1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান ডুমুরিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

শেখ রেহানার একটি চিঠি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৮৯ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২০২১ সালে তার জন্মদিন উপলক্ষে দলটির যাচাই করা ফেসবুক পেইজে সাক্ষাৎকারটি শেয়ার করেছিল, যেখানে তিনি তার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে হত্যার পর থেকে যে শোক ও দুঃখ লালন করছিলেন তা প্রকাশ করেছেন। শেখ রেহানা ১৯৮৩ সালের ১২ আগস্ট সাপ্তাহিক চিত্র বাংলা ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক ব্যতিক্রমী সাক্ষাৎকারে বেদনাদায়ক এ স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন।

চিঠিতে রেহানা, তারা কীভাবে ভ্রমণ করছেন এবং কীভাবে সেখানে তাদের দিন কাটছে সেসব বর্ণনা করেন। কিন্তু যাদের উদ্দেশে চিঠিটি লেখা হয়েছিল তারা এ চিঠি কোনোদিনও দেখতে পাননি। কারণ চিঠিটি পৌঁছানোর আগেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার প্রায় পুরো পরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল।

শেখ রেহানার ১০ বছর বয়সী ছোট ভাই শেখ রাসেল সাধারণত ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া ও বিশ্রাম নিতে চাইত না। তাই শেখ রেহানা চিঠিতে ভাইকে তার স্বাস্থ্যের যত্ন নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন এবং জার্মানির প্রকৃতি কতটা মনোরম ও সুন্দর তা বর্ণনা করেছিলেন।

তিনি চিঠির সঙ্গে কয়েকটি কার্ডও সংযুক্ত করেছিলেন; কিন্তু চিঠিটি কখনই তার নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছায়নি। এমনকি হত্যাকারীদের রক্ষার জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ নামে একটি কালো আইন জারি করায় দেশের রাজনৈতিক গতিপথকে সম্পূর্ণভাবে বদলে দেয়া এবং রাষ্ট্রকে পাকিস্তানি আদর্শের দিকে ঠেলে দেয়ায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারও তারা চাইতে পারেননি।

ওই সাক্ষাৎকারে রেহানা বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় ১৫ আগস্ট ওরা আমার জীবন কেড়ে নিয়েছে। আমি আমার বাবা-মা, আমার ভাইদের হারিয়েছি। আমি কীসের জন্য বাঁচব? কী দোষ ছিল ছোট্ট রাসেলের? সে তো রাজনীতিতে জড়িত ছিল না, আমার মাও ছিলেন না। কেন তারা তাদের মেরে ফেলল? আমি এতিম। আমি অসহায়। একজন কন্যা হিসেবে, একজন বাঙালি হিসেবে, আমি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার দাবি করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের জনগণের কাছে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’ রেহানা আরও বলেছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পেছনে ছিল সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। ফুলের নিচের সাপের মতো স্থানীয় দালালরাও জড়িত ছিল। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে দেশের নেতাদের মধ্যে যে আওয়াজ তোলা উচিত ছিল তা আশানুরূপভাবে হয়নি।’

যে খুনিরা গর্বিতভাবে তাদের কাজ শেষের ঘোষণা করেছিল তাদের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছিল এবং জাতির পিতার নেতৃত্বে ইতিহাসের গৌরবজনক অধ্যায়ে নেমে এসেছিল করুণ নিস্তব্ধতা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে ১৯৮১ সালে দেশে ফেরার জন্য দীর্ঘ ৬ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল।সূত্র: বাসস

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com