1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

ফ্যামিলি কার্ড–কৃষি কার্ডের অর্থায়ন নিয়ে বিভ্রান্তি: আশীর্বাদের রাজনীতিতে বাস্তবতা হারানো নবজাতক নেতৃত্ব

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২০৪ বার দেখা হয়েছে

এস এম শাহ্ জালাল সাইফুল : বিএনপির ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে প্রস্তাবিত ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড—এই দুই সামাজিক ও উৎপাদনমুখী উদ্যোগের অর্থায়ন কোথা থেকে আসবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। তথাকথিত “নতুন রাজনীতির” ব্যানারে আবির্ভূত এক দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দিয়েছেন, যা বাস্তবতা, অর্থনৈতিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় বাজেট ব্যবস্থার ন্যূনতম ধারণাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
বিএনপির ইশতেহার কোনো অলীক কল্পনা নয়। এটি রাষ্ট্রীয় বাজেটের পুনর্বিন্যাস, অপচয় রোধ, দুর্নীতি বন্ধ, কালো টাকা সাদা করার সংস্কৃতি উচ্ছেদ এবং উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর সুস্পষ্ট রূপরেখার ওপর দাঁড়িয়ে। ফ্যামিলি কার্ড সরাসরি দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের ন্যূনতম খাদ্য ও জীবনযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে; আর কৃষি কার্ড কৃষকের উৎপাদন খরচ কমিয়ে খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করবে। উন্নয়নশীল বিশ্বে এ ধরনের লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নতুন নয়—নতুন কেবল সেগুলোকে বাস্তবায়নের রাজনৈতিক সদিচ্ছা।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, যিনি আজ এসব প্রশ্ন তুলছেন, তিনি নিজেই এক অস্বাভাবিক রাজনৈতিক উত্থানের প্রতীক। ইতিহাস সাক্ষী—গণতন্ত্রবিরোধী শাসনের পতন না ঘটলে আজ তিনি হয়তো চাকরির আবেদনপত্র হাতে বিভিন্ন অফিসের দ্বারে দ্বারে ঘুরতেন। রাষ্ট্রক্ষমতার পৃষ্ঠপোষকতায়, নির্দিষ্ট ব্যক্তির আশীর্বাদে জন্ম নেওয়া এক নবজাতক রাজনৈতিক দলের প্রধান হিসেবে আজ তিনি রাষ্ট্রীয় আচার-অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত, “প্রধান দল” হিসেবে স্বীকৃত—এ এক বিস্ময়কর বাস্তবতা।
রাজনীতিতে মতভেদ থাকবে—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অজ্ঞতা, কটাক্ষ আর বিভ্রান্তি দিয়ে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে হেয় করা দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। রাষ্ট্রীয় সম্মান পেতে হলে আগে রাষ্ট্রের অর্থনীতি, বাজেট কাঠামো ও জনকল্যাণমূলক নীতির ন্যূনতম বোঝাপড়া থাকা জরুরি।
বাংলাদেশের মানুষ আজ ভাতা-নির্ভরতা নয়, চায় ন্যায্য অধিকার, উৎপাদন বৃদ্ধি ও সম্মানজনক জীবন। বিএনপির ইশতেহার সেই পথরেখাই দেখায়। প্রশ্ন তুলুন—কিন্তু তথ্য, যুক্তি ও দায়িত্ববোধের আলোকে। নচেৎ ইতিহাসই বিচার করবে, কে বাস্তবতার পক্ষে আর কে কেবল আশীর্বাদের রাজনীতিতে ভর করে উচ্চকণ্ঠ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com