1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান ডুমুরিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন, বিকেলে সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী সিগারেট, মদ ও নির্মাণসামগ্রীসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে পারে নতুন বাজেটে

হলে একটা সিটের জন্য কেন দাসত্বের জিন্দেগি বেছে নিতে হবে: সমন্বয়ক আব্দুল কাদেরের প্রশ্ন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৮৪ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হলে সিটের জন্য কেন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের কাছে শিক্ষার্থীদের জিম্মি হয়ে থাকতে হবে সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।

শুক্রবার দিনগত রাতে নিজের ফেসবুকে আইডিতে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি। সেখানে আব্দুল কাদের লেখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশিভাগ শিক্ষার্থীই আমার মতো নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসে। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ঢাবিতে আসে, সেই স্বপ্নগুলো গণরুমে পচতে থাকে। একটা সিটের জন্য ক্ষমতাসীন দলের কাছে জিম্মি হয়ে থাকা লাগে, তাদের হুকুমের গোলাম হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন পার করে দিতে হয়।

ঢাবির হল জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি বলেন, আমার অপরাধটা কোথায়? আমি গরিব ঘরের সন্তান, সেটা আমার অপরাধ নাকি ঢাবিতে চান্স পাওয়া আমার অপরাধ? আমাকে কেন একটা সিটের জন্য দাসত্বের জিন্দেগি বেছে নিতে হবে!

হল প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি লেখেন, আমাদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা দায়-দায়িত্বের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতাসীন দলের পাহারাদার হিসেবে কাজ করতেন, যেটা খুবই লজ্জাজনক ও বেদনাদায়ক।

এই সমন্বয়ক আরও বলেন, চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যে প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্গঠিত হয়েছে, যারা দায়িত্ব পেয়েছেন, তারা যেন শহিদ-আহতদের ত্যাগের কথা স্মরণ করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, শহিদদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করেন, নিপীড়ন-নির্যাতন, দখলদারমুক্ত পরিবেশ তৈরি করেন।

‘এত এত শহিদের আত্মত্যাগের পরও আগামীতে কোনো শিক্ষার্থীর যেন আফসোস করে বলতে না হয়, “আমার ঢাবিতে চান্স পাওয়া অপরাধ নাকি গরিব ঘরের সন্তান হওয়া!” আজকে আমার হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাছে এই দাবিটা জানিয়ে আসলাম’।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com