1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০১:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

দুমকী উপজেলায়, ডিম ওয়ালা মা ইলিশ শিকারের উৎসব, চাল পাওয়ারা অভিযানেও থামছেন না

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২৮৫ বার দেখা হয়েছে

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার বিভিন্ন নদীতে চলছে মা-ইলিশ শিকারের ধুম। প্রজনন মৌসুমে অভিযান থাকলেও পায়রা, পাতাবুনিয়া ও লোহালিয়া নদীতে দিন-রাত অবাধে চলছে ইলিশ আহরণ।
প্রশাসনের সীমিত জনবল ও দ্রুতযান সংকটের সুযোগ নিয়ে জেলেরা অভিযান এড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকি স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় শিশু-কিশোরদের দিয়েও নদীতে নামানো হচ্ছে মাছ ধরতে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পাংগাশিয়া, আঙ্গারিয়া, লেবুখালী ও মুরাদিয়া ইউনিয়নের অন্তত ১১টি পয়েন্টে প্রতিদিন রাতভর চলছে মা-ইলিশ শিকার। নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর থেকেই (৪ অক্টোবর) জেলেরা মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠিয়ে অভিযান টের পেলে দ্রুত নদীর বিপরীত তীরে বাউফল, মির্জাগঞ্জ বা বাকেরগঞ্জের খালে ও ঝোপে আশ্রয় নেয়। অভিযান শেষে আবার নদীতে জাল ফেলে চলে মাছ ধরা।
স্থানীয়রা জানান, ধরা মা ইলিশ গোপনে পাইকারদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলার হাজিরহাট, আঙ্গারিয়া বন্দর, পাতাবুনিয়া বাজার ও লেবুখালী ফেরিঘাট এলাকার অন্তত ১১টি ঘাটে ইলিশ মজুত রাখছে পাইকাররা।আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব বলেন, প্রশাসনিক সমন্বয়ের ঘাটতি ও দুর্বলতার কারণেই মা-ইলিশ শিকার বন্ধ করা যাচ্ছে না। মৌসুমি জেলেরা আইন মানছে না।উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ৪ থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযানে ৪টি নৌকা ও প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। এ সময় আটক ৫ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, আর এক কিশোরকে সতর্ক করে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান জানান, জনবল ও দ্রুতযান সংকট থাকা সত্ত্বেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই কিছু না কিছু জাল জব্দ হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, জেলেরা কৌশলে পালিয়ে গেলেও অভিযান অব্যাহত আছে। স্থানীয়দের সহযোগিতা পেলে শতভাগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com