1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান ডুমুরিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন, বিকেলে সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী সিগারেট, মদ ও নির্মাণসামগ্রীসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে পারে নতুন বাজেটে

শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ৪ যুবকের মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২২
  • ২৩১ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : বগুড়ার ধুনটে ওয়াজ মাহফিলের মেলা থেকে উঠিয়ে নিয়ে সাত বছরের শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর এ রায় ঘোষণা করেন।

এ ছাড়া রায়ে চার আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বগুড়ার ধুনট উপজেলার নশরতপুর গ্রামের মোজাম্মেলের ছেলে বাপ্পি আহম্মেদ (২৪), দলিল উদ্দিন তালুকদারের ছেলে কামাল পাশা (৩৭), ছানোয়ার হোসেনের ছেলে শামিম রেজা (২৪) এবং মৃত সাহেব আলীর ছেলে লাভলু শেখ (২৩)।

এ বিষয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর আশিকুর রহমান সুজন জানান, ২০২০ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাতে দাদা-দাদির সঙ্গে স্থানীয় একটি ওয়াজ মাহফিলে যায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ওই শিশু (তাবাসসুম)। রাত ৮টার দিকে পাশের মেলায় ঘোরাঘুরির সময় স্থানীয় চার বখাটে কৌশলে তাকে পাশের জঙ্গলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

এ ছাড়া তাকে কোনো প্রাণী কামড়ে হত্যা করেছে এমন প্রমাণ করতে কাটিং প্লাস দিয়ে হাতের একটি আঙুল কেটে দেয়। পরে মরদেহ কাঁধে তুলে মঞ্চের কাছে বাদশা মিয়ার বাঁশঝাড়ে ফেলে দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেয়। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর নিহত তাবাচ্ছুমের বাবা খোকন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ বাপ্পীর সঙ্গে পারিবারিক বিরোধকে সামনে রেখে তদন্ত শুরু করে। সন্দেহভাজন বাপ্পী ও তার তিন বন্ধুকে পর্যবেক্ষণে রাখেন পুলিশ। ২৫ ডিসেম্বর রাতে প্রথমে বাড়ি থেকে শামীম রেজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তিতে নিজ নিজ বাড়ি থেকে বাপ্পী, রেজা ও লাবলুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে চারজনই শিশু তাবাচ্ছুমকে ধর্ষণ এবং হত্যার কথা স্বীকার করেন।

এরপর ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর দণ্ডিত চারজনকে আসামিকে করে ধুনট থানার তৎকালীন ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাহিদুল হক চার্জশিট জমা দেন। পরে সব সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণা শেষে আসামিদের কারাগারে নেওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তাদের স্বজনরা।

এদিকে নিহত শিশুর পরিবারে এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দ্রুত আসামিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিও জানান তারা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আশিকুর রহমান সুজন জানান, তাবাচ্ছুম হত্যা মামলায় আদালত যে রায় দিয়েছেন, তাতে তারা সন্তুষ্ট।

আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন, অ্যাডভোকেট মন্তেজার রহমান মন্টু, অ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ ও অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বাবলু।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com