে তার স্বাভাবিক রূপ পরিবর্তন করছে এবং শিল্পোন্নত দেশগুলোর অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণের ফলে বাড়ছে তাপমাত্রা। ১৮৫০ থেকে ১৯০০ সালের তাপমাত্রার সঙ্গে বর্তমান তাপমাত্রার তুলনা করলে দেখা যায়, গড়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা ১ দশমিক ৩ ডিগ্রি বেড়েছে।</p>
<p>প্রতিকূল এ পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়াতে বিপর্যস্ত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন। নিয়মিত ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, সাম্প্রতিক তাপদাহ, বজ্রপাত, খরা ইত্যাদি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকট হচ্ছে পরিবেশগত হুমকি। এসব হুমকি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, প্রাণ-প্রকৃতির সুরক্ষা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ। পবিবেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রকৃত পক্ষে অনেকগুলো সেক্টরকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা মাফিক পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন। কারণ পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান, যেমন বায়ু, পানি, মাটি, ও জীবমণ্ডল প্রতিটি একটির সঙ্গে অন্যটি সম্পর্কযুক্ত। সুতরাং পরিবেশের সামগ্রিক সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, যেমন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের বাজেট বরাদ্দও পরিবেশ খাতের দিক বিবেচনায় আনা প্রয়োজন।</p>
<p>পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় ছাড়াও পরিবেশ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়েরও সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন। নদীমাতৃক বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় পানিসম্পদের যথাযথ ও সুচিন্তিত ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম। দেশের পানিসম্পদের দক্ষ ও টেকসই ব্যবস্থার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্প, যেমন বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন রোধ, ড্রেজিং, সেচ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও ভূমি পুনরুদ্ধার ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকল্প যথাযথ অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে চলমান রাখা অতীব জরুরী।<br />
বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন। কারণ: দূষণ, দখল, দুর্যোগ, দাবানল, শিকার ইত্যাদির কারণে বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য এখন হুমকির সম্মুখীন। সুন্দরবনসহ সারা দেশের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিশেষ মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন।</p>
<p>বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ, যেমন: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, দাবদাহ ইত্যাদির প্রকোপ বেড়ে চলেছে। সেজন্য জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় বাজেটে আরো অতিরিক্ত অর্থ বাড়ালে এসব দুর্যোগে আক্রান্তদের ক্ষতিপূরণ ও সম্পদহানির কিছুটা উপকৃত হবে। মূলকথা পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নে সহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাজেট বরাদ্দ সময়ের দাবি। বাজেটে উপেক্ষিত থাকবে না পরিবেশ, বিশেষ গুরুত্ব পাবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং দুর্যোগ প্রশমন এই আশাই সুধীজনদের ।<br />
লেখক: কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ , ঢাকা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ab%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%b8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মোনালিসা স্যানিটারি ন্যাপকিন পিরিয়ড বিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 20 Nov 2023 04:55:00 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=44308</guid>

					<description><![CDATA[শনিবার (১৮ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর শামসুন নাহার হল -এ অনুষ্ঠিত হলো মোনালিসা &#8211; স্যানিটারি ন্যাপকিন আয়োজিত &#8220;পিরিয়ড বিষয়ক সচেতনতা ও পণ্য বিতরণ কার্যক্রম&#8221;। আলোচ্য অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উক্ত হলের প্রভোস্ট ড. রাকিবা নবী, ছাত্রীবৃন্দ ও বসুন্ধরা পেপার মিলস লিঃ এর প্রতিনিধিবৃন্দ । এ সময় ৪৫০ জন ছাত্রী কে বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শনিবার (১৮ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এর শামসুন নাহার হল -এ অনুষ্ঠিত হলো মোনালিসা &#8211; স্যানিটারি ন্যাপকিন আয়োজিত &#8220;পিরিয়ড বিষয়ক সচেতনতা ও পণ্য বিতরণ কার্যক্রম&#8221;। আলোচ্য অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উক্ত হলের প্রভোস্ট ড. রাকিবা নবী, ছাত্রীবৃন্দ ও বসুন্ধরা পেপার মিলস লিঃ এর প্রতিনিধিবৃন্দ । এ সময় ৪৫০ জন ছাত্রী কে বিনামূল্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ ও পিরিয়ড জনিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা করা হয়। বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে জানানো হয় এই কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে সারা দেশে পিরিয়ড বিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে চলমান থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
