1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান ডুমুরিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন, বিকেলে সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী সিগারেট, মদ ও নির্মাণসামগ্রীসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে পারে নতুন বাজেটে

পাচার হবার ৩০ বছর পর দেশে ফিরলেন রেজিয়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২২৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: ভারতে পাচার হওয়ার ৩০ বছর পর বাড়ি ফিরেছেন মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের সুবিদপুর গ্রামের গৃহবধূ রেজিয়া খাতুন (৫৫)।

এত বছর পরিবার ও গ্রামবাসী জানতো রেজিয়া মারা গেছেন। কিন্তু তার স্বামী আজগর আলী তাকে ভারতে বিক্রি করে দিয়েছিলেন। গত ১০ নভেম্বর মেহেরপুর সদর উপজেলার শোলমারি সীমান্ত দিয়ে তিনি দেশে ফিরেন।

রেজিয়া বেগম বলেন, স্বামী আজগর আলী ও তার বন্ধু জয়নাল আবেদীন ৩০ বছর আগে তাকে ভারতে নিয়ে পতিতালয়ে বিক্রি করে দেন। ভারতের জম্মু-কাশ্মিরে বন্দি ছিলাম। সম্প্রতি আমি পড়ে গিয়ে আঘাত পেলে আমার পা ভেঙে যায়। তখন কাশ্মিরের ওই পাচারকারী গোপনে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য আমাকে নদীয়া জেলার পন্ডিতপুর গ্রামে পাঠান। চিকিৎসা নিতে এসে মেহেরপুরের আমিরুলের সথে পরিচয় হয়। তার মাধ্যমে নিজের বেঁচে থাকার কথা স্বজনদের জানাই। এরপর পরিবারের লোকজন বিভিন্ন মাধ্যমে গত তিন মাস ধরে ওই পাচারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর ৮ লাখ টাকার বিনিময়ে তারা আমাকে মুক্তি করে নিয়ে আসেন। আমাকে পাচারের সঙ্গে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

রেজিয়ার বড় ভাই আনারুল ইসলাম বলেন, ‘৩০ বছর আগে আজগর আলী আমার বোনকে ভারতে বিক্রি করে দিয়েছিল। এতদিন জানতাম মারা গেছে। তিন মাস আগে আমিরুলের মাধ্যমে জানতে পারি বোন বেঁচে আছে। তাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। অসুস্থ থাকায় গত কয়েক দিন চিকিৎসা করিয়েছি। কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর আদালতে মামলা করেছে রেজিয়া।’

রেজিয়ার মেয়ে সালেহা খাতুন বলেন, ‘দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে কোনো সন্তান এভাবে মা হারা না হয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com