1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

আজ পাহাড়ে মুল বিজু

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৪৮ বার দেখা হয়েছে

বিজয় ধর, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি : পাহাড়ে আজ পালিত হচ্ছে বৈসাবি উৎসবের মূল দিন—বিজু। আর এই দিনে পাহাড়িদের ঘরে ঘরে তৈরি হয় এক বিশেষ ঐতিহ্যবাহী খাবার—‘পাঁচন’।

বৈসাবিতে পাহাড়িদের ঘরে ঘরে রান্না করা হয় এই ব্যতিক্রমী খাদ্য। প্রায় ৪০ রকমের সবজি দিয়ে তৈরি এই খাবারকে চাকমারা বলেন ‘পাজঁন’ এবং ত্রিপুরারা বলেন ‘মৈদালজাক’। তবে কখনো কখনো এই পাঁচনে সবজির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১০৫-এও!

এই পাঁচনকে ঘিরে রয়েছে নানা বিশ্বাস। পাহাড়িদের ধারণা, পাঁচন খেলে শরীর থেকে রোগ-ব্যাধি দূর হয়। এমনকি, একদিনে যদি সাতটি পরিবারের পাঁচন খাওয়া যায়, তবে সকল রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলেও মনে করেন তারা।

ত্রিপুরা তরুণী খেয়াই ত্রিপুরা পূজা বলেন,
“বৈসাবিতে অতিথিদের আপ্যায়ন করতে আমরা নিজ হাতে মৈদালজাক তৈরি করি। এটা শুধু খাবার নয়, আমাদের ঐতিহ্য।” তিনি বলেন, এ পাচন রান্নায় বিভিন্ন ধরনের শাক সবজি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আমাদের মধ্যে প্রথা আছে এই পাচন যদি ৫-৭ বাড়ি ঘুরে খেতে পারি তাহলে রোগ- ব্যাধি থেকে মুক্তি পাবো।

রাঙামাটি ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর সভাপতি বিদ্যুৎ শংকর ত্রিপুরা বলেন,
“এই উৎসব শুধু খাবারের নয়, বরং সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির মিলনমেলা। বিজুর দিনে পাহাড়ি-বাঙালি সবাই একত্র হয়, যা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”

এই উৎসবকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের প্রতিটি ঘরে ঘরে তৈরি হচ্ছে পাঁচন, অতিথিদের আপ্যায়ন আর আত্মীয়-পরিজনের মধ্যে যাওয়া-আসার মাধ্যমে বৈসাবি উৎসব পেয়েছে তার চিরায়ত রূপ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com