1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

দেবিদ্বার কি পরীক্ষাগার? ইতিহাস মুছে ফেলার এই দুঃসাহস কোথা থেকে আসে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯০ বার দেখা হয়েছে

এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : দেবিদ্বারের রাজনীতি কোনো পরীক্ষাগার নয়, আর এখানকার মানুষ কোনো গিনিপিগও নয়। তবুও বারবার এমন আচরণ করা হয় যেন ইতিহাসকে মুছে ফেলা যায়, আবেগকে অস্বীকার করা যায়, আর জনগণের রায়কে প্রশাসনিক কলমে বাতিল করা সম্ভব। প্রশ্ন একটাই—এই আত্মবিশ্বাসের উৎস কোথায়?
দেবিদ্বারের মাটি আর মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি—এই দুই নামকে আলাদা করার দুঃসাহস কার? যখন অনেকেই রাজনীতির বর্ণমালাই শিখছিল, তখন মাত্র ৪১ বছর বয়সে রাজনৈতিক দৈত্যখ্যাত ন্যাপ প্রধানকে পরাজিত করে যিনি ক্ষমতার বৃত্ত কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁকে আজ ‘ম্যানেজ’ করার স্বপ্ন দেখা নিছক আত্মপ্রবঞ্চনা ছাড়া কিছু নয়।
ইতিহাস মিথ্যা বলে না, কিন্তু সুবিধাবাদীরা বলে।
২০০৮ সালের সেই বহুল আলোচিত নির্বাচনী নাটক আজও মানুষের স্মৃতিতে দগদগে ক্ষত হয়ে আছে। আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা দেখে যাদের বুক কেঁপেছিল, তারাই ক্ষমতায় এসেই কারাগারের তালা ঝুলিয়েছিল। সাত বছরের কারাবাস, রিমান্ড, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন—সব মিলিয়ে একটি রাজনৈতিক চরিত্রকে ভেঙে দেওয়ার পূর্ণ প্যাকেজ। কিন্তু ফলাফল কী হয়েছিল? জনগণের সমর্থন কি কমেছিল, নাকি আরও পাথরের মতো শক্ত হয়েছিল?
উত্তর সবাই জানে—ভাঙা যায়নি।
আজ আবারও পরিচিত এক রাজনৈতিক কায়দায় চোখ রাঙানোর চেষ্টা চলছে। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে দেবিদ্বারকে ‘লাইনচ্যুত’ করার দিবাস্বপ্ন দেখা হচ্ছে। কিন্তু যারা এই স্বপ্ন দেখছেন, তারা কি কখনো খোঁজ নিয়েছেন—দেবিদ্বারের প্রতিটি ইটের ভাঁজে, প্রতিটি ভিত্তিপ্রস্তরে কার নাম লেখা আছে? এই জনপদ কি কেবল ভোটের অঙ্ক, নাকি দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, বিশ্বাস আর আত্মত্যাগের ফল?
করোনাকালে যখন রাষ্ট্রের অনেক স্তর কার্যত অদৃশ্য, তখন দেবিদ্বারের মাঠে কে ছিল? দেহাতি মানুষের চোখের জল কে মুছেছিল? ইতিহাস এসব ভুলে না—মানুষও না।
কিছু প্রশ্ন ক্ষমতাকেও বিব্রত করে—
বিনা ভোটে জেতার খায়েশ কি এখনো শেষ হয়নি?
জেল-জুলুম দিয়ে কি জনগণের ভালোবাসা কেনা যায়?
ক্ষমতার দাপটে ইতিহাস মুছে ফেলার উদাহরণ কোথায় সফল হয়েছে?
যিনি দেবিদ্বারের মানুষের জন্য কেন্দ্রীয় পদকেও তুচ্ছ মনে করেন, তাঁকে রাজনীতির বাইরে ঠেলে দেওয়ার চিন্তা বাস্তবতা বিবর্জিত। দেবিদ্বারের রাজনীতি কোনো ‘সিলেকশন’ নয়—এটা ইমোশন, এটা আত্মপরিচয়, এটা প্রতিরোধের ইতিহাস।
ভয়ের রাজনীতি বেশিদিন টেকে না। দেবিদ্বারবাসী সেটা জানে। তাই রক্তচক্ষু, ষড়যন্ত্র কিংবা প্রশাসনিক ছায়া—কোনোটাই এই জনস্রোতকে থামাতে পারবে না। ইতিহাসের চাকা ঘুরছেই, আর সেই ঘূর্ণিতে কার প্রত্যাবর্তন লেখা আছে, তা বুঝতে খুব বেশি রাজনৈতিক প্রজ্ঞার দরকার হয় না।
সময়ই শেষ কথা বলবে—আর সময় সাধারণত জনগণের পক্ষেই কথা বলে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com