<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সাহিত্য &#8211; bongonewsbd24.com</title>
	<atom:link href="https://bongonewsbd24.com/category/%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bongonewsbd24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Mon, 25 May 2026 08:45:15 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>
	<item>
		<title>বিদ্রোহের অগ্নিশিখা ও মানবতার কবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম : জীবন, সাহিত্য ও আদর্শ।</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 25 May 2026 08:45:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=89015</guid>

					<description><![CDATA[মোঃ সবুর শেখ, সাংবাদিক ও লেখক : বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে যে ক’জন মহামানব যুগের সীমানা অতিক্রম করে আজও মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অন্যতম। তিনি ছিলেন কেবল একজন কবি নন; তিনি ছিলেন বিদ্রোহের প্রতীক, মানবতার কণ্ঠস্বর, সাম্যের দূত এবং প্রেম ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মোঃ সবুর শেখ, সাংবাদিক ও লেখক : বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাসে যে ক’জন মহামানব যুগের সীমানা অতিক্রম করে আজও মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন, তাঁদের মধ্যে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অন্যতম। তিনি ছিলেন কেবল একজন কবি নন; তিনি ছিলেন বিদ্রোহের প্রতীক, মানবতার কণ্ঠস্বর, সাম্যের দূত এবং প্রেম ও ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তাঁর কলমে যেমন অন্যায়ের বিরুদ্ধে বজ্রনিনাদ উচ্চারিত হয়েছে, তেমনি মানুষের প্রতি ভালোবাসা, শান্তি ও সৌন্দর্যের গানও ধ্বনিত হয়েছে গভীর মমতায়।<br />
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে, পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে। তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও খাদেম এবং মা জাহেদা খাতুন ছিলেন স্নেহময়ী গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই নজরুলের জীবন ছিল দারিদ্র্য ও সংগ্রামে ভরা। কিন্তু এই সংগ্রামই তাঁকে গড়ে তোলে অদম্য সাহসী এক মানুষ হিসেবে।<br />
শৈশবে তিনি মক্তবে পড়াশোনা করেন এবং অল্প বয়সেই ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। পিতার মৃত্যুর পর সংসারের দায়িত্ব কাঁধে এসে পড়ে তাঁর ওপর। জীবিকার তাগিদে কখনো মসজিদে মুয়াজ্জিন, কখনো রুটির দোকানের কর্মচারী, আবার কখনো লেটো গানের দলে কাজ করেছেন। এই বৈচিত্র্যময় জীবনের অভিজ্ঞতাই পরবর্তীতে তাঁর সাহিত্যকে করেছে আরও প্রাণবন্ত ও গভীর।<br />
নজরুল ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ—সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। তাঁর লেখা “বিদ্রোহী” কবিতা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে। এই কবিতায় তিনি অন্যায়, শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষের মুক্তির ডাক দিয়েছেন। তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে—<br />
“বল বীর—<br />
আমি চির উন্নত শির!”<br />
এই উচ্চারণ কেবল কবিতার পঙক্তি নয়; এটি ছিল পরাধীন মানুষের আত্মমর্যাদার জাগরণ।<br />
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে নজরুল সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা ধূমকেতু ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। এজন্য তাঁকে কারাবরণও করতে হয়। কারাগারে থেকেও তিনি মাথা নত করেননি। বরং লিখেছেন “রাজবন্দীর জবানবন্দী”—যেখানে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা ও সত্যের প্রতি তাঁর অবিচল অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।<br />
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও নজরুল ছিলেন অসাধারণ উদারচেতা। তিনি ইসলাম ধর্মের চেতনায় যেমন অনুপ্রাণিত ছিলেন, তেমনি হিন্দু ধর্মের সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতাকেও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করেছেন। তাঁর রচিত ইসলামী গান যেমন মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে, তেমনি শ্যামাসঙ্গীত ও ভক্তিগীতিও সমান জনপ্রিয় হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করতেন—ধর্ম মানুষের মধ্যে বিভেদ নয়, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির সেতুবন্ধন তৈরি করবে।<br />
নজরুলের রচনায় মানবতার জয়গান বারবার ধ্বনিত হয়েছে। তিনি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের স্বপ্ন দেখতেন। তাঁর বিখ্যাত কবিতা “সাম্যবাদী”-তে তিনি লিখেছেন—<br />
“গাহি সাম্যের গান—<br />
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান।”<br />
এই সাম্যের বাণী আজও পৃথিবীর নিপীড়িত মানুষের জন্য প্রেরণার উৎস।<br />
সংগীত জগতেও কাজী নজরুল ইসলামের অবদান অনন্য। তিনি প্রায় চার হাজারেরও বেশি গান রচনা করেছেন, যা “নজরুল সংগীত” নামে পরিচিত। প্রেম, বিরহ, দেশপ্রেম, আধ্যাত্মিকতা ও বিপ্লব—সব অনুভূতির অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে তাঁর গানে। তাঁর সৃষ্টিগুলো আজও বাঙালির সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।<br />
জীবনের শেষভাগে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে তিনি দীর্ঘদিন নির্বাক জীবন কাটান। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সপরিবারে বাংলাদেশে নিয়ে আসে এবং জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করে। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।<br />
আজ তাঁর জন্মজয়ন্তীতে আমরা গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি সেই মহান কবিকে, যিনি কলম দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন, গান দিয়ে মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা জাগিয়েছেন এবং ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে মানবতার কথা বলেছেন। কাজী নজরুল ইসলাম কেবল বাংলা সাহিত্যের কবি নন; তিনি বাঙালির চেতনার চিরন্তন দীপশিখা।<br />
তাঁর জীবন আমাদের শেখায়—সত্য ও ন্যায়ের পথে অটল থাকতে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে এবং মানুষকে ভালোবাসতে। বিদ্রোহ, প্রেম, সাম্য ও মানবতার এই মহান কবি যুগে যুগে বাঙালির হৃদয়ে অমর হয়ে থাকবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%ae%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কবি ,লেখিকা ও অনুবাদিকা- গায়ত্রী চক্রবর্তীর লেখা একটি কবিতা সত্যজিৎ রায় কে উৎসর্গ করে।</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Mar 2026 18:16:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=86759</guid>

					<description><![CDATA[কবিতার নাম&#8211;সুমহান চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। হে মহান চিত্রকর মাতৃভাষা বাংলার চলচ্চিত্রকার সারা বিশ্বে তুমি বাংলা ‌ ‌ অহংকার। তোমার পরশে হয়েছে ধন্য- বাংলার রূপ -আকার । তোমার চলচ্চিত্র করেছে পবিত্র, শিশু হতে বৃদ্ধের হৃদয় আধার- তুমি মহান চলচ্চিত্রকার। তোমার চিত্র ও চলচ্চিত্র ছড়িয়ে আছে দেশের সর্বত্র। স্বর্গ -মর্ত্য ,জীবন- মৃত্যু, সৃষ্টির নব নব আবিষ্কার। নব [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কবিতার নাম&#8211;সুমহান<br />
চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।</p>
<p>হে মহান চিত্রকর<br />
মাতৃভাষা বাংলার চলচ্চিত্রকার<br />
সারা বিশ্বে তুমি বাংলা<br />
‌ ‌ অহংকার।<br />
তোমার পরশে হয়েছে ধন্য-<br />
বাংলার রূপ -আকার ।<br />
তোমার চলচ্চিত্র করেছে পবিত্র,<br />
শিশু হতে বৃদ্ধের হৃদয় আধার-<br />
তুমি মহান চলচ্চিত্রকার।</p>
<p>তোমার চিত্র ও চলচ্চিত্র<br />
ছড়িয়ে আছে দেশের সর্বত্র।<br />
স্বর্গ -মর্ত্য ,জীবন- মৃত্যু,<br />
সৃষ্টির নব নব আবিষ্কার।<br />
নব সুরে &#8211; নব ছন্দে- নব ‌ কিশলয়ে,<br />
দিয়েছো ছড়িয়ে &#8211; নব আনন্দের নব বার্তা ,মানব জীবনের।<br />
সুপ্ত বাসনায়, ভরেছো চেতনা<br />
লেখনীর মাঝে পড়েছে যে পদচারনা ।<br />
তুমি মহাকালের &#8211; মহা শিল্প চেতনা।</p>
<p>মৃত্যুর পদধ্বনি শুনেও তুমি,<br />
জীবন শক্তিতে মিশিয়েছো জীবন তান ।<br />
‌ তাইতো তুমি সুমহান-</p>
<p>মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে ‌লড়তে,<br />
গ্রহণ করেছ অস্কার পুরস্কার।<br />
নির্ভীক এক আদর্শ অপরাজয়ী<br />
বাংলা সংস্কৃতি হতে এনেছ তুলে।<br />
মিলনের ভান্ডার।</p>
<p>মহান চিত্র চলচ্চিত্রকার-<br />
তোমায় জানায় প্রণাম বারংবার।</p>
<p>‌ গায়ত্রী চক্রবর্তী- শুধু কবি ও লেখিকা নয়, তিনি একজন অনুবাদিকা, তাহার বেশ কয়েকটি কবিতার বই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, পড়াশুনার মাঝে ও চাকরি জীবনেও কলমের খোঁচা থেমে থাকে নি, সময় পেলেই বসে যান কবিতা লিখতে, এমনকি বেশ কিছু লেখকের বাংলা ভাষার বইকে হিন্দিতে ও ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন, এখনো ৮০ বছর বয়সে, কবিতা লেখা ছাড়েননি। এমনকি তিনি বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের হাত থেকেও তিনি সম্মানিত হয়েছেন। চাকরি জীবন ও বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, তাহার কবিতা ও লেখা বেশ কয়েকটি পাবলিশার্স প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন মঞ্চে তাহার বই প্রকাশ পেয়েছে।</p>
<p>রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%97%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অ্যাডর্ন পাবলিকেশনের উদ্যোগে আতা সরকারকে ঘিরে সাহিত্য-ইতিহাসের গভীর আলোচনা</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 20 Jan 2026 12:29:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=84326</guid>

					<description><![CDATA[এসব এম শাহ্ জালাল সাইফুল : অ্যাডর্ন পাবলিকেশনের উদ্যোগে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, সোমবার বিকেলে বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ লেখক কর্নার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী সাহিত্য আলোচনা অনুষ্ঠান। “বাংলার ইতিহাসের আলোয় কথাসাহিত্যে আতা সরকার: তিতুর লেঠেল, আপন লড়াই, পুষ্পকুন্তলা তুমি, সাহসী মানুষের গল্প” শীর্ষক এ আয়োজনে সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যে ইতিহাসচেতনতার নানা দিক গভীরভাবে আলোচিত হয়। [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এসব এম শাহ্ জালাল সাইফুল : অ্যাডর্ন পাবলিকেশনের উদ্যোগে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, সোমবার বিকেলে বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ লেখক কর্নার সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী সাহিত্য আলোচনা অনুষ্ঠান।<br />
“বাংলার ইতিহাসের আলোয় কথাসাহিত্যে আতা সরকার: তিতুর লেঠেল, আপন লড়াই, পুষ্পকুন্তলা তুমি, সাহসী মানুষের গল্প” শীর্ষক এ আয়োজনে সমকালীন বাংলা কথাসাহিত্যে ইতিহাসচেতনতার নানা দিক গভীরভাবে আলোচিত হয়।<br />
বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক–এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নেন ইতিহাস গবেষক, প্রবন্ধকার ও ব্যাংকার মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, শিক্ষাবিদ প্রফেসর আশরাফ আল দীন ও প্রফেসর আহসান সাঈদ, গবেষক শাহ সিদ্দিক, প্রবন্ধকার ও সাংবাদিক হাসান শরীফ, কথাসাহিত্যিক মণি হায়দার, প্রবন্ধকার বিলু কবির, সাংবাদিক-কবি বজলুর রায়হান, প্রবন্ধকার করিম রেজা, কবি জাকির আবু জাফর, কবি জুনান নাশিত, প্রবন্ধকার অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীমউদ্দীন এবং আলোচনার কেন্দ্রে থাকা কথাসাহিত্যিক আতা সরকার।<br />
আলোচকরা আতা সরকারের কথাসাহিত্যে বাংলার ইতিহাস, সমাজবাস্তবতা ও সংগ্রামী মানুষের জীবনচিত্র কীভাবে শিল্পসম্মত রূপ পেয়েছে, তা বিশ্লেষণ করেন। বক্তারা বলেন, ইতিহাসকে কেবল তথ্য হিসেবে নয়, মানবিক বোধ ও সাহসী মানুষের গল্পে রূপান্তর করার দক্ষতাই আতা সরকারের কথাসাহিত্যের প্রধান শক্তি।<br />
অনুষ্ঠানের শুরুতে কবি আল মাহমুদের ‘আমার মাথা’ শীর্ষক কবিতা পাঠের মাধ্যমে স্বাগত সম্ভাষণ জানান অ্যাডর্ন পাবলিকেশনের স্বত্বাধিকারী সৈয়দ জাকির হোসাইন। তাঁর বক্তব্যে প্রকাশনা জগতে গুণগত সাহিত্যচর্চা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকারও উচ্চারিত হয়।<br />
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত দর্শকদের মাঝে লটারির মাধ্যমে আতা সরকারের বইসহ অ্যাডর্ন পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত পাঁচ সেট বই উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়। প্রাণবন্ত আলোচনা ও সাহিত্যিক আবহে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য হয়ে ওঠে এক স্মরণীয় বিকেল।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89%e0%a6%a6%e0%a7%8d/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জেগে ওঠো জাতি—ন্যায় তোমার হাতে আগুন হয়ে অপেক্ষা করছে</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/82459-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/82459-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 10 Dec 2025 08:34:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=82459</guid>

					<description><![CDATA[সংবাদ প্রতিবেদক: কাজল, দেশজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়–অবিচারের ঘনঘটা যে অন্ধকার তৈরি করেছে, তার ভিতরেই নিঃশব্দে জমা হচ্ছে এক অদৃশ্য শক্তি—মানুষের বুকের গভীরে চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণা, ক্ষোভ, ক্ষত আর অপমানের দীর্ঘ ইতিহাস। ব্যক্তিগত কষ্ট, সামাজিক অসঙ্গতি কিংবা রাষ্ট্রীয় অবিচার—সবকিছু মিলেই গড়ে উঠছে এমন এক অগ্নিশক্তি, যা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু মুহূর্তের সঠিক সময়ে আগুনের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>সংবাদ প্রতিবেদক: কাজল, দেশজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়–অবিচারের ঘনঘটা যে অন্ধকার তৈরি করেছে, তার ভিতরেই নিঃশব্দে জমা হচ্ছে এক অদৃশ্য শক্তি—মানুষের বুকের গভীরে চাপা পড়ে থাকা যন্ত্রণা, ক্ষোভ, ক্ষত আর অপমানের দীর্ঘ ইতিহাস। ব্যক্তিগত কষ্ট, সামাজিক অসঙ্গতি কিংবা রাষ্ট্রীয় অবিচার—সবকিছু মিলেই গড়ে উঠছে এমন এক অগ্নিশক্তি, যা চোখে দেখা যায় না, কিন্তু মুহূর্তের সঠিক সময়ে আগুনের মতো বিস্ফোরিত হওয়ার ক্ষমতা রাখে।</p>
<p>নিঃশব্দ শক্তিই ইতিহাস বদলায়</p>
<p>মানুষ প্রথমে তাকিয়ে দেখে, তারপর বোঝে, পরে সহ্য করে—কিন্তু কোনো দিন অযৌক্তিক অন্যায়কে স্থায়ীভাবে মেনে নেয় না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—</p>
<p>১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,</p>
<p>১৯৬৯-এর গণ–অভ্যুত্থান,</p>
<p>৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ,</p>
<p>কিংবা সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণদাবি—</p>
<p>সবকটির শুরু হয়েছিল সাধারণ মানুষের সেই শক্তিকে কেন্দ্র করে, যা প্রথমে নিঃশব্দে জমেছিল, পরে সময়ের দাবি মেনে আগুন হয়ে উঠেছিল।</p>
<p>আজকের বাংলাদেশেও একই শক্তি আবার মাথা তুলছে—চাপা ক্ষোভের পরিবর্তে সুসংগঠিত ন্যায়বোধের শক্তি। নাগরিকদের মনে প্রশ্ন, বিচারহীনতা, বৈষম্য, অন্যায় আচরণ, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ভয়ের পরিবেশ কতদিন সহ্য করা যায়?</p>
<p>চুপ থাকা মানেই পরাজয় নয়</p>
<p>অন্যায়কারীরা প্রায়ই ভাবে, মানুষ নীরব মানেই দুর্বল। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন—<br />
চুপ থাকা মানে শক্তি সঞ্চয়।<br />
চুপ থাকা মানে শত্রু পর্যবেক্ষণ।<br />
চুপ থাকা মানে সঠিক মুহূর্তের জন্য প্রস্তুতি।</p>
<p>যে ব্যক্তি বা যে জাতি সত্য–ন্যায় রক্ষার জন্য অপেক্ষা করে, সে কখনো আপোষ করে না। বরং তার ভেতরে প্রতিরোধের আগুন ধীরে ধীরে প্রজ্বলিত হয়—এমন আগুন, যার বিস্ফোরণ অন্যায়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে পারে।</p>
<p>জাতির বুকের ভেতরের আগুন এখন নতুন রূপ নিচ্ছে</p>
<p>সমাজবিজ্ঞানীরা উল্লেখ করছেন—দীর্ঘমেয়াদি অবিচার যখন চরমে পৌঁছায়, তখন সাধারণ মানুষ থেকেই তৈরি হয় সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরোধ। বিশ্লেষকদের মতে—</p>
<p>ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন,</p>
<p>প্রশাসনিক জবাবদিহি দাবি,</p>
<p>রাজনৈতিক সংস্কারের চাপ,</p>
<p>মানবাধিকারের প্রশ্ন—</p>
<p>এসবই এখন ধীরে ধীরে জনমনে নতুন শক্তি তৈরি করছে।</p>
<p>এ শক্তি কোনো তাৎক্ষণিক ক্ষোভ নয়—এটি জমে থাকা পরিকল্পিত ন্যায়চেতনার প্রকাশ। যখন এই শক্তি পূর্ণতা পায়, তখন পরিবর্তনকে আর কেউ থামাতে পারে না।</p>
<p>অন্যায়ের বিরুদ্ধে আগুনের মতো বিস্ফোরণ আসে বহু দিনের যন্ত্রণার ফল</p>
<p>অবমূল্যায়ন, অপমান, মানুষের অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া, নিরাপত্তাহীনতা, স্বজন হারানো, বিচারহীনতা—এই সবকিছুই মানুষের বুকের ভিতরে আগুন হয়ে জমা থাকে।<br />
আজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে ন্যায়ের জন্য নতুন জাগরণ দেখা যাচ্ছে—এটি কোনো আকস্মিক প্রতিক্রিয়া নয়; এটি বহু দিনের লাঞ্ছনা, অবহেলা এবং প্রত্যাশাভঙ্গের প্রতিফলন।</p>
<p>ধৈর্য হোক ঢাল, ন্যায় হোক অস্ত্র</p>
<p>জাতি আজ একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে—যেখানে সমগ্র জাতির সম্মিলিত ধৈর্য, সচেতনতা এবং সত্যের প্রতি দায়িত্ববোধই হতে পারে বড় পরিবর্তনের চালিকাশক্তি।<br />
ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করতে গেলে শব্দের প্রয়োজন কম; প্রয়োজন দৃঢ় সংকল্পের, নীরব শক্তির, এবং সত্যের পক্ষে অটল অবস্থানের।</p>
<p>শেষ কথা</p>
<p>আজ আমি জাতিকে আহ্বান জানাই—<br />
যে গোপন আগুন আপনার ভেতরে জ্বলছে, তাকে অবমূল্যায়ন করবেন না।<br />
কারণ সেই আগুনই একদিন ন্যায়কে প্রতিষ্ঠার জন্য রূপ নেবে অগ্নিশক্তিতে,<br />
আর সেই অগ্নিশক্তিই বদলে দেবে এই দেশ, সমাজ এবং ভবিষ্যতের পথচলা।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/82459-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বেগম খালেদা জিয়ার পাশে ফাতেমা : রক্তের সম্পর্ক নয়, তবুও ইতিহাসের অংশ এক অনন্য বন্ধন</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%ae-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%ae-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 03 Dec 2025 08:50:21 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=82171</guid>

					<description><![CDATA[বঙ্গ নিউজ বিডি প্রতিনিধি : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম ও ব্যক্তিজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি হয়ে রয়ে গেছে তার দীর্ঘদিনের সহচর ফাতেমার নাম। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও বেগম জিয়ার প্রতি তার ভালোবাসা, সেবা এবং অবিচল নিষ্ঠা আজ রাজনৈতিক ও মানবিক ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠেছে। কারাগারের কঠিন দিনগুলোতে যে মানুষটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বঙ্গ নিউজ বিডি প্রতিনিধি : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন, সংগ্রাম ও ব্যক্তিজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি হয়ে রয়ে গেছে তার দীর্ঘদিনের সহচর ফাতেমার নাম। রক্তের সম্পর্ক না থাকলেও বেগম জিয়ার প্রতি তার ভালোবাসা, সেবা এবং অবিচল নিষ্ঠা আজ রাজনৈতিক ও মানবিক ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠেছে।</p>
<p>কারাগারের কঠিন দিনগুলোতে যে মানুষটি ছায়ার মতো বেগম জিয়ার সঙ্গে ছিলেন, তিনি হলেন ফাতেমা। আদালতে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন—<br />
“আমি ম্যাডামের সঙ্গে জেলে যেতে চাই। আমি ছাড়া ওনার সেবা করার মতো কেউ নেই।”</p>
<p>তার এই বক্তব্য তখন দেশজুড়ে আলোচিত হয়। পরবর্তীতে বেগম জিয়ার সঙ্গে তিনি কাটিয়েছেন ৭৭৮ দিন কারাবাস। রক্তের সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও তার এই ত্যাগ, মমতা ও মানবিকতা রক্তের সম্পর্ককেও হার মানিয়েছে—এমনটাই বলছেন খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠজনেরা।</p>
<p>কারাগারে প্রবেশের পর ফাতেমার পরিবারের ওপর নানা চাপ, অপপ্রচার ও হয়রানি চলে; তবুও তিনি এক মুহূর্তের জন্যও বেগম জিয়ার পাশে থাকার সিদ্ধান্তে বিচলিত হননি। সবকিছু সহ্য করে, দৃঢ় মনোবলে তিনি পালন করেছেন তার দায়িত্ব। এই দৃঢ়তা ও ভালোবাসাই তাকে আজ বেগম জিয়ার জীবনের এক অনন্য সহযোদ্ধার আসনে নিয়েছে।</p>
<p>ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বেগম জিয়া ফাতেমাকে নিজের মেয়ের মতো স্নেহ করেন। আজও এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ম্যাডামের সর্বাত্মক সেবা-যত্ন করছেন ফাতেমাই। ওনার উপস্থিতি বেগম জিয়ার জন্য মানসিক শক্তি বলেও উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা।</p>
<p>রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই বলছেন—<br />
ভালোবাসা, আত্মত্যাগ ও মানবিকতার যে উদাহরণ ফাতেমা রেখে গেছেন, তা ভবিষ্যৎ ইতিহাসে বিশেষ স্থান পাবে।</p>
<p>বেগম জিয়ার সঙ্গে কাটানো ৭৭৮ দিনের কারাবাস শুধু রাজনৈতিক ইতিহাস নয়, মানবিকতারও এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%97%e0%a6%ae-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ab/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খালেদা জিয়া: উপমহাদেশের রাজনীতিতে এক মহাকাব্যের নারী</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 29 Nov 2025 04:43:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=81933</guid>

					<description><![CDATA[উপমহাদেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নাম যুগ পেরিয়ে আলো ছড়ায়। সেই আলোকিত নামগুলোর অন্যতম—সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, বরং বাংলাদেশের বহুপ্রতীক্ষিত গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক কেন্দ্রবিন্দু তিনি। তার দৃঢ়তা, নীরব শক্তি এবং আপোষহীন নেতৃত্ব দেশের রাজনীতিকে বহুবার নতুন পথ দেখিয়েছে। রাজনীতিতে তার পদার্পণ কখনোই কেবল আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ছিল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>উপমহাদেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নাম যুগ পেরিয়ে আলো ছড়ায়। সেই আলোকিত নামগুলোর অন্যতম—সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, বরং বাংলাদেশের বহুপ্রতীক্ষিত গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক কেন্দ্রবিন্দু তিনি। তার দৃঢ়তা, নীরব শক্তি এবং আপোষহীন নেতৃত্ব দেশের রাজনীতিকে বহুবার নতুন পথ দেখিয়েছে।</p>
<p>রাজনীতিতে তার পদার্পণ কখনোই কেবল আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ছিল না। ছিল ব্যক্তিগত শোক, রাষ্ট্রীয় সংকট, ষড়যন্ত্র আর প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে টানা যুদ্ধ। স্বামী রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর শোকের ভার নিয়ে রাজনীতির অগ্নিপথে প্রবেশ করেন তিনি। পরবর্তীতে জীবনের বার্ধক্যে থেকেও দূরত্বে অনুভব করেছেন প্রবাসী সন্তানের বেদনা; হারিয়েছেন আরেক সন্তানকেও।</p>
<p>দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাকে ঘিরে উঠেছিলো অপবাদ, ভুল ব্যাখ্যা ও কুৎসার বিস্তৃত ঝড়। দেশের ভিন্নমতাবলম্বী প্রজন্ম তাকে ঘৃণা করতে শেখানো হয়েছে বহু বছর। তবুও তিনি খুব কমই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার ভাষায় কথা বলেছেন। নীরবতাকেই বেছে নিয়েছেন তার শক্তি হিসেবে—এক নীরবতা যা প্রতিপক্ষকে বারবার বিস্মিত করেছে।</p>
<p>রাজনীতিতে তার সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল আপোষহীনতা—যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক শব্দভাণ্ডারেও নতুন অর্থ নিয়ে জায়গা করে নেয়। শুদ্ধতা, শালীনতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান ছিল তার রাজনৈতিক পরিচয়ের অন্যতম স্তম্ভ।</p>
<p>তার নেতৃত্বে বিএনপি যে শিখরে উঠে আসে, তা অনেক বিশ্লেষকের মতে দলের সামগ্রিক সামর্থ্যের চেয়েও বেশি ছিল। দলটির অভ্যন্তরে তার সমপর্যায়ের নেতৃত্ব গড়ে না ওঠা—এটিকেই অনেক পর্যবেক্ষক মনে করেন তার রাজনৈতিক যাত্রার গভীরতম ট্র্যাজেডি।</p>
<p>রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি সময় ও পরিস্থিতি ভিন্ন হতো, তবে তিনি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবেও দেশের ইতিহাসে আরেকটি অধ্যায় রচনা করতে পারতেন। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দৃঢ়তা নিয়ে আজও গবেষণা ও আলোচনার অবকাশ রয়েছে।</p>
<p>বর্তমানে শারীরিকভাবে তিনি অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছেন। তার স্বাস্থ্যের অবনতি নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। অনেকে আশঙ্কা করছেন—যদি বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্থান ঘটে, তবে সেটি হবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক যুগের অবসান।</p>
<p>তার জীবনের উত্থান-পতন, সংগ্রাম ও দৃঢ়তার পথচলা ভবিষ্যতের তরুণ প্রজন্মের কাছে রয়ে যাবে অনুপ্রেরণার এক নক্ষত্রখচিত পাঠ হিসেবে—যেখানে দেখা যাবে, এক নারী কীভাবে পুরো একটি জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শেখাতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%89%e0%a6%aa%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>রাজবাড়ীতে বিষাদ সিন্ধুর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 13 Nov 2025 16:08:13 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=81487</guid>

					<description><![CDATA[মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী :  বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত, মুসলিম সাহিত্য জাগরণের পথিকৃৎ এবং কালজয়ী উপন্যাস “বিষাদ সিন্ধু”–এর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ (১৩ নভেম্বর) বৃহষ্পতিবার রাজবাড়ীতে বর্ণাট্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে। রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে অবস্থিত মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে জন্মবার্ষকী উপলক্ষে সকাল থেকে দিনব্যাপী রয়েছে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা জেলা প্রতিনিধি রাজবাড়ী :  বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত, মুসলিম সাহিত্য জাগরণের পথিকৃৎ এবং কালজয়ী উপন্যাস “বিষাদ সিন্ধু”–এর রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেনের ১৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ (১৩ নভেম্বর) বৃহষ্পতিবার রাজবাড়ীতে বর্ণাট্য আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে।<br />
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের পদমদী গ্রামে অবস্থিত মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে জন্মবার্ষকী উপলক্ষে সকাল থেকে দিনব্যাপী রয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি। এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, বাংলা একাডেমি, মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্য পরিষদ, মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।<br />
১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার গৌরী নদীর তীরে লাহিনীপাড়ায় নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন মীর মশাররফ হোসেন। তাঁর পিতা ছিলেন সৈয়দ মীর মোয়াজ্জেম হোসেন এবং মাতা দৌলতুন্নেছা। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুসলিম কথাশিল্পী।<br />
তাঁর লেখাপড়ার জীবন শুরু হয় কুষ্টিয়ায়, পরে রাজবাড়ীর পদমদী এবং কৃষ্ণনগরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি ফরিদপুরের নবাব এস্টেটে চাকরি করেন এবং কিছু সময় কলকাতায়ও অবস্থান করেন।<br />
১৯১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির পদমদী গ্রামে পৈতৃক নিবাসে তিনি ইন্তেকাল করেন এবং সেখানেই সমাহিত হন। পরবর্তীতে তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে গড়ে তোলা হয় “মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র”।<br />
জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান জানান,&#8221;মীর মোশাররফ হোসেনের জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে, উপজেলা প্রশাসন ও বাংলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগে সাহিত্য সম্রাটের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। দিবসটি ঘিরে স্থানীয় সাহিত্য সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন ও সাহিত্য পাঠের আয়োজন করছে।<br />
অনুষ্ঠানের সূচিতে রয়েছে, সকাল ১০টায় সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু।বেলা ১১টায় স্মৃতি কমপ্লেক্সে আলোচনা সভা ও সেমিনার।<br />
সভায় সভাপতিত্ব করবেন, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার। প্রধান অতিথি, বাংলা একাডেমির সচিব (উপসচিব) ড. মো. সেলিম রেজা।বিশেষ অতিথি, বাংলা একাডেমির পরিচালক সমীর কুমার সরকার ও ড. সরকার আমিন প্রমুখ।স্বাগত বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান,প্রবন্ধ উপস্থাপনায়, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক ডিন ড. তুহিন ওয়াদুদ, এছাড়াও বিশেষ আলোচক হিসেবে, মীর মশাররফ হোসেন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. কামাল হোসেন খান, সহকারী অধ্যাপক মো. শাহজালাল, রাজবাড়ী জেলা মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদের সভাপতি সালাম তাসির এবং বালিয়াকান্দি মীর মশাররফ হোসেন সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মুন্সী আমীর আলীসহ অনেকে।&#8221;</p>
<p>সাহিত্যকর্মের অবদানে মীর মশাররফ হোসেন একাধারে ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও কবি।<br />
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে<br />
বিষাদ সিন্ধু, জমিদার দর্পণ (১৮৭৩), উদাসী পথিকের মনের কথা (১৮৯০), রত্নবতী, গাজী মিয়ার বস্তানী, বিবি কুলসুম (১৯১০) প্রভৃতি।আত্মজীবনীমূলক রচনায় রয়েছে আমার জীবনী,ধর্মীয় ও প্রবন্ধমূলক রচনায় ছোটদের মহানবী, মৌলুদ শরীফ, বিবি খোদেজার বিবাহ, সঙ্গীত লহরী ইত্যাদি।<br />
তিনি মোট ৩৭টি গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম মুসলিম সমাজে নবজাগরণের সঞ্চার ঘটায় এবং বাঙালি মুসলমান সমাজের সংস্কৃতি, বিশ্বাস ও আবেগকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।<br />
তাঁর স্মৃতি রক্ষার্থে ১৯৭৮ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে একটি আবাসিক হল নির্মিত হয়, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ছাত্রদের জন্য নির্মিত দ্বিতীয় বৃহত্তম আবাসিক হল হিসেবে পরিচিত।<br />
মীর মশাররফ হোসেন সাংবাদিক হিসেবেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি “সংবাদ প্রভাকর” ও “গ্রামবার্তা প্রকাশিকা” পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং নিজেই সম্পাদনা করতেন মুসলমান সম্পাদিত প্রথম সাহিত্য সাময়িক পত্রিকা “আজীজন নেহার”।<br />
সাহিত্য সম্রাট মীর মশাররফ হোসেনের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজবাড়ীর পদমদী আজ পরিণত হয়েছে সাহিত্যপ্রেমীদের মিলনমেলায়।<br />
তাঁর সাহিত্যচর্চা, মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজচেতনা আজও নবীন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।<br />
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির এই অমূল্য সম্পদ বাঙালি জাতির হৃদয়ে অনন্তকাল প্রজ্বলিত থাকবে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>খাগড়াছড়িতে জমজমাট সাহিত্য আড্ডা: শব্দে-ভাবনায় মুখরিত টাউন হল</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 01 Aug 2025 15:38:45 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=78051</guid>

					<description><![CDATA[আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়িতে অনুষ্ঠিত হলো এক প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা, যেখানে কবিতা, ভাবনা ও সংস্কৃতির অনুরণনে মুখরিত হয়ে উঠেছিল জেলা শহর। শুক্রবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় খাগড়াছি জেলা সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে পৌর টাউন হল কার্যালয়ে এ আয়োজন হয়। সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি প্রফেসর বোধিসত্ত্ব দেওয়ান। অতিথি ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের কবি হাফিজ রশিদ খান [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি : খাগড়াছড়িতে অনুষ্ঠিত হলো এক প্রাণবন্ত সাহিত্য আড্ডা, যেখানে কবিতা, ভাবনা ও সংস্কৃতির অনুরণনে মুখরিত হয়ে উঠেছিল জেলা শহর। শুক্রবার (১ আগস্ট) সন্ধ্যায় খাগড়াছি জেলা সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে পৌর টাউন হল কার্যালয়ে এ আয়োজন হয়।</p>
<p>সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সভাপতি প্রফেসর বোধিসত্ত্ব দেওয়ান। অতিথি ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের কবি হাফিজ রশিদ খান ও সাহিত্যিক সৈয়দ মঞ্জুর মোর্শেদ। সঞ্চালনায় ছিলেন গবেষণা সম্পাদক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।<br />
আড্ডায় কবিতা পাঠ, গল্প পাঠ ও মুক্ত আলোচনায় উঠে আসে পাহাড়, প্রকৃতি, ভাষা, আত্মপরিচয় ও সমাজ-রাজনীতির নানা অনুষঙ্গ। বক্তারা বলেন, “সাহিত্য আত্মার অন্বেষণ, যা সমাজকে আলোকিত করে।”</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা সাহিত্য পরিষদের সহ-সভাপতি ধর্মরাজ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আদনান, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেনসহ লেখক, কবি ও সংস্কৃতিকর্মীরা।</p>
<p>সাহিত্যিকরা মনে করেন, সাহিত্যচর্চার এ ধারা নতুন প্রজন্মের জন্য হয়ে উঠছে আলোর বাতিঘর। আয়োজনটি ছিল মননের জাগরণ ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের অনন্য অভিব্যক্তি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%9b%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9f-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সেবা পরম ধর্ম অহংকারে নয় ভালোবাসা দিয়ে করি মানবতার জয়&#8221;</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%b9%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%b9%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 01 Jul 2025 05:21:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=77066</guid>

					<description><![CDATA[আবু নাছির আহম্মেদ। ইসলামপুর জামালপুর। জনাব এ. এস. এম. আব্দুল হালিম কে নিয়ে লেখা একটি স্বচ্ছ ইমেজের উপাখ্যান অজপাড়াগাঁয়ের এক মায়ের কোল আলো করে তাঁর আগমন। কালো যে জ্যোত্যিময় হয় সেটা তাঁর ললাটে লেখা ছিল। বাবা মার তৃতীয় সন্তান (জন্মের পরে মৃত্যু হয় দ্বিতীয় ভাইটির) হয়ে জন্ম গ্রহন করেন, শৈশব কৈশোর কেটেছে দশ ভাই বোনের ভালাবাসায় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আবু নাছির আহম্মেদ। ইসলামপুর জামালপুর।</p>
<p>জনাব এ. এস. এম. আব্দুল হালিম<br />
কে নিয়ে লেখা<br />
একটি স্বচ্ছ ইমেজের উপাখ্যান</p>
<p>অজপাড়াগাঁয়ের এক মায়ের কোল আলো করে তাঁর আগমন। কালো যে জ্যোত্যিময় হয় সেটা তাঁর ললাটে লেখা ছিল। বাবা মার তৃতীয় সন্তান (জন্মের পরে মৃত্যু হয় দ্বিতীয় ভাইটির) হয়ে জন্ম গ্রহন করেন, শৈশব কৈশোর কেটেছে দশ ভাই বোনের ভালাবাসায় ভরা মায়া কাননে। আদর্শ স্কুল শিক্ষক বাবার আদর্শে, মাতার স্নেহে, আম, জাম, কাঁঠাল , নারিকেল, সুপারি বিথি ঘেরা কুলকুল ধ্বনিতে বহমান নদীর তীরবর্তী  নিভৃত এক গ্রামে বেড়ে উঠা, বড় হওয়া সবই ছিল ভাই বোনের অভাব অভিযোগ শোভিতো, কিন্তু কমতি ছিল না সততার, নিষ্ঠার। একটি সুস্থ চারা গাছ যেমন তার ভবিষ্যত রুপ রেখা বলে দেয় । ঠিক তার জীবনের বাঁক গুলো ছিল ভবিষ্যতের দর্পন ।  প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কর্মজীবন সব কিছুতেই ।</p>
<p>প্রাথমিক:- প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সময়  স্কুলের হেডমাস্টার তাকে বলেছিলেন সে একদিন ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট হবেন। তখন তিনি নিজেই বুঝতেন না ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট কি। নিজের পড়াটুকু আপন মনে শেষ করে সারাদিন আনমনা ভাবনায় কাটিয়ে দিতেন। খুবই শান্ত স্বভাবের ছিলেন ছোটবেলা থেকেই।</p>
<p>মাধ্যমিক:- নিভৃত এক অজপাড়াগাঁয়ে ছিল তাঁর বাস । বাড়ি থেকে স্কুল অনেক দূরে হওয়ায় গ্রামে  লজিং (স্কুলের কাছে এমন বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করা) থাকতেন। পড়াশোনার প্রতি তিনি অসম্ভব মনোযোগী ছিলেন। একদিন রাতে তিনি পড়তে বসেছিলেন । সামনে হারিকেন জ্বলছিল । পরের দিন সকালে তার সহপাঠীরা তাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য ডাকতে এসে  জানালা দিয়ে দেখতে পায় বাইরে ফুটফুটে সকালের আলো কিন্তু  তাঁর (হালিমের) সামনে তখনও হারিকেন জ্বলছে। এই ঘটনাটি প্রমাণ করে পড়ালেখার প্রতি তাঁর অসম্ভব মনোযোগ। ক্লাস এইট/নাইনে পড়ার সময় সে আরও একটা বাড়িতে লজিং থেকেছেন। তারা এতই দরিদ্র ছিলেন যে নিজেদের খাবারটাও জোগাড় করতে পারতেন না, সেই বাড়িতে সে একদিন সারাদিন তাদের সাথে না খেয়ে থেকেছেন। তাও বাড়িতে আসার কথা চিন্তা করেননি। শেষে ওই বাড়ির মালিক তাকে জোর করে বাড়ির দিকে পাঠিয়ে দেন । সে বাড়িতে আসার পথে রাস্তায় ক্ষুধার জ্বালায় মাথা ঘুরে পড়ে যায়। তাঁর ছাত্র জীবন ছিল অত্যন্ত সংগ্রামের। বর্ষা মৌসুমে কোমর পর্যন্ত পানিতে ভিজে বই মাথায় নিয়ে স্কুলে গিয়েছেন। তিনি রাত জেগে পড়াশোনা করতেন । বাবা তাঁর জন্য সারারাত বসে বসে ছোট্ট মাটির চুলায় চা বানিয়ে দিতেন, যাতে তিনি ঘুমিয়ে না পড়েন।স্কুল জীবন থেকেই তিনি বিভিন্ন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সুনামের সাথে অংশগ্রহণ করেছেন।</p>
<p>উচ্চ মাধ্যমিক:- উচ্চমাধ্যমিকের তারুণ্য জীবন তাকে অনেকভাবে আলোড়িত করেছে। তিনি কবিতা লেখা  এবং বিভিন্ন সেবামূলক কাজের সাথে নিজেকে আস্তে আস্তে জড়িয়ে ফেলতে শুরু করেন।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়:-বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এসে লেখাপড়ার প্রতি সে নিজেকে পুরোপুরি সমর্পণ করেন।  তিনি স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের একজন ছাত্র ছিলেন । সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে ভর্তি হওয়া ছিল খুব কঠিন। খুব বেছে বেছে ছাত্র ভর্তি করা হতো। ছোটবেলা থেকেই মনে লালন করা &#8220;সদা সত্য কথা বলিব/সৎ পথে চলব/মিথ্যা বলা মহাপাপ/সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি&#8221;, এই নীতিবাক্য গুলো মনে মনে আওড়াতেন এবং স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের নিয়ম কানুন তার মনকে আরো প্রভাবিত করত সেখানে সুশৃংখল জীবন যাপন তাঁকে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে চালনা করে । সেখানে গ্রামের মতো লুঙ্গি পরে ডাইনিংরুমে খাবার খেতে যাওয়া যেত না । প্যান্ট না থাকলে পায়জামা বা পাঞ্জাবি পড়ে যেতে হতো। বড়দের শ্রদ্ধা ভরে সালাম দেওয়ার রীতি ছিল।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয় পড়া শেষের দিকে ১৯৬৯-৭০ সালের দিকের কথা তখন দেশে গণঅভ্যুত্থান  চলছে। তিনি আন্দোলনে সব সময় যেতে না পারলেও মাঝে মাঝে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সে সময় তাঁর চাকরির বয়স (২০) না হওয়ায় তখনকার সময় ইপিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। উক্ত পরীক্ষায় সুনামের  সাথে উত্তীর্ণ হয়ে তিনি তখনকার সময় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট বা ডেপুটি কালেক্টর হিসাবে তাঁর প্রথম চাকরি জীবন শুরু করেন।</p>
<p>মুক্তিযোদ্ধ:-তার অদ্যাবধি তাড়িত কষ্ট মহান মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহন করতে না পারার কষ্ট। পরেক্ষনেই যখন চিন্তা করেন যে তার গ্রাম, পরিবার এবং তার গ্রামের বেশীরভাগ মুক্তিযোদ্ধে অংশগ্রহনকারী দের সংগঠিত করার কাজ টা করতে পেড়েছিলেন তখন তার কষ্টটা কিছুটা লাঘব হয়। শশরীরে অংশ গ্রহন না করে সে আপ্রাণ চেষ্ঠা করেছেন দেশের চরম দূরদিনে নিজেকে যুক্ত করার।</p>
<p>চাকরি  জীবনের শুরু:- ইপিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি বগুড়ায়  ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে  যোগদান করেন।  প্রশিক্ষণ চলাকালীন সময়ে দক্ষিণবঙ্গের  ভোলা , সন্দীপ , হাতিয়ায় প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় হয়। ঘূর্ণিঝড়ের চিত্র বাস্তবে প্রশিক্ষনার্থীদের অবলোকন করানোর জন্য তিন মাসের জন্য হাতিয়া, সন্দীপে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘূর্ণিঝড়ে বহু নারী-পুরুষ শিশুসহ বাড়ি ঘর গাছপালা পশুপাখির অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ৪৫ জন তরুণ অফিসারের একটি দল সেই ঘূর্ণিঝড়ের বাস্তব চিত্র দেখার জন্য হাতিয়ার দিকে রওনা দেন। সেখানে গিয়ে তাঁরা বিধ্বস্ত গ্রাম,ঘর বাড়িগুলো পরিদর্শন করেন।   তিনি প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং ১৫ দিন পরেও পানিতে ভাসমান মানুষের লাশ  এবং  গন্ধ বাতাসে ভাসছে। লাশের গন্ধ তার একটু খারাপ লাগতো। কিন্তু মানুষের সেবার মনোভাব যদি নিজের আত্মাকে ছুঁয়ে যেতে পারে আর তাকে পরিশুদ্ধ করতে পারে তাহলে সেই খারাপ লাগাটা ভালোবাসায় রূপ নেয়। ‌ সেদিন থেকেই মানবসেবার ব শুভ সূচনা হয় যা অদ্যাবধি চলছে। গ্রাম গঞ্জের মানুষের পাশে তিনি সব সময় থেকেছেন। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও তার দুয়ার ছিল সবার জন্য খোলা। সবাই তাঁকে সহজেই নিজেদের দুঃখ- কষ্টের কথা জানাতে পারতেন।</p>
<p>ব্যক্তি জীবন:-তিনি ব্যক্তি জীবনকে সময় দিয়েছেন খুবই কম। তার যোগ্য সহধর্মিনী সংসার, মেয়েদের সামলিয়েছেন। তিনি অফিসে কোনদিন দেরি করে যাওয়ার কথা তো ভাবতেই পারতেন না বরং পিয়নদের আগে অফিসে উপস্থিত থেকে নিজ হাতে চেয়ার-টেবিল পরিষ্কার করতেন যা পিয়নদের কিছুটা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিত। তার ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে চাকরির শেষ জীবন পর্যন্ত কোন অধীনস্থদের সাথে রূঢ় আচরণ তো দূরের কথা উচ্চস্বরে কথাও্ বলেননি। সে সদা স্বল্পভাষী, স্পষ্ট বক্তা, সাবলীল ও মৃদু কন্ঠী ।</p>
<p>শিক্ষা ব্যবস্থায় তার ভূমিকা:- স্বাধীনতার আগে শিক্ষা ব্যবস্থায় ছিল বৈষম্য। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শিক্ষাব্যবস্থার বেহাল দশা হয়ে যায় । তিনি ছিলেন বগুড়ার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনের দায়িত্ব  পেলেন ।  তিনি একটি গার্লস&#8217; স্কুলের কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে দেখেন যে মেয়েদের কেন্দ্রে মেয়েদের পরিবর্তে ছেলেরা বসে পরীক্ষা দিচ্ছে । তিনি শিক্ষকদের কাছে  এ ব্যাপারে জানতে চাইলে  শিক্ষকরা বললেন এদের সামলানো যায় না। তারা  এরকমই উশৃংখল যে  তাদের মানানো সম্ভব হয় না । তখন তিনি অত্যন্ত সাহসের সহিত সবাইকে (ছেলেদেরকে) রুম থেকে বের করে দেন। তাতে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে বাইরে থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। ঘটনাস্থলে একজন পুলিশ কনস্টেবল এর মাথা ফেটে যায়। তখন পুলিশ বাধ্য হয়ে ফাঁকা গুলি করে। গুলির শব্দে বাইরে রব উঠে যায় &#8220;অনেক লাশ পড়ে গেছে!&#8221;  তখনকার হোম মিনিস্টার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সমস্ত দায় তাঁর উপর দেন এবং বলেন সামনে নির্বাচন, এরকম পরিস্থিতি হলে সামাল দেয়া কষ্টকর। সেই সময়ের পরিস্থিতি কে তিনি সাহসিকতার সহিত মোকাবেলা করে এবং পরবর্তীতে তিনি  স্বাধীনতা পরবর্তী নকল মুক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা চালুতে বিশেষ অবদান রাখেন।<br />
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ:- তিনি তখন ঝালকাঠির সাব ডিভিশনাল অফিসার। ঝালকাঠি সদর থেকে রাজাপুর পর্যন্ত দীর্ঘ সাতমাইল খাল খনন কর্মসূচি  স্বনির্ভর হয়ে করতে হবে। তিনি তখন নিজে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য মাইলের পর মাইল মোটরসাইকেলের পিছনে উঠে, রোদে পুড়ে স্কুলের ছাত্র ,মাদ্রাসার ছাত্র ,সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেন ।কিন্তু মাঝপথে কাজ থেমে যায়, কেউ স্বনির্ভর হয়ে কষ্ট করে কাজটা করতে চায় না। তাদেরকে আবার উদ্বুদ্ধ করেন । তারা যখন দেখে একজন সৎ , নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা তাদের সাথে জড়িত তখন আবার তারা কাজে ফিরে আসে এবং কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করে । শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেদিন খাল উদ্বোধন করতে যান তার কাজের প্রশংসা করে বলেন কিভাবে অম্ভব করলে। সেই প্রসংশা ছিল তার অনুপ্রেরণা।</p>
<p>গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব  সহ তিনি পাট মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং তদানীন্তন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের (বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়) সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।ইস্ট পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস (ইপিসিএস) এর সাবেক এই কর্মকর্তা মহকুমা ও জেলা প্রশাসক এবং বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে মাঠ পর্যায়ে  দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া চাকরি জীবনে তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, যুগ্মসচিব ও অতিরিক্ত সচিবের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।সরকারের প্রশাসন, আইন, নীতি, কৌশল ও উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। এছাড়াও, তিনি জীবন বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, নন ফরমাল এডুকেশন এর মহাপরিচালক, সমবায় সমিতির রেজিস্ট্রার, দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিচালক, বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং এন্ড এ্যান্ড ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ও যমুনা ব্যাংক লিমিটেড এর পরিচালক এবং ঢাকা ইনস্যুরেন্স লিমিটেড এর উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
<p>&#8220;মানব সেবা,<br />
মানবতার পাশে থেকে মিটে কি<br />
আজন্ম লালিত সাধ।&#8221;</p>
<p>ঠিক তার জীবনের রুপ রেখা আজ সেদিকেই। সরকারী উচ্চ মহলের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে  নিজের গ্রাম, থানা ,জেলার বিভিন্ন জনেসবা মূলক কার্যক্রমে তার ভুমিকা ছিল অনস্বীকার্য। চাকুরী সুবাদে সে নিজ জেলার বাইরে বিভিন্ন জনসেবা মূলক কাজে অনন্য স্বাক্ষর রাখেন।  সরকারী কাজের ছুটির অবসরে দু দণ্ড আয়েশী ভংগিতে না কাটিয়ে  সে আবার শুরু করেছেন জনসেবা,  কাজ করে যাচ্ছেন নিরলস। দেশর সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মনোভাব কে মজবুত করতে তার নিজ থানায় মনোনয়ন প্রত্যাশী। দুই দিকে দুই করালগ্রাসী নদ-নদী  তীরবর্তী হাজারো মানুষের দুঃখ-দুরদশা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন চাকুরী জীবন থেক অদ্যাবধি। রাস্তা -কালভার্ট , কত নিভৃত গ্রাম বিদ্যুত সেবার আওতায় এসেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার সততা ও ন্যায়- নিষ্ঠার হাজারও প্রমাণ রয়ে গেছে তাঁর কর্মজীবনে। তাঁর সততার উদাহরণ সারা কর্ম জীবন এ উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে কোন অন্যায় অপরাধের প্রমাণ মেলা দুষ্কর। হয়রানি মূলক কোন মামলা দিয়ে আজ পর্যন্ত তাকে দমন করা যায়নি। তিনি  খুব সাধারণ জীবন যাপন করতেন।  পোশাক পরিচ্ছদে তার সাধারণ জীবন যাপনের ছাপ দেখে তার বাবা তাকে বলেছিলেন ,&#8221;নয়া মিয়া (এস এম আব্দুল হালিম) তোমার এই একটাই শার্ট। এর  আগের মাসে ও বাড়িতে এটাই পরে এসেছিলে। বড় চাকুরী কর।&#8221;বাবার উত্তরে তিনি তিনি  বলেছিলেন,&#8221; আব্বা   আমার সামনে দিয়ে টাকা উড়ে আমি ধরেল দিনে ১০ টা শার্ট কিনতে পারি। আপনি শুধু দোয়া করেবন আমি যেন কোন অসৎ উদ্দেশ্যে নিজেকে বিক্রি না করি দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারি। সরকার আমাকে যে দায়িত্বটা দিয়েছে তা যেন যথাযথভাবে পালন করতে পারি। &#8221;<br />
জামালপুর জেলায় শুধু নয় বৃহত্তর ময়মনসিংহের গুণী ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি অন্যতম একজন স্বচ্ছ ইমেজের । তাঁর যোগ্যতা ,সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা, উদারতা ,মানবিক মূল্যবোধ ,বন্ধুসুলভ রাজনৈতিক আচরণ,শিক্ষাগত যোগ্যতা ,মননশীলতা, সামাজিক মূল্যবোধ যেকোনো সুস্থ প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগী হওয়ার পরিপূর্ণ যোগ্যতার দাবিদার।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%b9%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অনেকদিন হলো চিঠি আর লিখি না</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a0%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a0%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 May 2025 10:19:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=75762</guid>

					<description><![CDATA[মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :  অনেকদিন হলো চিঠি লেখা হয় না। আত্মীয় স্বজন, বন্ধুর, কাছে লিখতাম, কেমন আছেন ?? কি খবর? সেই চিঠি লেখাই যেন ভুলে গেছি। আধুনিক ডিজিটাল যুগে মোবাইল চলে আসায় সকলের হাতের মুঠোয় মোবাইল ফোন। মেবাইল ফোন করলেই জানা যায়, খবরা, খবর । তাই অনেকদিন হলো আর চিঠি লিখা হয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :  অনেকদিন হলো চিঠি লেখা হয় না। আত্মীয় স্বজন, বন্ধুর, কাছে লিখতাম, কেমন আছেন ?? কি খবর? সেই চিঠি লেখাই যেন ভুলে গেছি। আধুনিক ডিজিটাল যুগে মোবাইল চলে আসায় সকলের হাতের মুঠোয় মোবাইল ফোন। মেবাইল ফোন করলেই জানা যায়, খবরা, খবর । তাই অনেকদিন হলো আর চিঠি লিখা হয় না। বিজ্ঞানের এক অবীষ্মরণীয় আবিষ্কার, এই মোবাইল ফোন। যেন আধুনিক এই মোবাইল মূলত এখন সকল যোগাযোগের মাধ্যম। বাজারে মোবাইল আসার পর থেকেই চিঠির ব্যবহার কমতে থাকে। খুব প্রয়োজনীয় সরকারি অফিস আদালত নোটিশ বা সরকারি কোনো পত্র ডাকযোগে, লিখা হয়। তাছাড়া চিঠির ব্যবহারই নাই বললেই চলে ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এখনকার, ছোট্ট সোনামণিরা জানেনা, চিঠি কি জিনিস ?? সকলেই জানে মোবাইল করলেই খবরটা জানা যাবে । ছোট বাচ্চাটা হয়তো জানেই না যে চিঠি কিভাবে লিখতে হয়, চিঠির জন্য, কোথায় থেকে সেই খাম কিনতে হয় ?? কোথায় সেই চিঠিটা ফেলতে হয় । খামের মুখটা কিভাবে লাগাতে হয়। ছোট্ট শিশু মোবাইল ফোনের ব্যবহার তাদের সামনে সবসময় দেখে হয়তো তারাও মোবাইল করা শিখে নিয়েছে। অদুর ভবিষ্যতে আরো আধুনিক কিছু আবিষ্কার হবে। কিন্তু ডাক বিভাগ তার কর্ম ব্যবস্থাতা কমে গেছে । ডাক পিয়ন, দরজায় নক করত, আপনার চিঠি আছে, অনেকদিন হলো কেউ আর, চিঠি লিখে না। চিঠি আসে না। একটা চিঠির মাঝে লুকিয়ে থাকে অনেক কিছু। হাসি, আনন্দ, ভাল, মন্দ, আশা- ভালোবাসা, সুখ-দুঃখ আনন্দ বেদনা, সেই, চিঠিটা পাওয়ার পর, সেই অনুভুতি, এখন আর পাওয়া যায় না। কারণ চিঠি তো লিখা হয় না। আত্মীয় আছে, বন্ধু আছে। কে লি লিখবে চিঠি?? অনেকদিন হলো চিঠি লিখি না আমি ও। রাস্তার পাশে যেখানে চিঠিটা ফেলতাম ডাকবাক্সের চিঠির বাক্সটা ও আজ মরিচে ধরে গেছে। একে রং করারও যেন কেউ নেই। সেই বাক্সে তালা ছিল সে তালাটাও নেই। হয়তো কেউ আর চিঠি লিখে না তাই তার যত্ন নেওয়া হয় না। সেই ডাকপিয়ন ও আসে না।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%b9%e0%a6%b2%e0%a7%8b-%e0%a6%9a%e0%a6%bf%e0%a6%a0%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
