1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক, কেএমপি উত্তর ও দক্ষিণ এবং গোয়েন্দা বিভাগ(ডিবি) কর্তৃক পরিচালিত বিশেষ যৌথ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ জন গ্রেফতার। ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত অফিসার্স ও ফোর্সদের প্রশংসনীয় ও ভালো কাজের সম্মাননা প্রদান

‘বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র প্রেসিডেন্ট’ আর নেই

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫
  • ২২৭ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গ নিউজ বিডি ডেস্ক: বিশ্বখ্যাত উরুগুয়ের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসে মুহিকা আর নেই। ৮৯ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সাদাসিধে জীবনযাপন ও সাধারণ জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসার জন্য পরিচিত এই নেতা ‘বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র প্রেসিডেন্ট’ নামে খ্যাতি পেয়েছিলেন।

উরুগুয়ের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইয়ামান্দু ওরসি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’- এ দেওয়া এক পোস্টে হোসে মুহিকার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। তিনি লেখেন, ‘আপনি আমাদের যা দিয়েছেন এবং এই দেশের মানুষের প্রতি আপনার যে ভালোবাসা ছিল, তার জন্য আমরা চিরকৃতজ্ঞ।’

হোসে মুহিকার মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যনালির ক্যানসারে ভুগছিলেন।

তরুণ বয়সে হোসে মুহিকা ছিলেন একটি বামপন্থী গেরিলা সংগঠন টুপামারোস ন্যাশনাল লিবারেশন মুভমেন্ট (এমএলএন-টি)- এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৬০- এর দশকে এই সংগঠন সরকারের বিরুদ্ধে হামলা, অপহরণসহ নানা সহিংস কর্মকাণ্ড চালায়। যদিও মুহিকা সব সময়ই বলে এসেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে হত্যা করেননি।

মুহিকার জীবনে চরম অধ্যায় শুরু হয় ১৯৭০ সালে এক অভিযানে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর। এরপর তিনি চারবার গ্রেপ্তার হন এবং একাধিকবার জেল থেকে পালাতে সক্ষম হন। ১৯৭৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর তাঁকে ‘৯ জিম্মির’ একজন হিসেবে বন্দি করে রাখা হয় এবং দীর্ঘ ১৪ বছরেরও বেশি সময় একাকী, অমানবিক পরিবেশে বন্দি থাকতে হয়। নির্যাতনের অভিজ্ঞতা নিয়ে হোসে মুহিকা বলেছিলেন, ‘পিঁপড়ার সঙ্গেও আমি কথা বলেছি।’

গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর ১৯৮৫ সালে মুক্তি পান হোসে মুহিকা। এরপর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরে এসে পার্লামেন্ট সদস্য হন এবং দেশটির প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সালে বামপন্থী জোট ফ্রেন্তে অ্যাম্পলিও সরকারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এবং ২০১০ সালে ৭৪ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেন।

প্রেসিডেন্ট হয়েও মুহিকা বাস করতেন এক পুরনো খামারবাড়িতে, নিজ হাতে কৃষিকাজ করতেন, নিজের গাড়ি চালাতেন এবং বেতনের একটি বড় অংশ দান করতেন দুঃস্থদের জন্য। ভোগবাদের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান এবং সমাজকল্যাণমূলক সংস্কার কর্মসূচি তাঁকে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা এনে দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com