1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রাজশাহীতে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার ফুলতলার একাধিক মাদক মামলার আসামি শাহদত মোড়ল গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল।

কোন বয়সে পুরুষের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা বেশি?

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
  • ৩৭৬ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : অনেকের ধারণা সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষদের বয়স কখনোই বাধা হয় না। কেবল মেয়েদের বয়সই গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারণা কিন্তু একেবারেই ভুল।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমতে থাকে। ইদানীং দম্পতিদের মধ্যে বেশি বয়সে সন্তানধারণের প্রবণতা বেড়েছে।

সত্তরের দশকের পুরুষরা গড়ে ২৯ বছর বয়সে সন্তান নেয়ার কথা ভাবতেন। এখনকার পরিসংখ্যান বলছে, পুরুষরা গড়ে প্রায় ৩৪ বছর বয়সে পিতা হওয়ার পরিকল্পনা করছেন। জীবনে সঠিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত না হয়ে অনেকেই সন্তান নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরুষদের ক্ষেত্রে ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়স হলো পিতা হওয়ার জন্য আদর্শ। তবে এ কথাও ঠিক যে, ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সি পুরুষও সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

গিনেস বুক রেকর্ডসের মতে, ৯২ বছর বয়সী এক পুরুষ সন্তানের জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন। তবে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৪০ বছরের পর পুরুষদের ক্ষেত্রেও সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়।

নারীদের ক্ষেত্রে যেমন ঋতুবন্ধের পরে সন্তানধারণের কোনো সম্ভাবনা থাকে না। তবে ছেলেদের শরীরে শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়া কখনো বন্ধ হয় না।

কিন্তু তার মানে এই নয় যে, তাদের নারীদের মতো ‘বায়োলজিক্যাল ক্লক’ নেই। পুরুষদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের শুক্রাণুগুলো জেনেটিক মিউটেশনের মধ্য দিয়ে যায়।

ফলে শুক্রাণুর ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। পুরুষদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা প্রভাবিত হয়।

শুধু তাই নয়, সেই বয়সে যদি তিনি সন্তানের জন্ম দিয়েও ফেলেন, তা হলে শিশুর স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের স্নায়ুতন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বাড়তি বয়সের সঙ্গে সঙ্গে জীবনধারায় অনিয়ম পুরুষদের বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, মদ্যপান, মানসিক চাপ, বিভিন্ন প্রকার ওষুধ, স্থূলতা- পুরুষের বন্ধ্যত্বের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী। সূত্র: আনন্দবাজার

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com