1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

ডিজিটাল ভূমি সেবায় স্বস্তি: দালালমুক্ত হচ্ছে খতিয়ান, নামজারি ও খাজনা প্রক্রিয়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ১২৮ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারে দেশে ভূমি সেবায় এসেছে বড় পরিবর্তন। খতিয়ান তোলা, নামজারি (মিউটেশন) ও ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ—যে প্রক্রিয়াগুলো একসময় ছিল জটিল, সময়সাপেক্ষ ও দালালনির্ভর, এখন তা সহজেই পাওয়া যাচ্ছে অনলাইনে। ফলে কমছে ভোগান্তি, বাড়ছে স্বচ্ছতা এবং হ্রাস পাচ্ছে দুর্নীতি।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, অটোমেশন চালুর ফলে নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বেশিরভাগ ভূমি সেবা নিতে পারছেন। এতে সরাসরি ভূমি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন অনেকাংশে কমেছে।
বর্তমানে অনলাইনে নামজারি আবেদন, ই-নামজারি নিষ্পত্তি, খাজনা পরিশোধ, খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ সংগ্রহসহ বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিটি ধাপে এসএমএস নোটিফিকেশন থাকায় আবেদনকারীরা সহজেই অগ্রগতি জানতে পারছেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রায় ১ কোটির বেশি ই-নামজারি আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে এবং প্রতিবছর ৪০–৫০ লাখ মানুষ অনলাইনে খাজনা পরিশোধ করছেন। এতে প্রবাসীরাও বিদেশে বসে সহজেই নিজেদের জমির কর পরিশোধ করতে পারছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল সেবার কারণে নির্ধারিত ফি ও সময়সীমা স্পষ্ট হওয়ায় দালালচক্রের প্রভাব কমছে। পাশাপাশি ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থায় কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতাও বেড়েছে।
ভূমি মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির কাজ করছে, যেখানে দেশের সব ভূমি রেকর্ড, খতিয়ান ও মৌজা ম্যাপ সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়া জিআইএস প্রযুক্তির মাধ্যমে মানচিত্রভিত্তিক জমির তথ্য প্রদর্শন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে জাল কাগজপত্র শনাক্তের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং ভূমি সেবায় পুরোপুরি স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com