1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান ডুমুরিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিককে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছিল ইসরায়েলি সেনারা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১৮৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে শিশু থেকে নারী কিংবা বৃদ্ধ কেউই বাদ যায়নি ইসরায়েলি গ্রেফতার থেকে। নির্বিচার এই গ্রেফতারের শিকার হয়েছিলেন ফিলিস্তিনের নারী সাংবাদিক লামা খাতার।

৪৭ বছর বয়সী এই নারী সাংবাদিক গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে বন্দী বিনিময় চুক্তির আওতায় ষষ্ঠ দফায় ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পান। কারাগার থেকে বেরিয়ে তিনি নিজেই শোনালেন সেই ভয়াবহ দিনগুলোর ভয়ংকর গল্প। মুক্ত বাতাসে স্বস্তি আছে, তবুও শ্রান্তিতে ভুগছেন লামা।

লেখক ও সাংবাদিক লামা খাতার ইসরায়েলি দখলদারদের নানা অপরাধে সংবাদ সংগ্রহ করতেন। এবার তিনি শিকার হলেন সেই জঘন্য কাণ্ডের।

১৩ মাস বন্দী শিবিরে ছিলেন এই নারী সাংবাদিক। প্রথমে তাকে একটি বসতি ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রথম দফা জিজ্ঞাসাবাদেই ইসরায়েলি কর্মকর্তারা তাকে নানা ধরনের হুমকি দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ধর্ষণের হুমকিও ছিল। লামা বলেছেন, তারা আমাকে, আমার পরিবারকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার কথা বলছিলেন। এমনকি তারা তাকে গাজায় নির্বাসিত করারও হুমকি দিয়েছিলেন। আমাকে বলা হয়েছিল, তিনি একজন যুদ্ধবন্দী, তাই তারা তার সঙ্গে যা খুশি করতে পারেন।

লামা আরও বলেন, চার দিন পরে তাকে হাশারন কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে আরও পাঁচজনের সঙ্গে ছোট্ট একটি কুঠুরিতে আটকে রাখা হয়। অথচ সেই সেলটি বানানো হয়েছে একজনের জন্য। সেলটির পরিবেশ ছিল নোংরা। লামা জানালেন, সেলটি পরিষ্কার করার মতো পর্যন্ত পানি দেওয়া হয়নি। দিনে আট ঘণ্টা তাদের পানিও দেওয়া হতো না। যেহেতু খুব ছোট জায়গা ছিল, তাই তাদের ছয়জনকে পালা করে বসতে ও শুতে হতো।

এরপর দামোন কারাগারে পাঠানো হয় লামাকে। সেখানে বিবস্ত্র করেও নির্যাতন করা হয় তাকে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com