1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

মগবাজার বিস্ফোরণে একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বাবা-মা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ৯৯৩ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: ঢাকার মগবাজারে বিস্ফোরণে নিহতের মিছিলে ছিলেন জয়পুরহাটের পাচবিবি টিএন্ডটি মহল্লায় ডা. খয়বরের একমাত্র ছেলে রুহুল আমিন নোমান। ঈদের আগেই বাড়ি ফেরার কথা ছিল তার। তবে তার আগেই ফিরলেন লাশ হয়ে।

পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলের অকালমৃত্যুতে দিশেহারা পরিবার। ২ বছরের কন্যাসন্তান রুবাইয়া জান্নাত নোহা জানতেও পারলো না তার বাবা আর নেই।

নোমান ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে রহমান এসোসিয়েট নামে একটি কোম্পানিতে যোগ দেন। রোববার প্রতিদিনের মতো অফিস শেষ করে শান্তিবাগ এলাকায় বাসায় ফিরছিলেন। পথে মগবাজার এলাকায় আসলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণে ছাদ ধসে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার সকালে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ছেলে হাড়িয়ে কাদতে কাদতে বাবা মা এখন নিস্তব্ধ। নোমানের বাবা খয়বর আলী কাদতে কাদতে বলেন, আমার বড় ২ মেয়ে আর সবার ছোট ছিল নোমান। সেই কলিজাকে আমি হারালাম। আমার এখন কি হবে?

নোমান আড়াই বছর আগে বিয়ে করেন। তার ঘর আলো করে একটি কন্যাসন্তান আসে সংসারে। আর কয়েকদিন পর ঈদে নোমানের বাড়ি আসার কথা ছিল, তার আগেই তিনি ফিরলেন, কিন্তু লাশ হয়ে।

নোমানের স্ত্রী নাবিলা বেগম জানান, সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম আমার স্বামী। এখন আমায় কে দেখবে? আমার মেয়ে আর বাবা বলে ডাকতে পারবে না, বলেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি।

এদিকে প্রতিবেশীরা জানান, নোমান খুব শান্তশিষ্ট ভদ্র ও মেধাবী ছিলেন। তার অকালমৃত্যুতে তারাও শোকাহত। কর্তৃপক্ষের গাফিলতের ফলে রুহুল আমিনের মতো আর যেন কেউ অকালমৃত্যুর শিকার হতে না হয়, এটাই দাবি সবার।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com