বঙ্গ নিউজ বিডি ডেস্ক রিপোর্ট : ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট আজ (১১ জুন) জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যসহ প্রায় ৬০টি পণ্যে কর ছাড়ের প্রস্তাব থাকায় এসব পণ্যের দাম কমতে পারে। তবে রাজস্ব আহরণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যে কিছু পণ্যের ওপর ভ্যাট ও শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, ফলে সেগুলোর দাম বাড়তে পারে।
নতুন বাজেটে আবাসন খাতের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এমএস রড ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর ও ভ্যাট প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব থাকতে পারে। এতে নির্মাণসামগ্রীর বাজারে মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ধূমপান নিরুৎসাহিত করতে সিগারেটের ফিল্টার তৈরির কাঁচামালের ওপর ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিনের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব আসতে পারে। এছাড়া নিকোটিন পাউচের ওপর ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের চিন্তা করা হচ্ছে। উচ্চস্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাবও থাকতে পারে। একই সঙ্গে সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দেশে উৎপাদিত অ্যালকোহল বা মদের ওপর লিটারপ্রতি ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব আসতে পারে, যা বাজারে মদের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে।
এছাড়া উচ্চমূল্যের বিলাসী খাদ্যপণ্য এবং নতুন করে ১০টি পণ্যের আমদানি পর্যায়ে ২০ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হতে পারে। বিদেশ থেকে আমদানি করা উচ্চমূল্যের হিমায়িত মাছের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের কথাও বিবেচনায় রয়েছে।
দেশীয় কৃষকদের সুরক্ষার লক্ষ্যে কাজুবাদাম আমদানিতে শুল্কহার বর্তমান ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব থাকতে পারে, যার ফলে আমদানিকৃত কাজুবাদামের দামও বাড়তে পারে।