1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

কত টাকা বিদেশে গেছে আল্লাহ মাবুদ জানেন: রুমিন ফারহানা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ২৯৫ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক : দেশের টাকা পাচার হচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, বিদেশে ১ লাখ কোটি টাকার বেশি চলে যাচ্ছে। ওভার আর আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে যাচ্ছে। এর বাইরে হুন্ডির পরিমাণ ধরলে আল্লাহ মাবুদ জানেন কত টাকা বিদেশে গেছে!

সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় সোমবার তিনি সংসদে এ কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ২০১৯ সালে সরকারি হিসাব মতে মন্দ ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকা। ২০২০ সালে সেটা কমে দাঁড়ায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। ২০২১ সালে এসে শুনলাম ৮৮ হাজার কোটি টাকা মাত্র। আসলে ব্যাংকে মন্দ ঋণের পরিমাণ কত?

তিনি বলেন, যখনই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখনই শেয়ারবাজার শুয়ে পড়ে। এটা যে কি একটা অদ্ভুত সম্পর্ক এটা এখনও বুঝতে পারিনি।

বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী (আবুল মাল আবদুল মুহিত) স্পষ্ট কথা বলতেন, দলের বিরুদ্ধে গেলেও বলতেন। তিনি বলেছিলেন, ব্যাংক দেওয়া হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। একটা দেশে যখন রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক দেওয়া হয় তখন সেই দেশের অর্থনীতির কাজ সম্পর্কে বলতে নিশ্চয়ই চিন্তা করতে হয়। যারা ব্যাংকের টাকা লুট করে তাদেরকে সুবিধা দেওয়ার জন্য একটার পর একটা নতুন আইন হয়। ব্যাংক কোম্পানিতে আইন পরিবর্তন করে এক একটা ব্যাংক এক একটা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন এক পরিবার থেকে তিনজন সদস্য থাকতে পারবেন ব্যাংকের পরিচালক পদে, একাধিকক্রমে তিন মেয়াদে থাকতে পারবেন তারা। এই পরিবর্তনগুলোর কারণে এক একটা পরিবার একটা ব্যাংকের মালিক হয়ে যাচ্ছে। জনগণের টাকার হরিলুট হচ্ছে।

রুমিন ফারহানা বলেন, একবার সংসদে ঋণ খেলাপির তালিকা প্রকাশ করা হলো। তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেটা এখনও জানতে পারলাম না। ব্যাংকে যে টাকা থাকে সেটা আমাদের মত আমজনতার টাকা। সেই টাকা এক ব্যাংকের পরিচালকের সঙ্গে আরেক ব্যাংকের পরিচালকদের ভালো সম্পর্ক থাকার কারণে এক ব্যাংক থেকে আরেক ব্যাংকে ঋণ নেয়। ঋণ নেওয়ার সময় তারা জানে এই ঋণ তারা আর পরিশোধ করবে না। এই টাকা চলে যায় বিদেশে।

পাচারের অভিযোগ করে তিনি বলেন, গ্লোবাল ফাইন্যান্স ইন্টিগ্রিটির তথ্যানুযায়ী প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে গড়ে প্রায় ১ লক্ষ কোটি বিদেশে চলে যাচ্ছে। গত ১০বছরে প্রায় সাড়ে ৮ থেকে ৯ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে চলে গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com