1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান ডুমুরিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

ল্যাংটা বাবার মাজারের ছায়া এম,এ. আলীর ঔষধ দোকানের ১৪ প্রাণ কেড়ে নিলো বিষমদ!

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২১ জুলাই, ২০২৫
  • ২৬৯ বার দেখা হয়েছে

প্রতিবেদক: কাজল , খুলনার খালিশপুর থানার বৈকালি, বয়রা—ল্যাংটা চাচার মাজার সংলগ্ন একটি হোমিওপ্যাথি ঔষধের দোকান থেকে হাত তৈরি বিষাক্ত এলকোহল (ল্যাক) সেবনে ১৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান এবং ৯ জন মারা যান খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, যাদের একজন ছিলেন লাইফ সাপোর্টে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডা. এম. এ. আলী দীর্ঘদিন ধরে ঔষধ ব্যবসার আড়ালে অবৈধ মাদক ও মদ বিক্রি করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তার ছেলে, মেয়ে ও মেয়ের জামাই এই অপরাধে জড়িত। পারিবারিক কলহের জেরে জামাইয়ের সঙ্গে ছোট মেয়ের বিচ্ছেদের পর মেয়েটিও একই নামে আরেকটি হোমিওপ্যাথি ঔষুধের দোকান চালু করে, যা হয়ে ওঠে মাদক ব্যবসার নতুন কেন্দ্র।

২০২৫ সালের ১৯ জুলাই, শনিবার, এই দোকান থেকেই মদ কিনে সেবনের পর একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকেই। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪-তে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দোকানটিতে প্রতিদিন তরুণরা মাদক ও বিষাক্ত মদ কিনে সেবন করত।

ঘটনার পর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পুলিশ দোকানটি তালাবদ্ধ অবস্থায় পায়। উত্তেজিত জনতা তালা ভেঙে ভেতর থেকে বিষাক্ত মদের বোতল উদ্ধার করে। পুলিশ ডা. এম. এ. আলীকে তার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করলেও তার ছেলে, মেয়ে ও জামাই পলাতক রয়েছে। বিষাক্ত মদের নমুনা পরীক্ষার পর পুলিশের পক্ষ থেকে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করা হয়।

মৃতদের মধ্যে বৈকালি, ডুমুরিয়া ও বয়রা সেরের মোড় এলাকার বাসিন্দারা রয়েছেন। ঘটনাস্থল ছিল বয়রা পুজাখোলা মোড়, ইসলামী কলেজ সংলগ্ন এলাকা।

এলাকাবাসী এ ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন এবং এই পরিবারের সকল সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, পবিত্র মাজারের ছায়ায় গড়ে ওঠা এমন মাদক ব্যবসা শুধু এলাকার নয়—সমগ্র খুলনার জন্য লজ্জাজনক। তারা চান, প্রশাসন এবার যেন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং ভবিষ্যতে আর কোনো হোমিওপ্যাথি ঔষুধের দোকানের আড়ালে মরণ ফাঁদ তৈরি না হয়।

প্রশাসনিক দৃষ্টি আকর্ষণ:
এই ঘটনায় দেশের গণমাধ্যম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দফতর, স্বাস্থ্য অধিদফতর, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, স্থানীয় প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে। জনগণের পক্ষ থেকে একান্ত দাবি—এই ঘটনায় জড়িত সকল অপরাধীর দ্রুত বিচার এবং খুলনায় মাদক নির্মূল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com