<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>অন্যান্য &#8211; bongonewsbd24.com</title>
	<atom:link href="https://bongonewsbd24.com/category/uncategorized/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://bongonewsbd24.com</link>
	<description></description>
	<lastBuildDate>Wed, 01 Apr 2026 07:24:23 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>
	<item>
		<title></title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/87170-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/87170-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 01 Apr 2026 07:24:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=87170</guid>

					<description><![CDATA[রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন: শহীদ মুগ্ধর বাবার হৃদযন্ত্রে সফল রিং প্রতিস্থাপন, আশঙ্কামুক্ত 📝 কাজী দীন মোহাম্মদ : শহীদদের প্রতি জাতির দায়বদ্ধতা শুধু কথায় নয়, বাস্তব পদক্ষেপেও প্রতিফলিত হওয়া জরুরি—এই বার্তাই যেন নতুন করে সামনে এলো শহীদ মুগ্ধর বাবা বীর মোস্তাফিজুর রহমানের চিকিৎসার মধ্য দিয়ে। গুরুতর হার্ট অ্যাটাকের পর দ্রুত তাকে রাজধানীর বিশেষায়িত হৃদরোগ হাসপাতালে ভর্তি করা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতার প্রতিফলন: শহীদ মুগ্ধর বাবার হৃদযন্ত্রে সফল রিং প্রতিস্থাপন, আশঙ্কামুক্ত<br />
📝 কাজী দীন মোহাম্মদ :<br />
শহীদদের প্রতি জাতির দায়বদ্ধতা শুধু কথায় নয়, বাস্তব পদক্ষেপেও প্রতিফলিত হওয়া জরুরি—এই বার্তাই যেন নতুন করে সামনে এলো শহীদ মুগ্ধর বাবা বীর মোস্তাফিজুর রহমানের চিকিৎসার মধ্য দিয়ে। গুরুতর হার্ট অ্যাটাকের পর দ্রুত তাকে রাজধানীর বিশেষায়িত হৃদরোগ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তার হৃদযন্ত্রে সফলভাবে দুটি রিং (স্টেন্ট) প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।<br />
চিকিৎসকদের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় একটি সম্ভাব্য সংকট কাটিয়ে উঠেছেন তিনি। এনজিওগ্রামে জটিল ব্লক ধরা পড়ার পর জরুরি অস্ত্রোপচার করে তার জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। অপারেশনের পর ২৪ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে বর্তমানে তাকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনা হয়েছে—যা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর।<br />
এ ঘটনাকে শুধু একটি চিকিৎসা সাফল্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; বরং এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্ববোধেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে সরকারের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করা হচ্ছে—যা জনমনে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।<br />
তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—এমন দায়িত্বশীলতা কি কেবল বিশেষ ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমানভাবে নিশ্চিত হবে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা? এই ঘটনার মধ্য দিয়ে সেই বৃহত্তর প্রত্যাশাই আরও জোরালো হয়ে উঠেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/87170-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/85724-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/85724-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 26 Feb 2026 13:08:52 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=85724</guid>

					<description><![CDATA[দাউদকান্দিতে খাল পুনঃখনন ‘অতি জরুরি’ ঘোষণা আপডেট নিউজ: দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দুইটি খালকে ‘অতি জরুরি খাল’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। মাইথারকান্দি খাল পুনঃখনন হবে কালাডমুর নদীর মোহনা হাটচান্দিনা থেকে বারপাড়া পর্যন্ত, এবং আনার খাল পুনঃখনন হবে গোমতী নদীর সুইচ গেট থেকে গোমতী নদী পর্যন্ত। খাল দুটির নাম আজই কুমিল্লা জেলা [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দাউদকান্দিতে খাল পুনঃখনন ‘অতি জরুরি’ ঘোষণা<br />
আপডেট নিউজ:<br />
দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দুইটি খালকে ‘অতি জরুরি খাল’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। মাইথারকান্দি খাল পুনঃখনন হবে কালাডমুর নদীর মোহনা হাটচান্দিনা থেকে বারপাড়া পর্যন্ত, এবং আনার খাল পুনঃখনন হবে গোমতী নদীর সুইচ গেট থেকে গোমতী নদী পর্যন্ত।<br />
খাল দুটির নাম আজই কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নির্দেশনায় ঈদের পরপরই দ্রুত খালখনন শুরু হবে, যা কৃষি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।<br />
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ শুধু পানি ব্যবস্থাপনার কাজ নয়, সরকারের প্রতিশ্রুতির বাস্তব রূপায়নের প্রতীক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/85724-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নতুন আইজিপি মোঃ আলী হোসেন ফকির: আইনশৃঙ্খলায় ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির প্রত্যাশা</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/85652-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/85652-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Feb 2026 09:52:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=85652</guid>

					<description><![CDATA[এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল, ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ : দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সরকার পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)–এর প্রধান মোঃ আলী হোসেন ফকির–কে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে আজ (মঙ্গলবার) এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল, ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ :<br />
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সরকার পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)–এর প্রধান মোঃ আলী হোসেন ফকির–কে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে আজ (মঙ্গলবার) এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।<br />
বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা মোঃ আলী হোসেন ফকিরের জন্ম জেলা বাগেরহাট। মাঠ প্রশাসন থেকে শুরু করে বিশেষায়িত ইউনিট—সব ক্ষেত্রেই তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। সর্বশেষ তিনি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন–এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।<br />
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন বার্তা<br />
বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, চাঁদাবাজি ও দখলবাজির মতো অপরাধ দমন, এবং রাজনৈতিক সহিংসতার আশঙ্কা মোকাবিলা—এসব ইস্যু সামনে রেখে নতুন আইজিপির নিয়োগকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকার যেখানে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতির কথা বলছে, সেখানে নতুন আইজিপির ওপর বাড়তি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।<br />
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সামনে রেখে প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও দৃঢ় ও কার্যকর করার অংশ হিসেবেই এই নিয়োগ দেখা হচ্ছে। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে মাঠ প্রশাসনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, দলীয় পরিচয়ে অপকর্ম দমনে কঠোর অবস্থান এবং জননিরাপত্তা জোরদার—এসব ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান পদক্ষেপ চাইবে সাধারণ মানুষ।<br />
পেশাদারিত্ব বনাম রাজনৈতিক চাপ<br />
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্ব প্রশ্নে জনমনে যে আলোচনার জন্ম হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে নতুন আইজিপির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতার সম্ভাব্য সময়ে পুলিশ বাহিনীকে জনমুখী ও আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করাই হবে তাঁর নেতৃত্বের বড় পরীক্ষা।<br />
সব মিলিয়ে, মোঃ আলী হোসেন ফকিরের এই পদোন্নতি কেবল প্রশাসনিক রদবদল নয়—বরং একটি রাজনৈতিক বার্তাও বহন করছে। এখন দেখার বিষয়, তাঁর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী কতটা কার্যকরভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/85652-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/84700-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/84700-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 31 Jan 2026 04:21:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=84700</guid>

					<description><![CDATA[ইতিহাস গড়া এক বিয়ে: নীরব ভালোবাসা থেকে রাষ্ট্রনায়কত্বের পথে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস কেবল আন্দোলন, সংগ্রাম আর ক্ষমতার পালাবদলের গল্প নয়—এ ইতিহাসে রয়েছে নীরব ত্যাগ, নিভৃত ভালোবাসা ও আত্মনিবেদনের অনন্য অধ্যায়। তেমনই এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল ১৯৬৮ সালে—একটি সাধারণ বিয়ের মাধ্যমে। বর ছিলেন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, আর কনে বেগম খালেদা জিয়া। কোনো জাঁকজমক নয়, ক্ষমতার [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইতিহাস গড়া এক বিয়ে: নীরব ভালোবাসা থেকে রাষ্ট্রনায়কত্বের পথে<br />
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস কেবল আন্দোলন, সংগ্রাম আর ক্ষমতার পালাবদলের গল্প নয়—এ ইতিহাসে রয়েছে নীরব ত্যাগ, নিভৃত ভালোবাসা ও আত্মনিবেদনের অনন্য অধ্যায়। তেমনই এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল ১৯৬৮ সালে—একটি সাধারণ বিয়ের মাধ্যমে।<br />
বর ছিলেন তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান, আর কনে বেগম খালেদা জিয়া। কোনো জাঁকজমক নয়, ক্ষমতার কোনো প্রদর্শনী নয়—ধর্মীয় ও পারিবারিক আবহে সম্পন্ন সেই বিবাহই পরবর্তীতে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়ে রূপ নেয়।<br />
সাধারণ সূচনায় অসাধারণ ভবিষ্যৎ<br />
শৃঙ্খলা, সততা ও দায়িত্ববোধে গড়া এক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান এবং শান্ত, পর্দাশীল ও আত্মমর্যাদাশীল এক নারী খালেদা জিয়া—পারিবারিক সম্মতিতে গড়ে ওঠা এই দাম্পত্য ছিল পরিমিত, সংযত ও দৃঢ়। সে সময় কেউ ভাবেনি, এই সাধারণ সংসার থেকেই জন্ম নেবে একটি জাতির নেতৃত্বের শক্ত ভিত।<br />
নীরব ত্যাগের দাম্পত্য<br />
সেনা জীবনের বাস্তবতায় ছিল ঘন ঘন বদলি, অস্থায়ী ঠিকানা, সীমিত আয় আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। এসব কিছুর মাঝেও বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন নীরব শক্তির প্রতীক—অভিযোগহীন, ধৈর্যশীল ও বিশ্বাসে অবিচল। তাঁর নীরব সহনশীলতাই ছিল জিয়াউর রহমানের সাহসের এক অদৃশ্য প্রেরণা।<br />
১৯৭১: ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের অগ্নিপরীক্ষা<br />
মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল সময়ে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে ওঠেন। অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়াকে সহ্য করতে হয় বন্দিত্ব, ভয় আর অনিশ্চয়তার কঠিন দিন। তবু তিনি ভেঙে পড়েননি। সেই সময়ই প্রমাণিত হয়—এই দাম্পত্য কেবল প্রেমের নয়, আত্মত্যাগেরও এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।<br />
পরিবার থেকে রাজনীতির ধারাবাহিকতা<br />
এই দাম্পত্য জীবনেই জন্ম নেন তারেক রহমান ও মরহুম আরাফাত রহমান কোকো। এই পরিবার থেকেই ধীরে ধীরে বিকশিত হয় বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ধারা, যা দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখে চলেছে।<br />
শাহাদাতের পর নতুন অধ্যায়<br />
১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ হন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেই মুহূর্তে বেগম খালেদা জিয়া হয়ে পড়েন স্বামীহারা। কিন্তু শোক তাঁকে ভাঙতে পারেনি। বরং সেই শোক থেকেই জন্ম নেয় এক দৃঢ় রাজনৈতিক অভিযাত্রা। তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশকে নেতৃত্ব দেন—সংকল্প, দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে।<br />
ঐতিহাসিক মূল্যায়ন<br />
এই বিয়ে ছিল ভালোবাসার, ত্যাগের, সংগ্রামের ও নেতৃত্বের এক অনন্য সমন্বয়। শহীদ জিয়াউর রহমানের সাহস আর বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা মিলেই রচিত হয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অমর অধ্যায়—যা সময় পেরিয়েও জাতির স্মৃতিতে উজ্জ্বল।<br />
দোয়া<br />
আল্লাহ তাআলা শহীদ প্রেসিডেন্ট মেজর জিয়াউর রহমানকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন—আমিন।<br />
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/84700-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/84590-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/84590-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Jan 2026 02:25:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=84590</guid>

					<description><![CDATA[জুলাই আন্দোলন: দুঃসময়ের মুখে যাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : আজ সমাজের অলিগলি ভরে আছে আইনজীবী, ডাক্তার, শিক্ষক আর তথাকথিত নেতা দিয়ে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—দুঃসময়ে সংখ্যার নয়, সাহসের প্রয়োজন হয়। জুলাই আন্দোলনের দিনগুলো ছিল সেই সাহস যাচাইয়ের কঠিন সময়। সেদিন বহু আইনজীবী থাকলেও আমরা একজন আইনজীবীকেও পাইনি—যিনি নোয়াখালী–১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>জুলাই আন্দোলন: দুঃসময়ের মুখে যাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন<br />
এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : আজ সমাজের অলিগলি ভরে আছে আইনজীবী, ডাক্তার, শিক্ষক আর তথাকথিত নেতা দিয়ে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—দুঃসময়ে সংখ্যার নয়, সাহসের প্রয়োজন হয়।<br />
জুলাই আন্দোলনের দিনগুলো ছিল সেই সাহস যাচাইয়ের কঠিন সময়।<br />
সেদিন বহু আইনজীবী থাকলেও আমরা একজন আইনজীবীকেও পাইনি—যিনি নোয়াখালী–১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকনের মতো বুক চিতিয়ে বলতে পারতেন,<br />
“আমাকে গ্রেপ্তার করুন, তবুও শিক্ষার্থীদের ছেড়ে দিন।”<br />
সেদিন বহু ডাক্তার থাকা সত্ত্বেও আমরা একজন চিকিৎসককেও পাইনি—যিনি দিনাজপুর–৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ডা. জেড এম জাহিদের মতো দেশব্যাপী আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিতেন, জীবন বাঁচানোর সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তেন।<br />
সেদিন অগণিত শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও আমরা এমন একজন শিক্ষক পাইনি—যিনি কুমিল্লা–৬ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর কন্যা সায়মা ফেরদৌসের মতো পুলিশি হুমকির চোখে চোখ রেখে বলতে পারতেন,<br />
“একটা মারবেন—দশটা আসবো। দশটা মারবেন—লক্ষ আসবো। সারাদেশের মানুষ, মা–বাবা সবাই আসবে।”<br />
আর সেদিন অসংখ্য নেতা থাকলেও আমরা একজন প্রকৃত নেতাকেও পাইনি—যিনি কক্সবাজার–১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো আন্দোলনের স্বার্থে তথাকথিত সমন্বয়কদের ডিভাইস পরিবর্তনের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা পাঠাতে দ্বিধা করতেন না।<br />
ইতিহাসের নির্মম সত্য হলো—<br />
জুলাই আন্দোলন যদি ব্যর্থ হতো, তাহলে আজ ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন, ডা. জেড এম জাহিদ কিংবা সাহসী সায়মা ফেরদৌসদের নাম হয়তো ফাঁসির মঞ্চে লেখা থাকত।<br />
সুসময়ে লক্ষ লক্ষ নেতা পাওয়া যায়।<br />
কিন্তু দুঃসময়ে একজন ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দিন খোকন কিংবা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির মতো নেতা খুঁজে পাওয়া যায় না।<br />
এই কারণেই ইতিহাস আমাদের একটি কঠিন শিক্ষা দেয়—<br />
দেখেশুনে ভোট দিন।<br />
মনে রাখবেন—<br />
“সবার আগে বাংলাদেশ।”</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/84590-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/84581-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/84581-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Jan 2026 16:57:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=84581</guid>

					<description><![CDATA[কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি–মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী পক্ষে ৫ম দিনের গণসংযোগ কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি–মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী পক্ষে টানা ৫ম দিনের গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। শনিবার দিনব্যাপী এই গণসংযোগে তিনি পৌরসভার আওতাধীন মাইজপাড়া, উত্তর গাজীপুর, দক্ষিণ গাজীপুর, গোয়ালমারী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সেন্দী বাজার এবং সর্বশেষ নাগেরকান্দি এলাকায় সাধারণ মানুষের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি–মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী পক্ষে ৫ম দিনের গণসংযোগ<br />
কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি–মেঘনা) আসনে বিএনপির প্রার্থী পক্ষে টানা ৫ম দিনের গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করেছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। শনিবার দিনব্যাপী এই গণসংযোগে তিনি পৌরসভার আওতাধীন মাইজপাড়া, উত্তর গাজীপুর, দক্ষিণ গাজীপুর, গোয়ালমারী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সেন্দী বাজার এবং সর্বশেষ নাগেরকান্দি এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।<br />
দক্ষিণ গাজীপুরে অনুষ্ঠিত পথসভায় সভাপতিত্ব করেন দুলাল সরকার। পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল সরকারসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার সঞ্চালনা করেন নিজাম উদ্দিন জুয়েল।<br />
এরপর গোয়ালমারী ইউনিয়নের সেন্দী বাজারে বিএনপির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গোয়ালমারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রায়হান উদ্দিন রেনু মুন্সি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান আহম্মেদ হোসেন তালুকদার, যুগ্ম সম্পাদক এম.এ. সাত্তার, ভিপি সাহাবুদ্দিন, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সরকার সেলিম এবং মাহবুব খন্দকার।<br />
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, “সেন্দী গ্রাম আমার খুব কাছের—নাগেরকান্দি আমার আত্মীয়তার গ্রাম। অতীতে আপনারাই আমাদের বাবাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছিলেন। গত ১৫ বছর মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এবার নিজের ভোট নিজেই দেবেন। আর কেউ জোর করে ভোট নিতে পারবে না।”<br />
তিনি আগামী নির্বাচনের দিন ধর্মীয় ও নাগরিক দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি ফজরের নামাজ শেষে কেন্দ্রে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন। আমি আশা করি, ধলুতেরকান্দি কেন্দ্রসহ পুরো এলাকায় বিএনপিকে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন।”<br />
নাগেরকান্দি গ্রামে অনুষ্ঠিত পথসভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তাঁর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে পথসভা সমাপ্ত হয়।<br />
দিনব্যাপী সকল কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়, যা কুমিল্লা–১ আসনে বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণায় নতুন গতি সঞ্চার করেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/84581-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/83993-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/83993-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 13 Jan 2026 11:30:25 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=83993</guid>

					<description><![CDATA[দাউদকান্দিতে খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল: এনসিপির কয়েক শত নেতাকর্মীর গণযোগদান এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় গণতন্ত্রের মা, আপোষহীন নেতৃত্বের প্রতীক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলটি রূপ নেয় বিএনপির শক্ত অবস্থান ও রাজনৈতিক পুনরুত্থানের এক স্পষ্ট বার্তায়। অনুষ্ঠানে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দাউদকান্দিতে খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল: এনসিপির কয়েক শত নেতাকর্মীর গণযোগদান<br />
এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় গণতন্ত্রের মা, আপোষহীন নেতৃত্বের প্রতীক, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলটি রূপ নেয় বিএনপির শক্ত অবস্থান ও রাজনৈতিক পুনরুত্থানের এক স্পষ্ট বার্তায়।<br />
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন এ কে এম লতিফ ভূঁইয়া।<br />
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম শামসুল হক, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেম, নূর মোহাম্মদ সরকার, জসিম উদ্দিন আহমেদ, শাওগাত চৌধুরী পিটার, এ কে এম সাত্তার, কামাল হোসেন, সাইফুল আলম ভূঁইয়া, আহমেদ হোসেন তালুকদার ও সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর আলমসহ বিএনপির প্রবীণ ও ত্যাগী নেতৃবৃন্দ।</p>
<p>ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন খালেদা জিয়ার সাথে আমি ৪৮ বছর রাজনৈতি সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম। জীবনে কারো সাথে আপোষ করে নাই। এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন।</p>
<p>ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন তারেক রহমান বীরের মতো আসার কথা সে আসিয়াছেন প্রধানমন্ত্রীর বেশে।</p>
<p>বক্তারা কঠোর ভাষায় বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না—তিনি ছিলেন গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার প্রতীক। দীর্ঘ স্বৈরশাসন, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও দমন-পীড়নের মুখেও তিনি কখনো আপোষ করেননি। তাঁর আদর্শ আজও বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মীর সংগ্রামের প্রেরণা।<br />
দোয়া মাহফিল থেকে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে ক্ষমতা আঁকড়ে রাখার অপচেষ্টা আর চলবে না। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, সুষ্ঠু নির্বাচন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা চায়—আর সেই দাবি বাস্তবায়নের একমাত্র শক্তি বিএনপি।<br />
অনুষ্ঠানের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে কয়েক শত নেতাকর্মী প্রকাশ্যে বিএনপিতে যোগদান করেন। তারা ঘোষণা দেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপির নেতৃত্বেই তারা মাঠে থাকবেন। এই গণযোগদান দাউদকান্দিসহ পুরো কুমিল্লার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।<br />
শেষ পর্বে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, দেশবাসীর মুক্তি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দোয়া মাহফিলের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/83993-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রধান বিচারপতির সংবর্ধনায় খালেদা জিয়াকে স্মরণ: বিচার বিভাগের মঞ্চে উচ্চারিত হলো গণতন্ত্রের নাম</title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/83610-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/83610-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 10:06:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=83610</guid>

					<description><![CDATA[বঙ্গ নিউজ বিডি প্রতিবেদক : নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ মঞ্চ থেকেই গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে বাংলাদেশের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে। রোববার (আজ) সকাল সাড়ে ১০টায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাস কক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বঙ্গ নিউজ বিডি প্রতিবেদক : নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ মঞ্চ থেকেই গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে বাংলাদেশের তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন ও আপোষহীন দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়াকে।<br />
রোববার (আজ) সকাল সাড়ে ১০টায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাস কক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির যৌথ আয়োজনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন পর বিচার বিভাগের এই আনুষ্ঠানিক আয়োজনে গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে উচ্চারিত হয় বেগম খালেদা জিয়ার নাম—যা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।<br />
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ স্পষ্ট ভাষায় বলেন,<br />
“অতি সম্প্রতি বিরল সম্মানের সাথে বিদায় নেয়া বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তিনি এই জাতি ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।”<br />
তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।<br />
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা বক্তব্যে সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন,<br />
“দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ও আপসহীন সংগ্রাম করেছেন। ইতিহাস তাকে কখনো অস্বীকার করতে পারবে না।”<br />
তার বক্তব্যে বিচার বিভাগ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে বেগম জিয়ার অবদানের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উঠে আসে।<br />
অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, আদালতের কর্মকর্তা এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।<br />
উল্লেখ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। অবকাশ শেষে আদালতের নিয়মিত কার্যক্রমের প্রথম দিনেই তাকে এই সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। একইসঙ্গে এই আয়োজন বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক মঞ্চে গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণকে নতুন করে রাজনৈতিক বার্তায় পরিণত করেছে।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/83610-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/83601-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/83601-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 04 Jan 2026 02:00:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=83601</guid>

					<description><![CDATA[ইগো নয়, ইনক্লুশন—এটাই জিয়া পরিবারের রাজনীতি বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝির নাম—জিয়া পরিবারকে শুধু বিএনপির ভেতরে বন্দি করে দেখা। এই পরিবার কোনোদিনই ক্ষুদ্র দলীয় রাজনীতিতে বিশ্বাস করেনি। তারা চেয়েছে বড় জায়গা, বড় মানুষ, বড় নেতৃত্ব। আর সেই কারণেই তাদের রাজনীতি অনেকের চোখে “অস্বস্তিকর”, অনেকের কাছে “বোধগম্য নয়”। জিয়াউর রহমানের মুখের ওপর দাঁড়িয়ে যিনি একসময় [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ইগো নয়, ইনক্লুশন—এটাই জিয়া পরিবারের রাজনীতি<br />
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝির নাম—জিয়া পরিবারকে শুধু বিএনপির ভেতরে বন্দি করে দেখা।<br />
এই পরিবার কোনোদিনই ক্ষুদ্র দলীয় রাজনীতিতে বিশ্বাস করেনি। তারা চেয়েছে বড় জায়গা, বড় মানুষ, বড় নেতৃত্ব।<br />
আর সেই কারণেই তাদের রাজনীতি অনেকের চোখে “অস্বস্তিকর”, অনেকের কাছে “বোধগম্য নয়”।<br />
জিয়াউর রহমানের মুখের ওপর দাঁড়িয়ে যিনি একসময় প্রকাশ্যে অপমান করেছিলেন, সেই ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন পরে ছাত্রদলের নেতা হয়েছেন, আজ তিনি বিএনপির ১ নম্বর স্থায়ী কমিটির সদস্য।<br />
খালেদা জিয়াকে নিয়ে যিনি প্রকাশ্যে জঘন্য কটূক্তি করেছিলেন, সেই সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ম্যাডাম এক বছরের মাথায় নিজের উপদেষ্টা বানিয়েছেন।<br />
তারেক রহমানের রাজনীতির যিনি ছিলেন সবচেয়ে কট্টর সমালোচক, সেই মেজর (অব.) হাফিজকে খালেদা জিয়া নয়—খোদ তারেক রহমানই স্থায়ী কমিটিতে এনেছেন।<br />
এই উদাহরণগুলো দুর্ঘটনা না।<br />
এগুলোই নীতি।<br />
এগুলোই লিগ্যাসি।<br />
কারণ জিয়া পরিবারের রাজনীতিতে পারসোনাল ইগো নামে কোনো শব্দ নাই।<br />
এখানে শত্রু আর বন্ধু চিরস্থায়ী না—চিরস্থায়ী একটাই জিনিস, বাংলাদেশ।<br />
আজ যারা নৈতিকতার লেকচার দেয়, তারা কি ভুলে গেছে অরাজনৈতিক আরাফাত রহমান কোকোর জানাজার কথা?<br />
সব চোখরাঙানি, রাষ্ট্রীয় চাপ আর অঘোষিত হুমকি উপেক্ষা করে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে যে জনসমুদ্র নেমেছিল, সেটা কোনো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের সাজানো ভিড় ছিল না।<br />
ওটা ছিল ভালোবাসা।<br />
ওটা ছিল বিশ্বাস।<br />
ওটা ছিল মানুষের মনের ভেতরের জমে থাকা আবেগের বিস্ফোরণ।<br />
এই ভালোবাসা কেন আসে?<br />
কারণ মানুষ জানে—এই পরিবার ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না, মানুষের জন্য রাজনীতি করে।<br />
আর এখনকার বিতর্ক?<br />
সোজা বাংলায় বলি—<br />
মগবাজারে বিএনপির কোনো নেতাকে প্রস্রাব করতেও দেখিনি।<br />
কিন্তু টিএসসিতে দাঁড়িয়ে “লন্ডন না ঢাকা” স্লোগান দেওয়া একঝাঁক সুবিধাবাদী রাজনৈতিক প্রস্টিটিউটদের ঠিকই দেখেছি—<br />
সকালে লন্ডন,<br />
দুপুরে গুলশান,<br />
আর বিকেলে পল্টনে দৌড়ঝাঁপ করতে।<br />
এরা আদর্শ বদলায় না—<br />
এরা শুধু ঠিকানা বদলায়।<br />
পাবলিক বোকা না।<br />
পাবলিক সব দেখে, সব বোঝে, সব মনে রাখে।<br />
ইতিহাসের আদালতে সবচেয়ে বড় সাক্ষী কিন্তু জনগণই।<br />
বেশি কথা বাড়ানোর দরকার নাই।<br />
শুধু দুটো লাইন মনে করিয়ে দিলেই যথেষ্ট—<br />
গেম এখনো শেষ হয়নি।<br />
মাদার অব ডেমোক্রেসি বলেছিলেন—<br />
“ভাইয়াকে দেখে রেখো।”<br />
আর ৩০০ ফিটের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে দেশনায়ক বলেছিলেন—<br />
“I HAVE A PLAN.”<br />
বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্ল্যান যারা করে, তারা চুপচাপ করে।<br />
আর যখন সময় আসে—<br />
তখন শব্দ না, ঢেউ ওঠে।<br />
ইতিহাস অপেক্ষা করে না।<br />
সময়ই ঠিক করে দেয়—কে মৌসুমি আর কে লিগ্যাসি।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/83601-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title></title>
		<link>https://bongonewsbd24.com/82660-2/</link>
					<comments>https://bongonewsbd24.com/82660-2/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Staff Reporter]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 15 Dec 2025 16:13:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://www.bongonewsbd24.com/?p=82660</guid>

					<description><![CDATA[ : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে প্রত্যাশা রেখে বলেছেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে গ্রামে গঞ্জে, শহরে নগরে বন্দরে, বাজারে মহল্লায়, অলিতে গলিতে, রাজপথে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্বাচনী মিছিলে আমিও আপনাদের সঙ্গে থাকবো ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেছেন, ‘১৯৭১, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থান, প্রতিটি আন্দোলন [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<header id="header">
<div class="row">
<div class="col-md-12">
<div class="top-nav">
<nav id="top-nav" class="navbar navbar-default" role="navigation">
<div class="navbar-header"> : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে প্রত্যাশা রেখে বলেছেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে গ্রামে গঞ্জে, শহরে নগরে বন্দরে, বাজারে মহল্লায়, অলিতে গলিতে, রাজপথে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার নির্বাচনী মিছিলে আমিও আপনাদের সঙ্গে থাকবো ইনশাআল্লাহ।’</div>
</nav>
</div>
</div>
</div>
</header>
<div id="content">
<div class="row"><main class="col-md-6 main"></p>
<div class="news-view page">
<article>
<div id="news-body">
<p>তিনি বলেছেন, ‘১৯৭১, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর, ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভুত্থান, প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে প্রমাণিত হয়েছে জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে জনতার বিজয় কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারে না। আমি দৃঢ় কণ্ঠে বলতে চাই, নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’</p>
<p>সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় লন্ডন থেকে ভার্চূয়ালি যুক্ত হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এসব কথা বলেন।</p>
<p>তারেক রহমান বক্তব্য শুরুর আগে সভায় উপস্থিত নেতা কর্মীরা উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে থাকেন. ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে, ২৫ তারিখ সারাদিন, বাংলাদেশের খুশির দিন।’</p>
<p>তারেক রহমান বলেন, ‘জনগণকে ক্ষমতাবান করার পূর্বশর্তই হচ্ছে, জনগণের সরাসরি ভোটে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ জনগণের কাছে জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র ও সরকার প্রতিষ্ঠা। এ কারণেই বিএনপি সবসময় রাষ্ট্র এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে যেকোনো মূল্যে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।’</p>
<p>ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো থেমে নেই উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘দেশের জনগণ সাক্ষী, অকারণ শর্তের পর শর্ত জুড়ে দিয়ে কিংবা নানা অজুহাতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী একাধিক চক্র নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে বারবার নানারকম বিঘ্ন সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছিল। তবুও বাধা উপেক্ষা করে নির্বাচন কমিশন শেষ পর্যন্ত জনগণের কাঙ্ক্ষিত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ ঘোষণা করেছে।</p>
<p>তবে ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো থেমে নেই। গণতন্ত্রের পক্ষের সাহসী সন্তান ওসমান হাদিকে গুলি করা সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ। কী ছিল ওসমান হাদির অপরাধ? আমি মনে করি কয়েকটি প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই গণতন্ত্রকামী জনগণের সামনে ঘাতকদের চরিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে।’</p>
<p>তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করা গেলে কারা খুশি হবে? নির্বাচন ছাড়াই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বহাল রাখা গেলে কারা লাভবান হবে? দেশে জনগণের ভোটে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত না হলে কাদের লাভ? আমি বিশ্বাস করি এসব প্রশ্নের জবাবের মধ্যেই হাদির ঘাতকেরা লুকিয়ে রয়েছে। স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী জনগণের শত্রুরা ঘাপটি মেরে রয়েছে।’</p>
<p>সবাইকে সতর্ক করে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের সতর্ক থাকা দরকার। মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে দেশি-বিদেশি অপশক্তি তখনো যেমন সক্রিয় ছিল এখনো সক্রিয়। সময়ের সাথে সাথে ষড়যন্ত্রকারীদের রং-রূপ-চেহারা হয়তো পাল্টেছে চরিত্র কিন্তু পাল্টায়নি।’</p>
<p>তারেক রহমান দৃঢ় কন্ঠে বলেন, ‘যারা গণতন্ত্রকামী জনগণকে ভয় দেখাতে চায়, তারা অবশ্যই ব্যর্থ হবে ইনশাআল্লাহ। ভয়ের কিছু নেই, মানুষের জয়-পরাজয়, জীবন-মৃত্যু সবকিছুই আল্লাহর হাতে নির্ধারিত। সুতরাং, আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে যদি আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার মিছিল নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকি, ষড়যন্ত্রকারীরা অবশ্যই পিছু হটতে বাধ্য হবে।’</p>
<p>বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশ হঠাৎ করেই সাগরের বুকে ভেসে ওঠা কোনো ভূখণ্ড নয়। লাখো শহীদের আত্মত্যাগ আর অসংখ্য মা-বোনের সম্মান সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ নামক এই ভূখণ্ডটির স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের সেই গৌরবময় ইতিহাস নিয়ে অসংখ্য গল্প, বই, কবিতা রচিত হয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাপর ঘটনাবলী নিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নিজের লেখা ‘একটি জাতির জন্ম’ শীর্ষক একটি নিবন্ধ রয়েছে। এই নিবন্ধটি আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দলিল।</p>
<p>একটি চক্র ‘বিজয়ে’র নতুন ইতিহাস রচনার অপচেষ্টা করছে, এমন শঙ্কা প্রকাশ করে তারেক রহমান বলেন, ‘পতিত পলাতক একটি চক্র স্রেফ নিজেদের হীন দলীয় স্বার্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিকৃতি ঘটিয়েছে।</p>
<p>তিনি বলেন, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে দলীয় ইতিহাসে পরিণত করার অপরিণামদর্শী অপচেষ্টার কারণেই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এখন মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত একটি চক্র ‘বিজয়ে’র নতুন ইতিহাস রচনার অপচেষ্টা করছে। তবে পরাজিতের মুখে বিজয়ের ইতিহাস রচনা বেমানান, লজ্জার। ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।</p>
<p>পরাজিত চক্রকে মোকাবেলায় প্রতিশোধ প্রতিহিংসার পরিবর্তে ‘বিজয়ে’র সুফল প্রতিটি মানুষের ঘরে পৌঁছে দেয়ার আহ্বান জানিয়ে দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিজয় বার্তাকে শুধুমাত্র উদ্দীপ্ত স্লোগানে সীমাবদ্ধ না রেখে ‘বিজয়ে’র সুফল প্রতিটি নাগরিকের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি আবারো জনগণের সহযোগিতা সমর্থন এবং সুযোগ প্রত্যাশা করছে।</p>
<p>তারেক রহমান বলেন, ‘আগামী দশকটি হবে রূপান্তরের দশক’ এই চিন্তা নিয়েই আমরা ‘দেশ গড়ার কর্মসূচি’ বাস্তবায়নের কর্মপরিকল্পনা তৈরি করেছি। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, চার কোটির বেশি তরুণ, কোটি কোটি কৃষক-শ্রমিক, কর্মক্ষম এই জনসংখ্যাকে কাজে লাগিয়ে, বাংলাদেশের বিজয়কে সুসংহত করাই বিএনপির লক্ষ্য।’<br />
পরিশেষে তিনি বলেন, ‘একটি স্বনির্ভর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার মাধ্যমেই আমার আমাদের আগামীর প্রতিটি বিজয় দিবসকে আরো গৌরবান্বিত এবং আরো অর্থবহ করে তুলতে চাই।’</p>
<p>বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সালাহ উদ্দিন আহমদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচারয অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী, যুব দলের নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজীব আহসান প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।</p>
</div>
</article>
</div>
<p></main></div>
</div>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://bongonewsbd24.com/82660-2/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
