1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ও যুগোপযোগী এসএসএফ গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি, ‘ইসলামাবাদ এমওইউ’ স্বাক্ষর বিশ্বজুড়ে নিষিদ্ধ হচ্ছে শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া: বাংলাদেশ কি তবে ঘুমিয়েই থাকবে? ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না! কলকাতা ইসকনের উদ্যোগে বাবুঘাট গঙ্গা তীর পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্নতার অভিযান চালালেন অটোরিকশার ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ খুলনায় গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় পুলিশ দম্পতি গ্রেফতার কারামুক্তির পর ফের বেপরোয়া জাহিদ, সংবাদকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১ বার দেখা হয়েছে

অদিতি করিম : বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কে যখন পুশইন নিয়ে টানাপোড়েন এবং উত্তেজনা, ঠিক তখনই বন্ধুত্বের বার্তা নিয়ে বাংলাদেশে এলেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। গত শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার পর তিনি বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদী পেশাদার কূটনৈতিক নন। তিনি একজন রাজনীতিবিদ। গত এপ্রিলে ভারত সরকার দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। দুই দেশের ৫৫ বছরের সম্পর্কের ইতিহাসে ভারত এ প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে দেশটির হাইকমিশনার করে বাংলাদেশে পাঠাল। বাংলাদেশে প্রবেশ করেই দিনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘আমাদের যা পপুলেশন আছে ১৪০ কোটি। তার সঙ্গে ২০ কোটি (বাংলাদেশের) অ্যাড করেছি। ১৬০ কোটি। আমি এখানে যা করতে চাই, তা সব একসঙ্গে হবে। আলাদাভাবে ভাবছি না। দেখছেন না আমি হেঁটে চলে আসছি। একই আকাশ একই বাতাস একই। আমরা মিলেমিশে ভিসার সমাধান করব। শুধু অভিন্ন সীমান্ত নয়, অভিন্ন স্বপ্নও আছে। আমাদের আকাশ এক, বাতাস এক, চ্যালেঞ্জও অনেক ক্ষেত্রে এক। তাই আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। ভালোবাসা আর পারস্পরিক আন্তরিকতার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।’ হাইকমিশনার হিসেবে নিজের অগ্রাধিকারের প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার একমাত্র অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের সম্পর্ক। আমরা সবাই ভাইবোন। আমাদের পথ ভুল হওয়ার সুযোগ নেই। প্রয়োজন শুধু ভালোবাসা ও পারস্পরিক আন্তরিকতা। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শুধু সীমান্তের নয়। বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সঙ্গেও আমরা যুক্ত। যারা আমাদের ভাইবোন ও মা-তাদের কল্যাণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ দিনেশ ত্রিবেদীর মতো একজন সিনিয়র রাজনীতিবিদকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করার মধ্য দিয়ে ভারত একটি সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। তা হলো, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী। তাই বাংলাদেশকেও এখন এ সম্পর্ক উন্নয়নে কূটনৈতিক কৌশল গ্রহণ করতে হবে। সীমান্তে উত্তেজনা, মানুষ হত্যা, পুশইনের মতো অমানবিক ঘটনা কখনো ভালো সম্পর্কের ইঙ্গিত বহন করে না। এটা দুই দেশের সম্পর্কের তিক্ততার প্রকাশ। দুই দেশের জন্যই এ বৈরিতা ক্ষতিকর। বর্তমান বিশ্বে বল প্রয়োগ, যুদ্ধ কোনো সংকটের সমাধান দেয় না। বরং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। ভারতের অযৌক্তিক পুশইন নিয়ে আর কালবিলম্ব না করে আলোচনার পথ উন্মুক্ত করতে হবে। প্রতিবেশীর সঙ্গে উত্তেজনা কারও জন্যই ভালো ফল দেবে না। মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ-ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্থল সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪,০৯৬.৭ কিলোমিটার। এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম স্থল সীমান্ত, যা ভারতের পাঁচটি রাজ্য-পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরামের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। এই সীমান্তে উত্তেজনা এবং অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি দুই দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার জন্য হুমকি। শুধু সীমান্ত নয়, দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে টানাপোড়েন রয়েছে। পদ্মা, তিস্তাসহ একাধিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্সা, ভিসা জটিলতা, ভারতের বন্দরগুলো দেড় বছর ধরে বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে না দেওয়ার মতো ইস্যুগুলো নিয়ে দ্রুত আলোচনা শুরু করা দরকার। একটি দেশের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং শান্তির জন্য প্রতিবেশীর সঙ্গে স্বাভাবিক বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদার সম্পর্ক জরুরি। সবকিছু পাল্টানো যায় কিন্তু প্রতিবেশী বদলানো সম্ভব না। তাই প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে উত্তেজনার সম্পর্ক নয় দরকার আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা। তা ছাড়া বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে গড়ে ওঠা। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সমর্থন ও সহযোগিতা আমাদের বন্ধুত্বের শক্তি। দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সমস্যা থাকবেই। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ হলো আলাপ-আলোচনা। পুশইন করে কিংবা সীমান্তে যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি করে কোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব না। ভারতের নতুন রাষ্ট্রদূত আসার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। দুই দেশকেই এ সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের অবনতি ঘটে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে। এ সময় উগ্র ভারত বিরোধিতা নামে অন্তর্র্বর্তী সরকার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে ভুল পথে নিয়ে যায়। ইউনূস এবং তাঁর উপদেষ্টাদের দায়িত্বহীন ভারত বিদ্বেষী কথাবার্তায় বাংলাদেশের ক্ষতি ছাড়া কোনো লাভ হয়নি। ইউনূস ভারতের সেভেন সিস্টার নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলেন তা সুস্পষ্টভাবে একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল। তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, ২৬ লাখ ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে কাজ করে বলে অসত্য তথ্য ছড়িয়ে দুই দেশের সম্পর্ক তিক্ত করেছেন। ইউনূস সরকার বাইরে ভারত বিরোধিতা করে ভিতরে দেশকে আরও বেশি ভারতীয় পণ্যের ওপর নির্ভরশীল করেছেন। ভারত থেকে পণ্য আমদানি বাড়ে ইউনূসের অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে। কিন্তু ভারতের ভিসা বন্ধ হয়ে যায়, বাংলাদেশের পণ্য ভারতের বন্দর ব্যবহারের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। আজকের পুশইন ইউনূস সরকারের ভুল কূটনৈতিক তৎপরতার ফল। শুধু ভারত নয় সারা বিশ্বের সঙ্গেই বাংলাদেশ যেন ক্রমশ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ড. ইউনূসের ভুল নীতির কারণে। বাংলাদেশের আরেক প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গেও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো নয়। বারো লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে নয় বছর ধরে অবস্থান করছে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল চাপ। রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি নেই। ক্ষমতা নেওয়ার শুরুতে মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলেও, বাস্তবে তার করা কোনো গোল আমরা উদ্যাপন করতে পারিনি। পাকিস্তান ছাড়া আর কোনো দেশের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য কূটনৈতিক সাফল্য নেই। ইউনূস বলেছিলেন, রোহিঙ্গারা এ বছরের (গত বছর) রোজার ঈদ করবেন মিয়ানমারে, সেটা কার্যকর তো হয়নি উল্টো এর মধ্যে অন্তত লাখ দুয়েক রোহিঙ্গা নতুন করে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছে। ক্ষমতা নেওয়ার পর ইউনূস বলেছিলেন, বিশ্ব আমাদের কাছে আসবে। কিন্তু কার্যত, দেড় বছরে বিশ্বের দরজাই বাংলাদেশের জন্য আজ বন্ধ হওয়ার উপক্রম। ইউনূস বলেছিলেন, ইউরোপের যেদেশগুলোর বাংলাদেশে ভিসা সেন্টার নেই, তারা বাংলাদেশে কাজ শুরু করবে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের দিল্লি থেকে ঢাকায় দাওয়াত দিয়ে আনেন। কিন্তু, ইউনূস দেড় বছরে একটা দেশেরও ভিসা সেন্টার দিল্লি থেকে ঢাকায় সরিয়ে আনতে পারেননি, ফলে বিদেশে পড়তে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। যেসব দেশে ভিসা ছাড়া বাংলাদেশের নাগরিকরা প্রবেশ করতে পারত, সেই সব দেশের অধিকাংশই ভিসা ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে, বাকি অধিকাংশ দেশ ভিসা দেওয়ার হার কমিয়েছে। থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরের ভিসা এখন সোনার হরিণ। ইউনূস মালয়েশিয়া শ্রমবাজার চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন কিন্তু বাস্তবে তা চালু হয়নি। বহু দেশে জনশক্তি রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে অন্তর্র্বর্তী সরকারের আমলে। আমেরিকা তো রীতিমতন ভিসার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বাংলাদেশের পাসপোর্টের মান কমে ইয়েমেন, আফগানিস্তান বা ফিলিস্তিন লেভেলে নেমে গেছে। দেড় বছরে ১৪ বার এবং প্রথম ১২ মাসে ১১ বার বিদেশ সফর করলেও ‘ইউনূস ম্যাজিক’ কার্যত ফেইল করেছে। বাংলাদেশের কূটনীতি আজ পথ হারা। তাই, নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে, আমাদের পররাষ্ট্রনীতিকে সঠিক পথে নিয়ে আসা। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জন্য কিছু সুখবর নিয়ে এসেছে বিএনপি সরকার। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিসকে ৮ ভোটে পরাজিত করে তিনি এক বছরের জন্য এ পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এটা নিঃসন্দেহে একটি বড় অর্জন। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার উদ্যোগ চলছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর হচ্ছে মালয়েশিয়া। ২১ জুন প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে বন্ধ শ্রমবাজার খুলবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এটি হবে তারেক রহমানের অর্থনৈতিক কূটনীতির একটি সাফল্য। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হলো, সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। সেই ভিত্তিকে আবার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে দিতে হবে অগ্রাধিকার। পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নকে প্রাধান্য দিতে হবে কূটনীতিতে। আমরা আশাবাদী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি শিগগিরই পথ খুঁজে পাবে।

kalebet

অদিতি করিম : লেখক ও নাট্যকার।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com
parobet giriş · bycasino · matbet güncel giriş · lunabet giriş · bycasino giriş · ultrabet giriş · tempobet · kavbet giriş · taksimbet giriş · parobet · betsilin giriş · capitolbet giriş · kingroyal · betixir giriş · bets10 · trendbet · tempobet giriş · bycasino güncel giriş · trendbet giriş · kavbet · marsbahis giriş · jokerbet · safirbet giriş · taksimbet güncel giriş · capitolbet · ultrabet güncel giriş · lunabet güncel · jokerbet güncel giriş · meritking · betsilin güncel giriş · meritking giriş · capitolbet güncel giriş · trendbet güncel giriş · marsbahis · kavbet güncel giriş · safirbet güncel giriş · betsilin · bets10 giriş · matbet giriş · betixir giriş · jokerbet giriş · betixir · matbet · marsbahis · safirbet · ultrabet · betixir · lunabet · kingroyal giriş · taksimbet