<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>রাজধানী &#8211; bongonewsbd24.com</title>
	<atom:link href="https://bongonewsbd24.com/category/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a7%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bongonewsbd24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Fri, 05 Jun 2026 17:34:17 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>
	<item>
		<title>বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম করেও বহাল তবিয়তে আহসান হাবীব</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 05 Jun 2026 17:33:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=89565</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশল, উন্নয়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে অনিয়ম ও দূর্নীতিতে সিণ্ডিকেট গড়ে তুলেছিলো বহিষ্কৃত নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া ও বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র বা ‘সিণ্ডিকেট’ বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, টেন্ডার প্রক্রিয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। এই সিণ্ডিকেটে সাময়িক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশল, উন্নয়ন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে অনিয়ম ও দূর্নীতিতে সিণ্ডিকেট গড়ে তুলেছিলো বহিষ্কৃত নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া ও বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র বা ‘সিণ্ডিকেট’ বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, টেন্ডার প্রক্রিয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। এই সিণ্ডিকেটে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া এবং নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীবসহ কয়েকজন কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।<br />
ডিএসসিসির প্রকৌশল বিভাগের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী সিণ্ডিকেটের প্রভাব গড়ে উঠেছিল, যেখানে টেন্ডার প্রক্রিয়া, কাজ বণ্টন, প্রকল্প অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন পর্যায়ে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির প্রভাব ছিল। এই প্রভাব বলয়ের কারণে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কিছু নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সুবিধা পেয়েছে। দরপত্রের শর্ত এমনভাবে নির্ধারণ করা হতো যাতে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠান সহজেই অংশ নিতে পারে, অন্যদের জন্য প্রতিযোগিতা সীমিত হয়ে পড়ে। যদিও এসব দাবি নিয়ে এখনো কোনো নিরপেক্ষ ও চূড়ান্ত সরকারি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি।<br />
এদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের জন্য ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) কাজী সালেহ মুস্তানজির বহিষ্কার করা হয়। কাজী সালেহ মুস্তানজির ও আহসান হাবীবের ছিলো খুব ভালো সম্পর্ক তারা তিন জন মিলেই সকল অনিয়ম করতো।<br />
এই বিষয়ে কথা বলতে নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীবের কাছে গেলে তিনি বলে আপনাদের অভিযোগ দেয়ার দরকার নেই আপনারা আমার বাসায় চলুন। পরে আর কোন উত্তর না দিয়ে সাংবাদিকদের বিদায় দেন তিনি।<br />
সম্প্রতি ডিএসসিসির একটি দপ্তর আদেশে নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়াকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মার্কেট পরিচালনা, দোকান বরাদ্দ, টেন্ডার কার্যক্রমসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু এই সিণ্ডিকেটের অন্য সদস্য ও মূলহোতা নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব পদোন্নতি পায়।<br />
এই সিণ্ডিকেট শুধু টেন্ডার প্রক্রিয়াতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিল অনুমোদন, কাজের মান নির্ধারণ এবং অর্থ পরিশোধের প্রক্রিয়াতেও এর প্রভাব ছিল। কিছু ক্ষেত্রে কাজ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার আগেই বিল পরিশোধ করা হয়েছে, আবার কোথাও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও অর্থ ছাড় দেওয়া হয়েছে।<br />
মো. আহসান হাবীব ২০২০ সালের পর থেকে ডিএসসিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন বলে জানা যায়। তিনি অঞ্চলভিত্তিক নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি পরবর্তীতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে অবকাঠামো উন্নয়ন, সড়ক নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং বর্জ্য অপসারণ সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের চিত্র ফুটে উঠে।<br />
এই সিণ্ডিকেটের বিরুদ্ধে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতকে কেন্দ্র করেও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। রাজধানীর দৈনন্দিন বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও নিষ্পত্তি ডিএসসিসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। অভিযোগকারীদের দাবি, এই খাতে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গাড়ির জ্বালানি ব্যয়, পরিবহন ব্যয় এবং লজিস্টিকস খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগ রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে ভুয়া লগবই ব্যবহার করে অতিরিক্ত ট্রিপ দেখিয়ে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগও বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় এসেছে বলে দাবি করা হয়। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে শক্ত প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।<br />
এই খাতের আরেকটি আলোচিত বিষয় হলো পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জনবল ব্যবস্থাপনা। অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, মাস্টাররোল ও স্থায়ী কর্মীর তালিকার মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে। কাগজে-কলমে দেখানো জনবল এবং বাস্তবে কর্মরত কর্মীর সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। এছাড়া উপস্থিতি রেকর্ড, বেতন প্রদান এবং কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।<br />
ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সরঞ্জাম ক্রয় প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন। তাদের মতে, ডাস্টবিন, কনটেইনার, বর্জ্য পরিবহন যান এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে বাজারদরের তুলনায় অতিরিক্ত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বা নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ করা হয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব বিষয়ও এখনো তদন্তাধীন পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।<br />
মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল এবং সামগ্রিক বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম নিয়েও আলাদা করে প্রশ্ন উঠেছে। রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হলেও কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি। তারা বলছেন, এই খাতে নিয়মিত অডিট ও কঠোর তদারকি না থাকলে অনিয়মের সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন সংবেদনশীল খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আধুনিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং স্বাধীন নিরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।<br />
এদিকে অভিযোগ রয়েছে যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ডিএসসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) কাজী সালেহ মুস্তানজিরকে বহিষ্কার করা হয়। অভিযোগকারীদের মতে, তিনি এবং আহসান হাবীবের মধ্যে ঘনিষ্ঠ প্রশাসনিক সম্পর্ক ছিল এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে তাদের সমন্বিত ভূমিকার অভিযোগ উঠেছে। তবে এই সম্পর্ক বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ও বিস্তারিত সরকারি ব্যাখ্যা প্রকাশিত হয়নি।</p>
<p>অভিযোগকারীদের একটি অংশ দাবি করছে যে এই পুরো ব্যবস্থার ভেতরে একটি সমন্বিত প্রভাব বলয় কাজ করছিল, যেখানে কয়েকজন কর্মকর্তা, ঠিকাদার এবং প্রশাসনিক ব্যক্তি মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাদের মতে, এই কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা কমে যায় এবং ব্যয়ের অস্বাভাবিকতা তৈরি হয়। তবে এসব দাবি এখনো অভিযোগ পর্যায়ের বাইরে প্রমাণিত হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ওপর নির্ভর করছে।<br />
বর্তমানে গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলমান থাকলেও নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান কিভাবে পদোন্নতি পায় সেই প্রশ্ন থেকেই যায়।<br />
একই সঙ্গে আহসান হাবীবসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়েও আলাদা পর্যালোচনার দাবি উঠেছে। নাগরিক সমাজের একটি অংশ মনে করছে, পুরো প্রকৌশল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির মাধ্যমে পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন, যাতে প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব হয় এবং প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা যায়।<br />
এই পরিস্থিতিতে ডিএসসিসির অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামো, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও সামনে আসছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় টেন্ডার প্রক্রিয়া, প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে প্রযুক্তিনির্ভর স্বচ্ছতা বাড়ানো গেলে এ ধরনের অভিযোগ অনেকাংশে কমে আসতে পারে।<br />
অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সীমিত থাকলেও, তারা অতীতে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে ভিত্তিহীন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন বলে জানা যায়। তবে সাম্প্রতিক অভিযোগ ও তদন্ত কার্যক্রমের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য পাওয়া যায়নি।<br />
সব মিলিয়ে ডিএসসিসির প্রকৌশল ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলো এখনো তদন্তাধীন পর্যায়ে রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা, পরিসর এবং দায় নির্ধারণের জন্য নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন বলে বিভিন্ন মহল থেকে মত দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে জনসাধারণের প্রত্যাশা হলো, যেকোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগের সঠিক ও নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি হবে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আরও জোরদার করা হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>*মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ*</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%ad%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%ad%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 02 Jun 2026 09:20:38 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=89402</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক : মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই তরুণদের সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে রাজধানীর মুগদায় মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও শপথ কর্মসূচির আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। মঙ্গলবার (২ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে তরুণদের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক : মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই তরুণদের সচেতন ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ে রাজধানীর মুগদায় মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও শপথ কর্মসূচির আয়োজন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। মঙ্গলবার (২ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে তরুণদের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।<br />
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, “বর্তমান প্রজন্মকে শুধু শিক্ষিত করলেই হবে না, তাদের নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধেও সমৃদ্ধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে মাদকবিরোধী সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”<br />
বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মিলটন বলেন, “যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে পারলে মাদকসহ নানা সামাজিক অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় তরুণদের নিয়ে মানবিক, সচেতনতামূলক ও সমাজ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। আমরা বিশ্বাস করি, তরুণরাই পারে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে।”<br />
বসুন্ধরা শুভসংঘ মুগদা থানা শাখার সভাপতি সোহান আহমেদ বলেন, “মাদকবিরোধী সচেতনতা কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়; এটি একটি চলমান সামাজিক আন্দোলন। তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।”<br />
সাধারণ সম্পাদক সাগর হোসেন বলেন, &#8220;মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকেই বিপর্যস্ত করে না; এটি একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের জন্যও বড় হুমকি। তাই তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।&#8221;<br />
আবদুল হান্নান মিলটনের সার্বিক নির্দেশনায় এবং বসুন্ধরা শুভসংঘ মুগদা থানা শাখার সভাপতি সোহান আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সাগর হোসেনের নেতৃত্বে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়।<br />
অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে উপস্থিত সদস্যদের নিয়ে মাদকবিরোধী শপথ পাঠ করানো হয়। শপথে অংশগ্রহণকারীরা মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার অঙ্গীকার করেন।<br />
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি রানা হোসেন ও আল-আমিন সিয়াম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাওন আহম্মেদ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক রাব্বি হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মনির হোসেন, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক আয়েশা আকন ও জিনিয়া আক্তার, অর্থবিষয়ক সম্পাদক ইমরান হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক জিসান আলম, পাঠাগার ও বিতর্কবিষয়ক সম্পাদক রাফসান আহমেদ রিফাত, শিশু ও নারীকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক লিজা আক্তার ও সোনালী আক্তার এবং প্রচার ও যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক রাতুল আহমেদ।<br />
এ ছাড়া সংগঠনের সদস্য আরাফাত, সিয়াম শেখ, ওমর, কামরুল, পাখি, কারিমা, লিভা, আরিফা ইসলাম, রিয়াদ ও মুন্নাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।<br />
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া তরুণেরা সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%97%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%ad%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কোরবানির বর্জ্য অপসারণে গাফিলতি: ঢাকার দুই সিটি কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 30 May 2026 02:24:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=89234</guid>

					<description><![CDATA[বঙ্গ নিউজ বিডি ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকার ঘটনায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৯ মে) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বঙ্গ নিউজ বিডি ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকার ঘটনায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।<br />
শুক্রবার (২৯ মে) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।<br />
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জোন-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জোন-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজির। তাদের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে শাস্তিমূলক বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সাময়িক বরখাস্ত করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।<br />
প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য এবং জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা সড়কে পড়ে থাকতে দেখা যায়। শুক্রবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে চরম গাফিলতি ও অব্যবস্থাপনার চিত্র প্রত্যক্ষ করেন।<br />
এরপর প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।<br />
সরকার জানিয়েছে, জনস্বার্থ ও নগর ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দায়িত্বে অবহেলার বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3%e0%a7%87-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মিরপুরের কালশী বাউনিয়াবাদ বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১৫ ইউনিট</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b6%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b6%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 25 May 2026 16:12:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=89021</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরের কালশী বাউনিয়াবাদ বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস। আগুনের খবর পেয়ে প্রথমে কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় পরে আরও ইউনিট যোগ করা হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার মিরপুর-১১ নম্বরের কালশী বাউনিয়াবাদ বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।<br />
আগুনের খবর পেয়ে প্রথমে কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় পরে আরও ইউনিট যোগ করা হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৫টি ইউনিট কাজ করছে।<br />
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।<br />
তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। এছাড়া এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা কোনো হতাহত হওয়ার তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলে তদন্তের মাধ্যমে আগুনের উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র জানা যাবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।<br />
ঘনবসতিপূর্ণ বস্তি এলাকায় আগুন লাগার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় অনেককে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও উপস্থিত রয়েছেন।<br />
আগুন নিয়ন্ত্রণে এলে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b6%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাশি বিক্রি করেই চলে তার জীবন জীবিকা</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 23 May 2026 11:46:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88933</guid>

					<description><![CDATA[মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :  নাম গণেশ চন্দ্র সেন ।বাড়ী রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় । রাজশাহী শহরে এসে ঘুরে , ঘুরে , বাশি বিক্রি করেই চলে তার জীবন, জিবিকা ।হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো কাঁধে ঝোলা ব্যাগ আর মুখে বিভিন্ন গানের সুরেলা সুরে বাঁশি বাজিয়ে ৩৫ বছর পার করেছেন তিনি। কীভাবে বাঁশি বাজাতে হয় তা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মো: গোলাম কিবরিয়া, রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :  নাম গণেশ চন্দ্র সেন ।বাড়ী রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় । রাজশাহী শহরে এসে ঘুরে , ঘুরে , বাশি বিক্রি করেই চলে তার জীবন, জিবিকা ।হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মতো কাঁধে ঝোলা ব্যাগ আর মুখে বিভিন্ন গানের সুরেলা সুরে বাঁশি বাজিয়ে ৩৫ বছর পার করেছেন তিনি। কীভাবে বাঁশি বাজাতে হয় তা আবার ক্রেতাকে শিখিয়ে দেন। পল্লিগীতি, ভাওয়াইয়া, লালনগীতি, বিচ্ছেদ ও পুরোনো বাংলা সিনেমার গানের সুরও তুলতে পারেন। আবার নিজেও তৈরি করেন গান, সুর-তালও দেন। বাঁশির প্রতি প্রবল আকর্ষণ তাকে এই পেশা থেকে কখনোই আলাদা করতে পারেনি। তাই ব্যক্তি জীবনের উত্থান পতনে বাঁশি বিক্রিকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন তিনি।</p>
<p>কখন ও রাজশাহী শহরে , কখনও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে , বাঁশি বিক্রির জন্য ঘুরে বেড়ান গনেশ চন্দ্র দাস । ৩৫ বছর যাবৎ এই রাজশাহী শহরে বাঁশি বিক্রি করেন তিনি। যা দিয়েই কোনো রকম চলছে তার সংসার। ইচ্ছে ছিল কোনো একটা চ্যানেলে গান করার। আমৃত্যু সুর ধরে রাখতে চেয়েছিলেন সুর সঙ্গীতের ঐতিহ্য। তবে মূল্যায়িত হয়নি তার প্রতিভা। কেউ তার প্রতিভার মূল্যায়নে এগিয়ে আসেনি। তাইতো অভিমানে বারবার ছেড়ে দিতে চেয়েছেন এই পেশা। কিন্তু ভালো লাগা ও আবেগের কাছে হার মানে সকল অভিমান।</p>
<p>গনেশ চন্দ্র দাস রাজশাহী নগরীর পুঠিয়া উপজেলার কান্দ্রা গ্রামের বাসিন্দা। তিন ছেলে ও এক মেয়ের জনক তিনি। তিন ছেলেই বিবাহিত। তবে ১৫ বছর আগে চিকিৎসার অভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় তার একমাত্র মেয়ে। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে লেখাপড়া করার সুযোগ হয়নি তার। তারপরও নিজের তীব্র আকাঙ্ক্ষায় পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছেন তিনি। দারিদ্র্যের কষাঘাতে জীবিকার খোঁজে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারেননি গনেশ চন্দ্র।</p>
<p>তার সাদামাটা জীবনে নেই কোনো বিলাসিতা। দু&#8217;বেলা দুমুঠো ভাতই ছিল তার জীবন যুদ্ধ। আবার কখনো অর্ধাহারে কাটিয়ে দেন তিনি। জীবিকার তাগিদে অন্য ১০ জনের মতোই ছুটতে হয় তাকেও। সকল দুঃখ কষ্ট হাসি মুখে বরণ করার এক বিষ্ময়কর শক্তি নিয়েই যেন পৃথিবীতে নিরন্তর ছুটে চলা পরিশ্রমী এই মানুষটির।</p>
<p>জীবন যুদ্ধে লড়াকু এই মানুষটির সাথে কথা হয়, আলাপকালে নিজের একান্ত সুখ দুঃখের অব্যক্ত গল্পগুলো শোনালেন হাসিমুখেই। সকাল থেকে সন্ধ্যা বাঁশি ভর্তি একটা ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ছুটে চলেন । সকালের পাখি ডাকা ভোর আর সূর্য গড়িয়ে সন্ধ্যা, সারাদিনই বিচরণ ঘটে রাজশাহী শহরে ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তীব্র ঝড়ে গুলশানে মাইক্রোবাসের ওপর গাছের ডাল, আটকা ৫ জনকে উদ্ধার করলো ট্রাফিক পুলিশ</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 May 2026 03:38:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88791</guid>

					<description><![CDATA[বঙ্গ নিউজ বিডি ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর গুলশান এলাকায় তীব্র ঝড়ের মধ্যে একটি মাইক্রোবাসের ওপর গাছের বড় ডাল ভেঙে পড়ে আটকা পড়েন চার সাংবাদিক ও এক চালক। পরে ট্রাফিক পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। সোমবার (১৮ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে গুলশান-১ চত্বরের দক্ষিণ সিগন্যাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলশান ট্রাফিক [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বঙ্গ নিউজ বিডি ডেস্ক রিপোর্ট : রাজধানীর গুলশান এলাকায় তীব্র ঝড়ের মধ্যে একটি মাইক্রোবাসের ওপর গাছের বড় ডাল ভেঙে পড়ে আটকা পড়েন চার সাংবাদিক ও এক চালক। পরে ট্রাফিক পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।<br />
সোমবার (১৮ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে গুলশান-১ চত্বরের দক্ষিণ সিগন্যাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।<br />
গুলশান ট্রাফিক পুলিশের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মেহেদী হাসান জানান, ডিউটিরত অবস্থায় আকস্মিক ঝড় শুরু হলে একটি মাইক্রোবাসের ওপর বড় আকারের গাছের ডাল ভেঙে পড়ে। এতে গাড়িটি সম্পূর্ণভাবে আটকে যায়। একই সঙ্গে হাইভোল্টেজ বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে সড়কে পড়ে জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকির সৃষ্টি হয়।<br />
তিনি আরও জানান, দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক সদস্য ও সার্জেন্ট ওয়াদুদ দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। প্রথমে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন-এর সংশ্লিষ্ট কর্মীদের খবর দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় ডেসকো-কে অবহিত করা হয়।<br />
পরে অনেক চেষ্টার পর মাইক্রোবাসটির দরজা খুলে ভেতরে আটকে থাকা চার সাংবাদিক ও চালককে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, তারা দৈনিক দিনকাল পত্রিকার প্রতিনিধি। ঝড় ও চারপাশের পরিস্থিতিতে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন।<br />
উদ্ধার হওয়া সাংবাদিকরা ট্রাফিক পুলিশের তাৎক্ষণিক সহায়তার প্রশংসা করে বলেন, দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে না পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারতো।<br />
এদিকে ঝড়-বৃষ্টির কারণে সড়কের একাধিক লেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ডিএনসিসি ও ডেসকোর সহযোগিতায় অল্প সময়ের মধ্যে সড়ক আংশিক সচল করা হয়। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।<br />
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9d%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%95%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>উন্নয়নকাজের নামে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে বিপর্যস্ত ঢাকা</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 12 May 2026 08:45:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88639</guid>

					<description><![CDATA[স্টাফ রিপোর্টার : দ্বারে কড়া নাড়ছে বর্ষার আগমনী বার্তার ডংকা। এর মধ্যেই রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ। প্রশ্ন উঠছে এর আগে কেন শেষ করা হয়নি এসব কাজ। বিভিন্ন এলাকায় সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। একদিকে রাস্তা কাটার পর দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়া, অন্যদিকে একই এলাকায় একাধিক সংস্থার বারবার খোঁড়াখুঁড়িতে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>স্টাফ রিপোর্টার : দ্বারে কড়া নাড়ছে বর্ষার আগমনী বার্তার ডংকা। এর মধ্যেই রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ। প্রশ্ন উঠছে এর আগে কেন শেষ করা হয়নি এসব কাজ।</p>
<p>বিভিন্ন এলাকায় সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী। একদিকে রাস্তা কাটার পর দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়া, অন্যদিকে একই এলাকায় একাধিক সংস্থার বারবার খোঁড়াখুঁড়িতে যানজট, জলাবদ্ধতা ও জনভোগান্তি এখন নিত্যদিনের চিত্র।</p>
<p>ধানমণ্ডি, উত্তরা, বারিধারা, নতুনবাজার, মোহাম্মদপুর, বসিলা ও আদাবারসহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, কোথাও রাস্তা কাটা অবস্থায় পড়ে আছে মাসের পর মাস, কোথাও আবার সড়কের অর্ধেকজুড়ে জমে আছে মাটি, বালু ও নির্মাণসামগ্রী। এতে সংকুচিত সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, বাড়ছে যানজট ও দুর্ভোগ।</p>
<p>স্থানীয়রা বলছেন, ড্রেনেজ, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ফাইবার অপটিক্যাল কেবল স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া চলছে। একটি সংস্থা কাজ শেষ না করতেই আরেকটি সংস্থা একই জায়গায় নতুন করে রাস্তা কাটছে, ফলে ভোগান্তি আরও বাড়ছে।</p>
<p>নগরবাসীর অভিযোগ, নিয়মিত হোল্ডিং ট্যাক্স দিলেও কাঙ্ক্ষিত নাগরিক সেবা মিলছে না। অনেক এলাকায় নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও সড়ক ব্যবস্থাপনার ঘাটতি পূরণে স্থানীয় সোসাইটিগুলোকে নিজ উদ্যোগে কাজ করতে হচ্ছে।</p>
<p>উত্তরা, বারিধারা ও নতুনবাজার এলাকায় উন্নয়নকাজের কারণে সড়কের বড় অংশ অচল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে মোহাম্মদপুর, কাদেরাবাদ ও বসিলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অসমাপ্ত সড়ক, ধুলাবালি ও জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে রয়েছেন বাসিন্দারা।</p>
<p>এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান বলেন, বিভিন্ন সেবা সংস্থার বড় প্রকল্পের কারণে সমন্বয়হীনতা তৈরি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে রাস্তা কাটার পর সংস্কারেও বিলম্ব হচ্ছে। পরিস্থিতি উন্নয়নে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর মাধ্যমে কাজ দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>সব মিলিয়ে সমন্বয়ের অভাব ও দীর্ঘসূত্রতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়ক উন্নয়ন এখন নগরবাসীর জন্য নতুন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%a8%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সিটি করপোরেশন ও প্রাসঙ্গিক একটি গল্প</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 11 May 2026 16:20:14 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88623</guid>

					<description><![CDATA[(৪১টি ওয়ার্ডে মাঠ নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ব্যক্তি প্রতি ৯ বর্গমিটার। আছে ১ বর্গমিটারেরও কম। ২৩৫ মাঠের মধ্যে বেদখলে ১৯৩টি। তাহলে রক্ষক কি দিবানিদ্রায় মগ্ন!) রাজন ভট্টাচার্য: রাজসভার কার্যক্রম চলছে। এ সময় রাজার কাছে এলেন একজন বার্তা বাহক। চলমান রাজ সভায় বার্তা পেয়ে উত্তেজিত হয়ে উঠলেন রাজা। তিনি শহরমন্ত্রীকে বললেন, আপনি দ্রুত নগর পরিদর্শনে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>(৪১টি ওয়ার্ডে মাঠ নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ব্যক্তি প্রতি ৯ বর্গমিটার। আছে ১ বর্গমিটারেরও কম। ২৩৫ মাঠের মধ্যে বেদখলে ১৯৩টি। তাহলে রক্ষক কি দিবানিদ্রায় মগ্ন!)</p>
<p>রাজন ভট্টাচার্য:<br />
রাজসভার কার্যক্রম চলছে। এ সময় রাজার কাছে এলেন একজন বার্তা বাহক। চলমান রাজ সভায় বার্তা পেয়ে উত্তেজিত হয়ে উঠলেন রাজা। তিনি শহরমন্ত্রীকে বললেন, আপনি দ্রুত নগর পরিদর্শনে যান। নগরবাসী কেমন আছে, তা দেখে বিকালের মধ্যে জানাবেন।<br />
একই নির্দেশ গেল নগর সেবায় নিয়োজিত প্রধান ব্যক্তির কাছে। দুজন হন্তদন্ত হয়ে বের হয়ে আবাসিক এলাকায় ঢুঁ মারলেন। সেখানকার অবস্থা দেখে কপালে উঠল চোখ।<br />
এক বাড়ির গা ঘেঁষে নির্মাণ হয়েছে আরেক বাড়ি। তাতে আলো-বাতাস চলাচলের জায়গা একেবারেই নেই।<br />
সরু পথের ছোট্ট গলিতে বিশাল বিশাল ইমারত আর যানবাহনের বিড়ম্বনা। মূল সড়কের পাশে হাসপাতাল আর বাণিজ্যিক ভবন! নগরজুড়ে পার্কিং আর তারের জঞ্জাল। পথে পথে ময়লা আর আবর্জনার দুর্গন্ধ। প্রকাশ্যে মলমূত্র ত্যাগ হয় একুশ শতকের নগরে। নির্বিচারে ফুটপাত-সড়ক দখল, প্রকাশ্যে চুরি ছিনতাইসহ অপরাধের শেষ নেই। ভাঙাচোরা সড়ক, জলাবদ্ধতা, ধুলো, গণপরিবহনের অভাব আর দিনের বেলায় চলার পথে মশার কামড়ে একেবারেই অস্থির দুই পর্যবেক্ষক।<br />
বাড়ি বাড়ি কঠোর নিরাপত্তা বলয়ে থাকা মানুষের মধ্যে এক অজানা আতঙ্ক। হাসপাতালে হাজারো রোগীর ভিড়, বিপদগ্রস্ত নাগরিকরা সহায়তা পেতে হাপিত্যেশ । পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটে নাভিশ্বাস। অর্ধশত কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার পরও মিললোনা সবুজের দেখা। চোখে পড়লো না জলাশয়। গোটা শহরই যেন পরিণত হয়েছে বাণিজ্যিক নগরীতে।নগর পরিবহনের আসন এতই ছোট যে সামনে পা রাখার মতো নেই নুন্যতম জায়গা। এর মধ্যে যানজটের মহা ভোগান্তি, শব্দের ভয়ংকর দূষণের মধ্যে আধা ঘণ্টার পথ আড়াই ঘণ্টায় পাড়ি দিয়ে ফিরলেন।</p>
<p>তারা ফিরে এসে রাজার কাছে বললেন, এ নগর আর বাসযোগ্য নয়। রাজার প্রশ্ন, আপনারা এত দিন এসব দেখেননি কেন? তাদের সহজ জবাব- ঘুমিয়ে ছিলাম!<br />
রাজা বললেন, নাগরিক সেবার মান বাড়াতে যা কিছু প্রয়োজন তার সবই করতে হবে।<br />
রাজার আদেশ শুনে তারা বললেন, ঘুমের বদভ্যাসে আমাদের আমার অসাঢ়। আমাদের দিয়ে আর কিছুই হবেনা। তাই নাগরিক সেবার মান বাড়াতে নিতে হবে নতুন নতুন পরিকল্পনা।<br />
১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট থেকে শুরু করা নাগরিক সেবা। শুরুর এত বছর পরও রাজধানী ঢাকার চিত্র রাজদরবারের গল্পের মতোই রয়ে গেছে। তাই সবাই মনে করে নগর সেবকদের কার্যালয় যেমন হয়েছে নাগরিক সেবা সেবা মাপে মোটেই বাড়েনি।</p>
<p>ভাগাভাগির হিস্যা ঠিক রাখতে সিটি করপোরেশনকে উত্তর ও দক্ষিণ নামে বিভক্ত করলেও সেবার মান মোটেই বাড়েনি।<br />
সিটি করপোরেশনের মৌলিক কাজ ১৫টি। যদিও করপোরেশন আইনে ২৮ ধরনের কাজের কথা উল্লেখ আছে। প্রশ্ন হলো- সিটি করপোরেশন কি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালন করতে পারছে? এক কথায় বললে, মোটেই না। যদিও এজন্য রয়েছে নানা সীমাবদ্ধতার পুরোনো গল্প।</p>
<p>অথচ শহর বড় হচ্ছে, সেবা ও সেবার মান বাড়ছে না। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নাগরিক যন্ত্রণা আর ভোগান্তি। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাইসহ সামাজিক অপরাধ নগরের মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। বাড়ছে সামাজিক অস্থিরতা। মশার মতো কীট নিয়ন্ত্রণেও লাল বাতি। অন্যদিকে সেবা না বাড়িয়ে হোল্ডিং ট্যাক্সসহ নানা খাতে আয়ের উৎস বাড়িয়ে বাণিজ্য করছে সিটি করপোরেশন। আয় বাড়ানোর কাজটি সফলভাবে করছে। সব মিলিয়ে নগর অব্যবস্থাপনার দিক থেকে গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় আমাদের অবস্থান প্রথম দিকেই হবে এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।</p>
<p>অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা একটি নগর কীভাবে ঢেলে সাজানো দরকার, নাগরিকের চাহিদা কী, কী ধরনের সেবা নিশ্চিত করতে হবে, কোন পদক্ষেপে ভালো থাকবে নগরের মানুষ এসব প্রশ্ন নীতিনির্ধারকদের কাছে পরিষ্কার নয়। তাছাড়া উন্নত শহরগুলোতে কী ধরনের নাগরিক সেবা দেওয়া হচ্ছে সেটিও আমরা অনুসরণ করতে পারছি না। যেহেতু কোনো পরিবর্তন নেই তাহলে দায়িত্বশীলরা দাবানলে বসে মনের আনন্দে বাঁশি বাজিয়ে যাচ্ছেন এটাই প্রমাণিত সত্য।</p>
<p>সিটি করপোরেশনের মোট আয়তন কত? এই আয়তনের মধ্যে কত মানুষ স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারে? কত যানবাহন চলবে, কী পরিমাণ সড়ক, জলাশয়, প্রকৃতি, হাসপাতাল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বাজার, ভবন প্রয়োজন এ নিয়ে কোনো ভাবনা আছে সিটি করপোরেশনের? যদি থাকত তাহলে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ ইচ্ছামতো যানবাহনের লাইসেন্স দিতে পারত না। শহরে এখন মানুষের হেঁটে চলা আর যানবাহনের গতি প্রায় সামান। অর্থাৎ যানবাহনের চাপে স্থবির হওয়ার পথে রাজধানী। তেমনি যেসব কারণে দূষণে প্রতিদিন গোটা বিশ্বের মধ্যে ঢাকার নাম দশের ঘরে জায়গা পাচ্ছে, এই সমস্যা সমাধানে নগর কর্তৃপক্ষকে পাগল হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু নির্বিকার!</p>
<p>২০২৫ সালের শেষের দিকে জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস রিপোর্ট বলছে, ঢাকার জনসংখ্যা এখন ৩ কোটি ৬০ লাখের বেশি। অথচ ২০২২ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপ অনুযায়ী নগরে জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৩ লাখ। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল শহর ঢাকা।</p>
<p>আর জনঘনত্বের দিক থেকেই রাজধানী ঢাকা বিশ্বের মধ্যে প্রথম সারিতে। আগামী ২০৫০ সালে জনসংখ্যার দিক থেকে জাকার্তা দ্বিতীয় অবস্থানে নেমে প্রথম হবে রাজধানী ঢাকা। তখন এই শহরের জনসংখ্যা হবে ৫ কোটি ২১ লাখ।<br />
কত বছরে ঢাকার জনসখ্যা সাড়ে ৩ কোটির ঘর অতিক্রম করল এ নিয়ে সিটি করপোরেশনের কোনো ভাবনা আছে? তেমনি ২০৫০ সালে এই নগর নিয়ে জাতিসংঘ যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে এজন্য প্রতিষ্ঠান দুটির কোনো প্রস্তুতি আছে? তাহলে কি দেশের সব জনস্রোত ঢাকামুখী হবে? অথচ ২০ বছর ধরে আলোচনা চলছে জনস্রোত ঠেকানোর। তেমনি প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণের বিষয়েও উল্লেখ করার মতো কিছুই হয়নি। যদি হতোই তাহলে ঢাকামুখী মানুষের স্রোত কেন থামানো যাচ্ছে না? মানুষ বাড়ছে বলেই নাগরিক সংকটের মাত্রা বাড়ছে। বারবার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে সিটি করপোরেশনের সেবা কার্যক্রম।</p>
<p>উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়তন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৬ বর্গকিলোমিটারে। এখানে রয়েছে ৫৪টি ওয়ার্ড। ৭৫টি ওয়ার্ড নিয়ে দক্ষিণ সিটির আয়তন ১০৯ বর্গকিলোমিটার। এই অংশে মোট জনবল ৮ হাজার ৪০৭ জন। দুই সিটি করপোরেশনে ২০১৬ সালে আটটি করে ১৬টি নতুন ইউনিয়ন যুক্ত হলেও সেবা বাড়েনি। করপোরেশনে যুক্ত হওয়া নতুন নতুন ইউনিয়নগুলোতে নাগরিক ভোগান্তির শেষ নেই। সেখানে চলমান নাগরিক সেবার অর্ধেকও পৌঁছায়নি। অন্ধকার পথে আলো আসেনি, সচল হয়নি ভাঙাচোরা পথ।</p>
<p>কী করছে সিটি করপোরেশন?</p>
<p>সাধারণ মানুষ সিটি করপোরেশনের কাছে ভাত, কাপড় চায় না। বড় দাগে বললে সেবা আর নিরাপত্তা চায়। সিটি করপোরেশনের মৌলিক কাজের ১৫টির মধ্যে অন্যতম অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা। কর্তৃপক্ষ কি এ কাজে সফল? নগরে যে যার মতো করে যা ইচ্ছা তাই করছে। যে কোনো কারণেই হোক কর্তৃপক্ষ এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ। গোটা নগরজুড়ে দখলের এক ভয়াবহ চিত্র।</p>
<p>২০২৪-এর তথ্য বলছে, ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে গত এক যুগে (২০১৩-২০২৫) ঢাকা ওয়াসা ও দুই সিটি করপোরেশন প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় করেছে। এর মধ্যে ৪ বছরেই সিটি করপোরেশনগুলো খরচ করেছে প্রায় ৭৩০ কোটি টাকা। বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরেও সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে রাজধানীর জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন হয়নি। সিটি করপোরেশন তার এই মৌলিক কাজেও সফল হয়নি।</p>
<p>আবর্জনা অপসারণ ও সড়কের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনার অভাব আর এ খাতে রাজনীতির থাবা থেকে মুক্ত হতে পারেনি করপোরেশন। সেই সঙ্গে ময়লা পরিষ্কারের জন্য কর্তৃপক্ষ ৩০ টাকা মাসিক ভাতা নির্ধারণ করলেও প্রভাব খাটিয়ে নগরবাসীর থেকে ১২০ বা তার চেয়ে বেশি নেওয়া হলেও নির্বিকার কর্তৃপক্ষ। ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু, নবায়ন, নতুন হোল্ডিং নম্বর, হোল্ডিং ট্যাক্স, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এসব কাজেও নাগরিক ভোগান্তি চরমে। তবে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়, ট্রাক্স বাড়ানোর কাজে কোনো দুর্বলতা রয়েছে মনে করি না। জন্ম, মৃত্যু নিবন্ধনে ভুল হলে তা সংশোধন করতে গিয়ে যে পরিমাণ ভোগান্তি হয় এটা শুধু ভুক্তভোগীই বলতে পারেন।</p>
<p>সড়ক, বাজার, ফুটপাত নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। এসব বিষয়ে হাজারো প্রশ্ন তোলা অমূলক নয়। কবরস্থান ও শ্মশানঘাটেও পর্যাপ্ত সেবা নেই। সেখানে অতিরিক্ত ফি, জায়গাসংকট, ব্যবস্থাপনাসহ সার্বিক সেবা নিয়ে অভিযোগ বিস্তর। ঐতিহ্যবাহী স্থান সংরক্ষণ করার দায়িত্ব যদি সিটি করপোরেশনের হয় তাহলে চোখের সামনে ঢাকার রাজনীতির সূতিকাগার পল্টন ময়দান, মুক্তাঙ্গন নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল, কর্তৃপক্ষ কী করেছে? এর বাইরে নগরীর ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় সিটি করপোরেশন কী অবদান রাখতে পেরেছে?</p>
<p>পার্ক ও খোলা জায়গা রক্ষার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের হলেও ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে রক্ষক। পুরোনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ধূপখোলা মাঠে নির্মাণ করা হচ্ছে মার্কেট। শ্যামলী ও হারাকি ক্লাব মাঠে বসানো হয়েছে কাঁচাবাজার।</p>
<p>মিরপুরে হারুন মোল্লা ঈদগাহ আগে ছিল খেলার মাঠ, এখন সেটা দখল করে পাইকারি পণ্যের আড়ত হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। লালমাটিয়া বি ব্লকের নিউ কলোনি মাঠে অস্থায়ী দোকান বসানো হয়েছে। খিলগাঁও জোড়পুকুর ভরাট করে মাঠ করা হয়েছে। এরকম আরও অনেক মাঠ দখল এবং মাঠের করুণ মৃত্যুর গল্প আছে শহরজুড়ে। প্রধানমন্ত্রীর ‘অনুশাসন’ আছে যে, রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ডে দুটি করে মাঠ থাকতে হবে। কিন্তু কাগজেকলমেও ঢাকার ৪১টি ওয়ার্ডে কোনো মাঠ নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, শহরে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য ৯ বর্গমিটার খোলা জায়গা দরকার। কিন্তু ঢাকা শহরে আছে এক বর্গমিটারেরও কম। তাছাড়া দুই সিটির খেলার মাঠ ২৩৫, বেদখল ১৯৩টি। তাহলে রক্ষক কি দিবাঘুমে মগ্ন!</p>
<p>রিভার অ্যান্ড ডেলটা রিসার্চ সেন্টারের ২০২০ সালের জরিপ অনুযায়ী ঢাকায় খালের সংখ্যা ৭৩টি। এর মধ্যে ৩৭টিই দখলে। তাছাড়া ঢাকা ঘিরে থাকা বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদীর চোখের সামনে মৃত্যু হলো। খাল ও নদীরক্ষায় সিটি করপোরেশনের কি কোনো দায় নেই? যারা মানুষের সুরক্ষায় নিরাপদ উৎসগুলো রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছে, তারা কীভাবে এত মানুষের সেবার দায়িত্ব পালন করবে?</p>
<p>কাগজেকলমে সিটি করপোরেশনের জেনারেল হাসপাতাল, মাতৃসেবা কেন্দ্র থেকে হোমিও দাতব্য চিকিৎসাসেবা কার্যকর চালু আছে। কিন্তু কজন এসব সেবা পান? হোমিও দাতব্য সেবাকেন্দ্র কোথায়? এক হাজার নাগরিককে জিজ্ঞাসা করলে আমি নিশ্চিত, কেউ তা বলতে পারবেন না! তাহলে কেমন সেবা দেওয়া হচ্ছে? বিপুল অর্থ ব্যয়ে ব্যায়ামাগার, কমিউিনিটি সেন্টার নির্মাণ করলেও সেখান থেকে আয় কত? এর বাইরে বড় প্রশ্ন হলো কমিউনিটি সেন্টার থেকে কি করপোরেশন আয় চায়? আয়ের চেয়ে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত প্রয়োজনে এসির বাতাস খাওয়ার জন্যই অনেক সময় এসব সেন্টার কাজ করা হয়েছে।</p>
<p>অন্যান্য সেবা প্রতিষ্ঠানকে টাকার বিনিময়ে রাস্তা খননের অনুমতি দিলেও কাজ শেষে দিনের পর দিন সড়ক মেরামতের কোনো খবর থাকে না। বৈদ্যুতিক লাইট স্থাপন সিটি করপোরেশনের বড় কাজ হলেও নগরীর অলিগলি থেকে শুরু করে সবখানেই এই সেবার মান নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন। শহরে পার্কিং সুবিধা নেই, সড়কে গাড়ি পার্কিংয়ের ইজারা দিয়ে টাকা কামাচ্ছে সিটি করপোরেশন। অথচ রাস্তার পাশে বাণিজ্যিক ভবন হলো পার্কিং ছাড়া। রাস্তার পাশে গাড়ি রাখলেই জারিমানার মুখে পড়তে হচ্ছে! এটা কেমন নগর শাসন?</p>
<p>নাগরিক খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। যেখানে সেখানে খোলা খাবার তৈরি ও বিক্রি হচ্ছে। ফুটপাতে মলমূত্র ত্যাগ হচ্ছে। ধুলা আর শব্দদূষণে বিষাক্ত নগর। ২৫ ভাগ সড়কের প্রয়োজন হলেও আছে আট ভাগ। ব্যবহার করা যাচ্ছে পাঁচ ভাগ। নিয়ম অনুযায়ী সড়ক সংস্কারের সময় ভাঙা অংশ তুলে ফেলার কথা। কিন্তু ভাঙা অংশের ওপরে আবারও ঢালাই করতে করতে শহরের অনেক বাড়ি গর্তে পরিণত হয়েছে। কে শুনবে অসহায় এসব বাড়ির মালিকদের কষ্টের গল্প?</p>
<p>একটি শহর এলাকায় ২০-২৫ শতাংশ সবুজ এলাকা এবং ১০-১৫ শতাংশ জলাশয় থাকা উচিত; যা শহরের প্রাকৃতিক ভারসাম্যের সঙ্গে সঙ্গে পানি নিষ্কাশন এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণে সহায়তা করে। এর কোনোকিছুই নেই। প্রকট সমস্যা হলো নিরাপত্তার অভাব। শহরজুড়ে গিজগিজ করছে অপরাধী চক্র। নগর যেন হয়ে উঠেছে অপরাধীদের উর্বর ভূমি। সাংস্কৃতিক বিকাশ কেন্দ্র নেই। বস্তিতে ঠাসা শহর। নিরসন করা যায়নি তারের জঞ্জাল। দখলের কারণে রাস্তা ও ফুটপাত ধরে হাঁটার সুযোগ নেই। অনুমোদন ছাড়াই হচ্ছে ভবন। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে শঙ্কিত করে তুলছে নাগরিক নিরাপত্তাকে। সেই সঙ্গে নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে সমন্বয়ের অভাব।</p>
<p>ভাবা যায় গোটা রাজধানীতে নামেমাত্র এসি বাস সেবা আছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভাড়া কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি। বাস ভাড়ার ক্ষেত্রে অরাজকতা চলছেই। চালকের অবস্থা, বাসের বডি ও ভিতরের নাজুক চিত্র দেখলে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসবে না। বিশ্বের মধ্যে অন্যতম এই শহরের যে কোনো প্রান্তে বাস থামিয়ে ওঠানামা করা যায়! উধাও হয়ে গেছে নগরে ট্যাক্সিসেবা। তাহলে মধ্যবিত্ত কীভাবে যাতায়াত করবে? অনুমোদনহীন যানবাহনে ছেয়ে গেছে গোটা শহর। ২৩ লাখ ৪২ হাজার যানবাহন এই শহরে এখন অনুমতি নিয়ে চলছে। এর মধ্যে গণপরিবহন কত? কেউ জানে না। এই হিসাবের বাইরে আরও কত লাখ যানবাহন চলছে, এই হিসাব কারও কাছে নেই। অথচ বিআরটিএ রেজিস্ট্রেশন থামাচ্ছে না। নাগরিক সেবায় গণপরিবহন জরুরি এই উপলব্ধি বা যন্ত্রণা নগরপিতার কাজ করে বলে মনে হয় না। নগরকে অনিরাপদ করে তুলছে মশা। হারাম করে দিচ্ছে সবার ঘুম। টিকাসংকট আর মশার উৎপাত নাগরিকদের মহাসংকটের মুখে ফেলেছে।</p>
<p>মানুষের নিঃশ্বাস ফেলার কোনো জায়গা নেই। পোলট্রি মুরগির মতো বড় হচ্ছে এই শহরের শিশুরা। তাদের ভবিষ্যৎ কী? পথে কেউ আইন মানছে না। যে যার মতো করে চলছে। এভাবেই চলতে থাকবে সবকিছু? এসবের কোনো প্রতিকার নেই?<br />
সিটি করপোরেশনের কাছে চাওয়া কী?</p>
<p>উন্নত নগর সেবায় পরিকল্পিত আবাসন, নিরবচ্ছিন্ন পানি ও বিদ্যুৎ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, যানজটমুক্ত যোগাযোগ এবং ডিজিটাল সেবার (যেমন জন্মনিবন্ধন, ভূমি সেবা) সহজলভা থাকা অপরিহার্য। এ ছাড়া নিরাপদ পরিবেশ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং জনসাধারণের অংশগ্রহণে নাগরিক কেন্দ্রিক সুবিধা নিশ্চিত করা একটি উন্নত শহরের প্রধান লক্ষ্য। এর সঙ্গে যোগ করা যায় সাংস্কৃতিক বিকাশ। এর সবকিছুতেই আমরা পিছিয়ে। মধ্যরাতে কারও বিপদ হলে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পর্যন্ত মিলছে না। উৎসব পালনে বাড়ি গেলে বাসাবাড়ি নিরাপদ থাকছে না। রোগী পরিবহনে সেবায় অ্যাম্বুলেন্স ডাকলে অনেক টাকা ব্যয় করতে হয়। এটি ফ্রি হওয়া উচিত। এসব বিষয়ে এখন জরুরি ভাবনা ভাবতে হবে। নাগরিক সেবাকে প্রাধান্য দিয়ে ঢেলে সাজাতে হবে গোটা নগরকে। নাগরিক সেবায় যেসব দেশ এগিয়ে তাদের ফলো করতে হবে। আশা করি নগরপিতার ঘুম ভাঙবে। সেবা না বাড়িয়ে বাণিজ্যে সিটি করপোরেশন! এই বদনাম থেকে বেরিয়ে আসবে। নগরপিতার দিবাঘুম ভাঙলে নিরাপদ থাকবে নগরবাসী। একটি কথা মনে রাখতে হবে, নগর অসুখী হলে নগরবাসী সুখী হতে পারে না।</p>
<p>রাজন ভট্টাচার্য, সাংবাদিক ও কলামিস্ট</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>*পরিকল্পিত বসুন্ধরাকে বিশৃঙ্খল নগরে পরিণত করার শঙ্কা*</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 09 May 2026 11:49:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88537</guid>

					<description><![CDATA[বিশেষ প্রতিনিধি : কোলাহল, বিশৃঙ্খলা, মাদক-সন্ত্রাসী এবং অপরাধীদের থাবামুক্ত বিশেষায়িত একটি নগরীর নাম বসুন্ধরা। এটি রাজধানী ঢাকার নিরাপদ এবং অভিজাত আদর্শ আবাসিক এলাকা। এর শৈল্পিক কাঠামো ও অবয়ব মিথের মতো মনে হবে! শিল্পীর তুলিতে আঁকা এর নান্দনিক ছবি যেন নৈসর্গিক দৃশ্যের বাস্তব চিত্র। মনোমুগ্ধকর এই দৃশ্যপট কোনো জাদুমন্ত্রে গড়া নয়, বরং এখানকার দক্ষ, কঠোর ও [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বিশেষ প্রতিনিধি : কোলাহল, বিশৃঙ্খলা, মাদক-সন্ত্রাসী এবং অপরাধীদের থাবামুক্ত বিশেষায়িত একটি নগরীর নাম বসুন্ধরা। এটি রাজধানী ঢাকার নিরাপদ এবং অভিজাত আদর্শ আবাসিক এলাকা।<br />
এর শৈল্পিক কাঠামো ও অবয়ব মিথের মতো মনে হবে! শিল্পীর তুলিতে আঁকা এর নান্দনিক ছবি যেন নৈসর্গিক দৃশ্যের বাস্তব চিত্র। মনোমুগ্ধকর এই দৃশ্যপট কোনো জাদুমন্ত্রে গড়া নয়, বরং এখানকার দক্ষ, কঠোর ও আপসহীন ব্যবস্থাপনার কাঙ্ক্ষিত ফসল। আজকের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা আদর্শ নাগরিকদের শান্তির নীড়। রাজধানীর অন্য যেকোনো আবাসিক এলাকার নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির তুলনায় এ যেন একচিলতে প্রশান্তির আঙিনা।<br />
বছরের পর বছর ধরে বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজকের বসুন্ধরা। তাদের গড়ে তোলা সুন্দর গোছানো আবাসিক এলাকা নিয়ন্ত্রণের জন্য চলছে নানা অপতৎপরতা।<br />
তিলোত্তমার তিলকে গড়া অপরূপ এই স্পেশালাইড নগরীরকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এ নিয়ে নাগরিকরা শঙ্কিত।</p>
<p>বাস্তবতা হলো এই যে, রাজধানী ঢাকার দুই সিটির আওতায় যত আবাসিক এলাকা রয়েছে, সেগুলোর কোনোটাই পরিপূর্ণভাবে বসবাস উপযোগী করে রাখতে পারেনি সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ। নাগরিকদের নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত সমাজ উপহার দিতে পারেনি। সড়ক বাতি, ফুটপাত কিংবা ড্রেনেজ ব্যবস্থা সহ কোনো সেবাই সন্তোষজনক নয়। তারপরও নাগরিকদের কাছ থেকে মাসের পর মাস সেবামাশুল ঠিকই নেওয়া হচ্ছে।<br />
বসুন্ধরার কাছাকাছি বেশ কিছু আবাসিক এলাকা, বিশেষ করে বাড্ডা, ভাটারা, খিলক্ষেত, কালাচাঁদপুর, জগন্নাথপুর কিংবা নিকুঞ্জ—কোনো এলাকাই বসুন্ধরার মতো পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় চলছে না। ওই সব এলাকায় প্রতিনিয়ত খুন, সন্ত্রাস, ছিনতাই, রাহাজানি নিত্যদিনের ঘটনা।<br />
এসব এলাকার পায়ে পায়ে অপরাধ। সেখানকার দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার, ব্যানার আর স্লোগান সম্বলিত নানা সাইনবোর্ড-ফেস্টুন। যাতে সৌন্দর্যের নেই কোন বালাই। রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার তো বলতে গেলে কোনো মা-বাপই যেন নেই! প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী আর কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ। সেবা না পেয়েও ওই সব এলাকার নাগরিকরা কিন্তু ঠিকই সিটি করপোরেশনকে সেবামাশুল দিয়ে যাচ্ছেন।</p>
<p>রাজধানীর এত সব আবাসিক এলাকার নাগরিকসেবা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রায় তলানিতে। অথচ সিটি করপোরেশন এখন বসুন্ধরার মতো শান্তিপূর্ণ, সাজানো-গোছানো একটি আবাসিক এলাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বিশৃঙ্খল, অনিরাপদ ও নানা অপরাধের আরেকটি এভিনিউ বানানোর চেষ্টা করছে বলে বাসিন্দাদের মধ্যে সন্দেহ গড়ে উঠছে।</p>
<p>বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা কেন মানুষ পছন্দ করে? বসবাসের জন্য কেন সবাই এখানে ছুটে আসে? আমার কাছে মনে হয়, এটি রাজধানীর অন্য সব এলাকা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি সাধারণ কোনো আবাসিক এলাকা নয়, বরং এটি রাজধানীর ভেতরে আভিজাত্য আর আধুনিক জীবনাচারের একচিলতে অনিন্দ্য আভাসস্থল। সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি আর যেকোনো ধরনের অন্যায়-অবিচারমুক্ত সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ স্থান।</p>
<p>অথচ রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা কিভাবে এত পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠল? এর নেপথ্যের গল্পই বা কী? অপরিকল্পিত ঢাকার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ এবং দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত নগরায়ণের বাস্তবতায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা আজ এক ব্যতিক্রমী নগর-দর্শনের উত্কৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।<br />
রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায় অবকাঠামোগত বিশৃঙ্খলা, যানজট, জলাবদ্ধতা ও অপর্যাপ্ত নাগরিক সুবিধা নিত্যদিনের বাস্তবতা; সেখানে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা পরিকল্পিত উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো এবং সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের অনন্য কেন্দ্র হিসেবে বিশেষ স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখে গড়ে উঠছে।<br />
১৯৮৭ সালে বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের সুদূরপ্রসারী, সৃষ্টিশীল উদ্যোগে যে পরিকল্পিত নগরায়ণের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ প্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষের এই ঢাকা মেগাসিটির ভেতরে শান্ত, নিরাপদ ও আধুনিক আবাসন মডেল হিসেবে বাস্তব রূপ নিয়েছে।</p>
<p>বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অন্যতম প্রধান শক্তি হলো এর কঠোর নির্মাণ নীতিমালা এবং রাজউকের বিধি-বিধানের কার্যকর বাস্তবায়ন। ঢাকার বহু এলাকায় যেখানে একটি ভবন আরেকটির গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকে, আলো-বাতাসের চলাচল নেই, অনেকটা অন্ধকার প্রকোষ্ঠের মতো; সেখানে বসুন্ধরায় ভবনের চারপাশে নির্দিষ্ট পরিমাণ খোলা জায়গা রাখা বাধ্যতামূলক। ফলে প্রতিটি বাসায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ থাকে, যা শুধু বসবাসকে আরামদায়কই করে না, বরং স্বাস্থ্যকর নগরজীবন নিশ্চিতও করে। নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা একটি আবাসিক এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; বসুন্ধরা সেই বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়েই গড়ে উঠেছে। ফলে যে কেউ বসুন্ধরায় এসে কান পাতলেই এখানে নাম না জানা কত পাখির কিচিরমিচির শুনতে পাবে। সবুজ নিসর্গের প্রশান্তিময় ছোয়া পাবে। এখানকার প্রতিটি ব্লকে সন্ধ্যার পর থেকেই স্নিগ্ধ এক আবহ তৈরি হয়। চারপাশে ঝিঁঝি পোকার ডাক যে কাউকেই মোহিত করবে। বিরক্তিকর নাগরিকতার বিষাক্ত বাস্তবতার আড়ালে এ যেন মন ভরে শ্বাস নেওয়ার একান্ত নিজের জায়গা!</p>
<p>অবকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও এলাকাটি রাজধানীর অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় অনেক বেশি সুসংগঠিত। প্রচলিত পিচঢালা রাস্তার পরিবর্তে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই কংক্রিট ব্লক প্রযুক্তি, যা বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনে সহায়ক এবং জলাবদ্ধতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। ঢাকার বহু এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও বসুন্ধরার পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা সেই সমস্যা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। পাশাপাশি প্রশস্ত সড়ক, নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা, ফুটপাত এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নাগরিক জীবনকে আরো আরামদায়ক করে তুলেছে।</p>
<p>নাগরিক সুযোগ-সুবিধার বিচারে বসুন্ধরা আজ একটি প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ নগরে পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা অনেক বেশি সুশৃঙ্খল ও কার্যকর। এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর জন্যও পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও স্থান বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর ফলে বাসিন্দারা তুলনামূলক নিরাপদ ও নিশ্চিন্ত পরিবেশে জীবন যাপন করতে পারেন। রাজধানীর অনেক এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব, দখলদারি, চাঁদাবাজি, পেশিশক্তি কিংবা অবৈধ ব্যবসা নিয়ে যে অস্থিরতা, বসুন্ধরার নিয়ন্ত্রিত ও নিয়মতান্ত্রিক পরিবেশে তার উপস্থিতি বলতে গেলে নেই-ই।</p>
<p>এলাকার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর সামাজিক ও পরিবেশগত শৃঙ্খলা। এখানে হকার, ভাসমান বস্তি কিংবা অবৈধ স্থাপনা, দোকানপাট, টি-স্টল নেই বললেই চলে। ফলে শিশু-কিশোরদের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও তুলনামূলক নিরাপদ সামাজিক পরিবেশ গড়ে উঠেছে। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য প্রতি ব্লকে একাধিক সুপরিকল্পিত মসজিদ, ভিন্নমতাবলম্বীদের জন্য উপযুক্ত প্রার্থনালয় এখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমানভাবে বজায় রাখছে। অধিবাসীদের জন্য কমিউনিটি পার্ক, খেলার মাঠ বসবাসের পূর্ণতা দিয়েছে।</p>
<p>২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ও বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সচেতনতা একটি শক্তিশালী কমিউনিটির পরিচয় দিয়েছে। যখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল, তখন এখানকার বাসিন্দারা ঐক্যবদ্ধভাবে নিজেদের এলাকা নিরাপদ রাখতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার প্রকৃত শক্তি কেবল অবকাঠামোতে নয়, বরং তার বাসিন্দাদের সামাজিক সংহতি ও দায়িত্ববোধও এখানে অনন্য উদাহরণ হয়ে রয়েছে।</p>
<p>অর্থনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার বাসিন্দাদের মতে, সিটি করপোরেশনের লাল ফিতার দৌরাত্ম্য, উচ্চ হোল্ডিং ট্যাক্স কিংবা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিজস্ব ওয়েলফেয়ার সোসাইটির মাধ্যমে দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা বজায় রাখা অধিক ফলপ্রসূ ও সম্মানের। কারণ একটি পরিকল্পিত আবাসিক এলাকার সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা ধরে রাখতে নিয়মের কঠোর প্রয়োগ অপরিহার্য। একজন সাধারণ মানুষ, যিনি সারা জীবনের সঞ্চয় ব্যয় করে নিজের পরিবারের জন্য নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাস গড়ে তুলতে চান, তাঁর কাছে এই শৃঙ্খলাই সবচেয়ে বড় নিশ্চয়তা ও পুঁজি।</p>
<p>বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো—এখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় বহু শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও জীবনঘনিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের উপস্থিতি। এখানে রয়েছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন কয়েকটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়। আন্তর্জাতিকমানের স্কুল ও কলেজ। পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র, যা বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরো সহজ ও নিরাপদ করে তুলেছে।</p>
<p>বিনোদন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ক্ষেত্রেও বসুন্ধরা অনন্য। এখানে রয়েছে আধুনিক শপিং মল, আন্তর্জাতিকমানের রেস্টুরেন্ট, কফি শপ এবং লাইফস্টাইল আউটলেট, যা শহুরে জীবনের প্রয়োজন ও রুচির সৌন্দর্যকে উপস্থাপন করে। এ ছাড়া দেশসেরা স্পোর্টস সিটি, গল্ফ কোর্স, বিশ্বব্র্যান্ডের জিম ফ্রেঞ্চাইজি এবং উন্মুক্ত সবুজ এলাকা নাগরিকদের জন্য শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের এক ব্যতিক্রমী ভারসাম্য তৈরি করেছে।</p>
<p>বসুন্ধরার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিশেষত্ব হলো এর পরিকল্পিত ও বহুস্তরীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা। হাজারো নিরাপত্তারক্ষীর নিয়ন্ত্রিত প্রবেশপথ, নিয়মিত টহল, হাজার হাজার সিসি ক্যামেরার চোখ এবং সার্বক্ষণিক স্থানীয় প্রশাসনিক নজরদারি সুরক্ষা বলয় তৈরি করেছে। এ কারণে বাসিন্দারা নিজেদের দৈনন্দিন জীবনকে তুলনামূলক নিশ্চিন্ত, ভাবনাহীন ও সহজ ভাবছেন।</p>
<p>এখানকার বাসিন্দাদের অনেকের সঙ্গে বিভিন্ন সময় কথা হয়েছে। তাঁরা এর বিদ্যমান স্বকীয়তার টেকসই রূপ চান। তাঁরা মনে করেন, এটিকে নিরাপদ ও অপরাধপ্রবণতার বলয়মুক্ত রাখতে হলে একে ডিএনসিসির নিয়ন্ত্রণমুক্ত রাখতে হবে। কারণ ডিএনসিসি এখনো ওই দক্ষতা ও আস্থা তৈরি করতে পারেনি, যা এর সার্বিক নিরাপত্তা, আভিজাত্য বজায় রাখতে পারবে। কারণ ডিএনসিসি তার আওতাধীন বিদ্যমান এলাকার সব নাগরিকসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে—এটা সবাই জানে। বসুন্ধরাকে সিটির আওতায় নেওয়া হলে এখানের মানুষ আরো অনিরাপদ ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ একটি নাগরিকতায় প্রবেশ করবে। হাতে ধরে একটি গোছানো আবাসিক এলাকাকে বিনষ্ট করার বিষয়টি এখানের অধিবাসীরা কোনোভাবেই মানবেন না।</p>
<p>বসুন্ধরার অধিবাসীরা আরো জানান, সত্যিকার অর্থে তাঁরা শুধু একটি ফ্ল্যাট বা প্লট কেনেন না; বরং তাঁরা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় আস্থা রাখেন, আত্মমর্যাদার সুরক্ষা দেন। এ কারণেই রাজধানীর অনেক এলাকার তুলনায় তুলনামূলক বেশি মূল্যে হলেও মানুষ বসুন্ধরায় বসবাসের স্বপ্ন দেখেন। পরিকল্পিত নগরায়ণের অনন্য এ আবাসিক এলাকাটি বহু বছরের প্রচেষ্টায় যেভাবে গড়ে উঠেছে, তা এক লকমায় বিনষ্ট হলে, এর গৌরব ও সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা অনেক কঠিন হবে। তাই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নান্দনিকতা, পরিবেশগত ভারসাম্য, আধুনিকতা ও সুশৃঙ্খল চরিত্র অক্ষুণ্ন রাখা কেবল এর ওয়েলফেয়ার সোসাইটি বা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব নয়, বরং এর স্বকীয় রূপ, আভিজাত্য ও মর্যাদার সুরক্ষা দেওয়া এখন প্রতিটি বাসিন্দার সম্মিলিত দায়িত্ব ও কর্তব্য হওয়া উচিত।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাত ১১টা পর্যন্ত চলতে পারে মেট্রোরেল, কমছে ট্রেনের ব্যবধান</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 07 May 2026 01:05:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[রাজধানী]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=88476</guid>

					<description><![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক  : রাজধানীর যানজট কমাতে ও যাত্রীসেবা আরও বাড়াতে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাতে মেট্রোরেলের চলাচল আরও ৪০ থেকে ৫০ মিনিট বাড়তে পারে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নিরীক্ষা ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক  : রাজধানীর যানজট কমাতে ও যাত্রীসেবা আরও বাড়াতে মেট্রোরেলের চলাচলের সময় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাতে মেট্রোরেলের চলাচল আরও ৪০ থেকে ৫০ মিনিট বাড়তে পারে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নিরীক্ষা ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।<br />
ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মে মাসের শেষদিকে অথবা ঈদুল আজহার পর নতুন সময়সূচি কার্যকর হতে পারে।<br />
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, মতিঝিল থেকে উত্তরাগামী শেষ ট্রেন রাত ১১টা পর্যন্ত চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বর্তমানে এই রুটে শেষ ট্রেন ছেড়ে যায় রাত ১০টা ১০ মিনিটে। একইভাবে উত্তরা থেকে মতিঝিলগামী শেষ ট্রেনও রাত ১০টা ১০ মিনিটে ছাড়ার চিন্তা করা হচ্ছে, যেখানে এখন শেষ ট্রেন ছাড়ে রাত সাড়ে ৯টায়।<br />
এছাড়া ব্যস্ত সময়ে ট্রেনের ফ্রিকোয়েন্সিও বাড়ানো হচ্ছে। বর্তমানে পাঁচ মিনিট পরপর ট্রেন চলাচল করলেও তা কমিয়ে সাড়ে চার মিনিট করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে যাত্রীদের অপেক্ষার সময় কমবে এবং সেবার গতি বাড়বে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।<br />
বর্তমানে উত্তরা-মতিঝিল রুটে মোট ২৪ সেট ট্রেন রয়েছে, প্রতিটিতে ছয়টি করে কোচ। পিক আওয়ারে ১২ সেট ট্রেন চলাচল করে। নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ট্রেনের সংখ্যা বাড়িয়ে ১৪ সেট করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।<br />
ডিএমটিসিএল সূত্র জানিয়েছে, প্রযুক্তিগতভাবে সাড়ে তিন মিনিট পরপর ট্রেন চালানোর সক্ষমতা রয়েছে। তবে জনবল সংকটের কারণে ধাপে ধাপে সময় ও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে।<br />
বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে প্রায় সোয়া চার লাখ যাত্রী মেট্রোরেলে যাতায়াত করছেন। কমলাপুর পর্যন্ত সম্প্রসারণ কাজ শেষ হলে এই সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ ৭৭ হাজারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।<br />
ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “রাতে দুই দিক থেকেই চলাচলের সময় বাড়ানোর বিষয়ে পরীক্ষা চলছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়।”<br />
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকায় মেট্রোরেল চালু হয়। প্রথমে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলাচল শুরু হলেও পরে ধাপে ধাপে সম্প্রসারণ করে ২০২৩ সালের শেষ দিনে মতিঝিল পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ যাত্রীসেবা চালু করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%a7%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
