1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান

এক জালেই ধরা পড়ল ১০২ মণ ইলিশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৩০ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: সমুদ্র থেকে এক জালেই ১০২ মণ ইলিশ নিয়ে আলীপুর মৎস অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি মাছ ধরার ট্রলার। এ পরিমাণ ইলিশ দেখতে ট্রলারের কাছে ভিড় জমান বন্দরের লোকজন। এতে খুশি জেলে ও ট্রলার মালিক কর্তৃপক্ষরা।

শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে এসব মাছ আলীপুরে মেসার্স কামাল ফিস নামের একটি মৎস্য আড়তে বিক্রির জন্য নেওয়া হয়। মাছগুলো ডাকের মাধ্যমে বিক্রি হয় ১৯ লাখ ২০ হাজার ৩০০ টাকায়। মাছগুলো মূলত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুয়াকাটা থেকে পূর্ব-দক্ষিণ দিকে ৯৫ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ধরা পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এফ.বি. নাহিদা আক্তার নামের ট্রলারটি গত ১৬ সেপ্টেম্বর আলীপুর ঘাট থেকে সমুদ্রে যায়। তিন দিন সমুদ্রের বিভিন্ন এলাকায় জাল ফেলে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাননি জেলেরা। বৃহস্পতিবার জাল ফেলে ১০২ মণ মাছ পান তারা। মাছগুলো আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নিয়ে এসে তিনটি সাইজে আলাদা করা হয়। তবে, মাছের সাইজ তুলনা ছোট হওয়ায় দাম কম পাওয়া গেছে।

মেসার্স কামাল ফিসের স্বত্বাধিকারী মো. কামাল হোসেন বলেন, বিক্রির জন্য আনা মাছগুলো তিন ভাগে ভাগ করা হয়। ৬০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ প্রতি মণ ২৫ হাজার টাকা, ৪০০ গ্রাম থেকে ৫০০ গ্রাম ওজনের প্রতি মণ মাছ ২০ হাজার টাকা এবং ছোট সাইজের প্রতি মণ মাছ ১৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য বিভিন্ন প্রজাতির মাছ তিন লাখ টাকা বিক্রি হয়েছে। সবমিলিয়ে ১৯ লাখ ২০ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ট্রলারটির মালিক আব্দুল মন্নান ব্যাপারী বলেন, অনেক দিন ধরে সাগরে খুব কম মাছ ধরা পড়ছে। একদিকে যেমন সাগরে মাছ কম, অন্যদিকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় ঠিকমতো সমুদ্রে নামতে পারছিল না জেলেরা। সে জন্য অনেক দিন ধরে আমাদের লোকসান গুণতে হচ্ছিল। এই মাছ বিক্রি করে আগের লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠতে পারব।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com