1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান ডুমুরিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে সুধী সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াইয়ের ফসল জুলাই বিপ্লব চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন, বিকেলে সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী সিগারেট, মদ ও নির্মাণসামগ্রীসহ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়তে পারে নতুন বাজেটে

১৯ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৭৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : ফেনীর সোনাগাজীতে ২০০৩ সালে মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ১৯ বছর ধরে পলাতক ছিলেন এক আসামি। গত রাতে ঢাকার মেরুল বাড্ডা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গত জুলাই মাসে আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত এই আসামির নাম আলি নবী ওরফে লাতু মিয়া (৫৫)। তার বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নাজিরপুর গ্রামে। আদালত ফাঁসির রায় দেওয়ার পর ঢাকায় একটি মাজারে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি।

গ্রেপ্তারের পর লতু মিয়াকে নিয়ে আজ ঢাকার কারওয়ান বাজারে মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে র‍্যাব। সেখানে র‌্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০০৩ সালের ১৩ মে রাতে সোনাগাজীর নবাবপুর ইউনিয়নের একটি বাড়িতে ওই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘরের দরজা ভেঙে বিধবা মাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ১৩ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়। ওই ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পরদিন সোনাগাজী থানায় মো. ফারুক, জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম ও মো. লাতু মিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ১৯ বছর পর গত ১৪ জুলাই আদালত জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম ও মো. লাতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

তিনি জানান, লাতু মিয়ার কোনো পেশা নেই। তিনি নিরক্ষর। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চুরি, ডাকাতিসহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন তিনি। তার নামে ফুলগাজী থানায় একটি ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগসহ তিনটি মামলা আছে।

র‍্যাব জানায়, ২০০৩ সালে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার পর লতু মিয়ার পলাতক জীবন শুরু হয়। এর পর তিনি চট্টগ্রামে গিয়ে রিকশা চালাতে শুরু করেন। এরপর তিনি চুরি ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়েন। একটি ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে জেলও খাটেন। জামিনে বের হয়ে তিনি গোপনে তার বিভিন্ন আত্মীয় স্বজনের বাসায় অতিথি হিসেবে জীবন যাপন করতেন। তিনি মাঝে মাঝে তার বাড়িতে এসে গোপনে তার স্ত্রী সন্তানের সঙ্গে দেখা করে অর্থ নিয়ে যেতেন। এরপর তিনি কিছুদিন সিলেটে মাজার এলাকায় ঘুরে বেড়ায়। একপর্যায়ে ঢাকায় এসে ফুটপাতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির ব্যবসা করেন। পরে তিনি দারোয়ানের চাকরি নেন। পলাতক জীবনে তিনি নিজেকে অলি নবী হিসেবে পরিচয় দিতেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com