1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন বিদেশি অপারেটরের হাতে এনসিটি: চট্টগ্রামে পুনরায় আন্দোলনের ডাক,

শিশুর দাঁতের যত্ন কীভাবে করবেন?

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৭৫ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : অনেকে জিজ্ঞেস করেন, শিশুদের দাঁত কখন থেকে ব্রাশ করব? একটি নাকি কয়েকটি ওঠার পর ব্রাশ করাব? আসলে মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থাতেই শিশুর দাঁতের যত্ন শুরু করা উচিত।

গর্ভকালীন মায়েরা অনেক ধরনের ওষুধ খেয়ে থাকেন। এর মধ্যে কিছু ওষুধ গাইনি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়। কারণ এসব ওষুধের কিছু রয়েছে, যা শিশুদের দাঁতের সমস্যা করে থাকে। এসব ওষুধ দাঁতের সাথে মুখেরও ক্ষতি করে।

এ বিষয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমইউ) অর্থোডন্টিস্ট বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. ফারিয়া তাবাসসুম তন্বী।

অনেক সময় দেখা যায়, গর্ভকালীন সময় ঘনঘন এক্স-রে করা হয়। এক্স-রের প্রভাব গর্ভের সন্তানের ওপর পড়ে। মায়ের ওষুধ সেবনের প্রভাবে এমন শিশু আমাদের কাছে আসে, যখন তাদের দাঁতে অস্ত্রোপচার পর্যন্ত করতে হয়।

শিশু জন্মের পর ছয় মাস বয়সে প্রথম দাঁত আসে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এ সময় কম-বেশি হতে পারে। সন্তানের প্রথম দাঁত ওঠা প্রত্যেক মা-বাবার জন্য অনেক আনন্দের। শিশুকে ফিডারে দুধ খাওয়ালে ফিল্ডারের নিপলের চাপে তার মাড়ি উঁচু হয়ে যায়। অনেক সময় শিশুরা মুখে আঙুল দিয়ে থাকে। এতে দাঁত উঁচু-নিচু হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মুখে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হতে পারে আঙুল ও ফিডার ব্যবহারে।

এজন্য দুধ খাওয়ানোর পরপরই বাচ্চার মুখটা পরিষ্কার করে দিতে হবে। একটি আঙুলে পরিষ্কার সুতি কাপড় নিয়ে মুখ পরিষ্কার করে দিতে হবে। ফিডারের পরিবর্তে শিশুদের চামচ দিয়ে দুধ খাওয়ানো বেশি ভালো। এখন ভালো মানের ফিঙ্গার ব্রাশ পাওয়া যায়। এগুলো দিয়েও শিশুর মুখ ও দাঁত পরিষ্কার করা যেতে পারে।

শিশুরা ব্রাশ করার ক্ষেত্রে পেস্ট ব্যবহার করতে পারবে। তবে তা কম নিতে হবে। শিশুদের জন্য আলাদা টুথপেস্ট বাজারে রয়েছে। কখনো বড়দের টুথপেস্ট দিয়ে শিশুদের দাঁত ব্রাশ করানো যাবে না।

শিশুদের দুধ দাঁত পড়ে স্থায়ী দাঁত ওঠে। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের দুধ দাঁত কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত (ক্ষয়) হলে ফেলে দিতে বলেন অভিভাবকরা। এটি করা যাবে না। প্রত্যেকটি দাঁত ওঠার এবং পড়ে যাওয়ার নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। তার আগে দুধ দাঁত ফেলা হলে, স্থায়ী দাঁত উঠলে আঁকাবাঁকা হবে। বরং দাঁত ক্ষয় হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং ফিলিং করে দিতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com