বঙ্গ নিউজ বিডি প্রতিনিধি : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, বুধবার, বিকাল ৩টায় ঢাকার বাংলাদেশ চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মিডিয়াবাজার মিলনায়তনে জিপিই ও মালালা ফান্ড এর সহযোগিতায় গণসাক্ষরতা অভিযান-এর আয়োজনে ‘শিক্ষার হালচাল ও আগামীর ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সিপিডি‘র চেয়ারপার্সন অধ্যাপক রেহমান সোবহান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, শিক্ষায় বৈষম্য কমাতে চাই, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব। সামনে একনেক মিটিংয়ে ৬২ জেলার ১৫০ টি উপজেলায় মিড ডে মিল চালুর জন্য অর্থ অনুমোদন করা হবে আশা করছি। অন্য দুটি জেলায় ইতিমধ্যে অন্য প্রকল্পের আওতায় চালু হয়ে গেছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা ভাবছি পরীক্ষার বোঝা কমানো দরকার কিন্তু অভিভাবক এবং শিক্ষকরা চান আরো পরীক্ষা চাপানো হোক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কলেজ অনুবিভাগ) রবিউল ইসলাম। সভায় মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরিটাস এবং প্রাথমিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা বিষয়ক কনসালটেশন কমিটির আহ্বায়ক ড. মনজুর আহমদ। সম্মানিত আলোচক ছিলেন সিপিডি’র সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক শারমিন্দ নিলোর্মী। ভবিষ্যতের শিক্ষাভাবনা ও নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা তুলে ধরেন গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদপুর থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাইয়ার সুলতানা লিপি, শিক্ষক সংগঠক অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ, ইয়ূথ এগেইনস্ট হাঙ্গারের আহবায়ক ও সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী শিহাব উদ্দিন শিহাব, ভাষানটেক সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চাঁদনী আক্তার ফাতেমা, আঁখি খাতুন, সরকারি আইডিয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নোমান, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি আমেনা ইসলাম কেয়া এবং অভিভাবক গোলাম আজম। স্বাগত বক্তব্য দেন ও সভার উদ্দেশ্য তুলে ধরেন গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক তপন কুমার দাশ। সভা সঞ্চালনা করেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধূরী।
এ সভায় শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ গণসাক্ষরতা অভিযানের সদস্য সংগঠন, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, গবেষক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এডুকেশন ওয়াচ এবং শিক্ষক সংগঠনের দেড় শতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।