1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বিএনপির নির্যাতিত সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে আনন্দ ভ্রমণ ও মতবিনিময় সভায় সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ কামরুজ্জামান কামরুল রাজশাহীতে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফুলতলার একাধিক মাদক মামলার আসামি শাহদত মোড়ল গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা

বাঁচার জন্য পোকামাকড় খাচ্ছে যে দেশের মানুষ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৪৭ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : দক্ষিণ-পূর্ব আফ্রিকা মহাদেশের উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র মাদাগাস্কার। জাতিসংঘ বলেছে, বিশ্বের প্রথম ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্ভিক্ষের’ কবলে পড়ার দ্বারপ্রান্তে দেশটি। গত চার বছর ধরে বৃষ্টিপাত নেই দেশটিতে। ফলে দেশটির মানুষ ইতোমধ্যেই ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ‘বিপর্যয়কর’ স্তরে রয়েছে।

ভয়াবহ খরায় ধ্বংস হয়ে গেছে মাদাগাস্কারের দক্ষিণে বিচ্ছিন্ন কৃষি সম্প্রদায়গুলো। এ অবস্থায় সে অঞ্চলের পরিবারগুলোকে বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য হিসেবে পোকামাকড়ের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির শেলি ঠাকরাল বলেছেন, ‘পরিস্থিতিগুলো দুর্ভিক্ষ হওয়ার মতোই। এ দুর্ভিক্ষ কোনো ধরনের দ্বন্দ্বের কারণে ঘটবে না। বরং এটি জলবায়ু পরিচালিত।’
জাতিসংঘের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমানে ৩০ হাজার মানুষ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক স্তর, অর্থাৎ ৫ম স্তরে আছে। এ ছাড়া, ফসল কাঁটার আগে মাদাগাস্কার তার ঐতিহ্যবাহী ‘লিন সিজনে’ প্রবেশ করায় ভুক্তভোগী মানুষের এ সংখ্যা দ্রুত বাড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

ঠাকরাল বলেন, ‘এটি একটি বিরল ঘটনা। এখানকার লোকেরা জলবায়ুর ক্ষতিসাধনের জন্য কিছুই করেনি। এমনকি তারা জীবাশ্ম জ্বালানিও পোড়ায় না। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কঠিন প্রভাবের শিকার হচ্ছে তারাই।’

সম্প্রতি আম্বোয়াসারি জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ফান্ডিওভা পরিদর্শনে যায় ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) একটি দল। গ্রামটির মানুষ যেসব পঙ্গপাল খেয়ে বেঁচে আছে তা এই পরিদর্শনকারী দলের সদস্যদেরকে দেখান তারা।

সেখানকার অধিবাসী তামারিয়া বলেন, ‘আমি যতটা সম্ভব পোকামাকড়গুলোকে পরিষ্কার করি। কিন্তু এখানে কোনো পানিও নেই বলা চলে।’

চার সন্তানের মা তামারিয়া আরও জানান, ‘আমিসহ আমার সন্তানরা আট মাস ধরে প্রতিদিন এসবই খাচ্ছি। কারণ, আমাদের খাওয়ার মতো আর কিছুই নেই। এখানে কোনো বৃষ্টি হয় না। যার ফলে আমরা আমাদের বপণ করা ফসল তুলতেও পারি না।’

শুকনো মাটিতে বসে তিন সন্তানের মা বোলে জানান,‘আজ আমাদের কাছে ক্যাকটাস পাতা ছাড়া খাওয়ার মতো কিছুই নেই।’

তার স্বামী কিছুদিন আগে খেতে না পেয়ে মারা গেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এমনকি, ক্ষুধার্ত অবস্থায় তার এক প্রতিবেশীও দুটি বাচ্চা রেখে মারা গেছেন। ‘আমার কি বলার আছে? বেঁচে থাকার জন্য বারবার ক্যাকটাসের পাতা খোঁজাই আমাদের জীবন,’ বলে যোগ করেন তিনি।

সূত্র : বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com