1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান ডুমুরিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন, বিকেলে সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী সিগারেট, মদ ও নির্মাণসামগ্রীসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে পারে নতুন বাজেটে

ছদ্মবেশে ২০ বছর, অবশেষে র‍্যাবের হাতে ধরা ফাঁসির আসামি

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২৭৩ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: দুই দশক পর চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী ‘জানে আলম’ হত্যা মামলার আসামি সৈয়দ আহমেদকে আটক করেছে র‍্যাব।

গ্রেপ্তার সৈয়দ আহম্মেদের বয়স এখন ৬০ বছর। তার বাড়িও লোহাগাড়ার আমিরাবাদে। গত ২০ বছর ধরে উদ্বাস্তু, বাবুর্চি ও দারোয়ানের ছদ্মবেশে পলাতক ছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের আকবর শাহ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক নুরুল আবসার।

এর আগে ২০০২ সালের ৩০ মার্চ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ব্যবসায়ী জানে আলমকে তার এক বছরের শিশুর সামনে হত্যা করে সৈয়দ বাহিনী ও তার সন্ত্রাসীরা।

ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা সেই মামলায় আদালত ১২ জনকে ফাঁসি এবং ৮ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীকালে আসামিরা সুপ্রিম কোর্টে আপীল করলে সুপ্রীম কোর্ট সৈয়দ আহম্মেদসহ মোট ১০ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।

চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক নুরুল আবসার জানান, এ হত্যাকাণ্ডের পর ২০ বছর আসামি সৈয়দ আহম্মেদ বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন। চট্টগ্রামের বাঁশখালী বিভিন্ন ডাকাত দলের সাথে সমুদ্র পাড়ি দেয়। পরিবারের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। কিছুদিন উপকূলীয় এলাকায় এবং পরে সীতাকুণ্ডে অবস্থান করেন। বিভিন্ন মাজার এলাকায় বাবুর্চির কাজ করেন। এছাড়াও আকবরশাহ থানায় একটি বাড়িতে দারোয়ানের ছদ্মবেশে কাজ করেন। পরিচয় গোপন রাখতে দুটি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্রও তৈরি করিয়ে নেন তিনি।

গোপনে খবরের ভিত্তিতে ২০ বছর ধরে পালিয়ে ও দারোয়ান সেজে পলাতক মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাজাপ্রাপ্ত আসামি সৈয়দ

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com