1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

‘ভারত ও চীন থেকে বিভিন্ন ধরনের সমর্থন নিয়েছে বাংলাদেশ’

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৬৩ বার দেখা হয়েছে

বঙ্গনিউজবিডি ডেস্ক: শ্রীলঙ্কা নিজ প্রয়োজনে চীন ও ভারত উভয়ের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা নিয়েছে। প্রায় একইভাবে ভারত ও চীন উভয়ের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সমর্থন নিয়েছে বাংলাদেশও। গত মার্চ মাসের ১৯ তারিখ যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য আর্মি ইউনিভার্সিটি’তে ‘কালচারাল এন্ড এরিয়া স্টাডিজ অফিস’ এর প্যানেল আলোচনায় ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের সাবেক প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে লেফটেন্যান্ট কর্নেল নেইথান মুর এমন মন্তব্য করেছেন।

তিনি দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও চীনের বর্ধিত প্রতিযোগিতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বলেন, “আমরা যখন আমেরিকান দৃষ্টিতে দক্ষিণ এশিয়ার দিকে তাকাই, তখন এই প্রতিযোগিতাটি সত্যিই ভারত এবং পিআরসি (পিপলস রিপাবলিক অফ চায়না) এর মধ্যে।”

মুর তার আলোচনায় বলেন, ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের বিষয়ে মার্কিন কৌশলকে প্রায়শই এই এলাকায় (দক্ষিণ এশিয়ায়) প্রধান শক্তির উপর অত্যধিক জোর দেওয়া বা অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য উপহাস করা হয়। এই অঞ্চলে ভারত ও চীনের প্রভাবকে “ঋণের ফাঁদ” দিয়ে দেখা যায়। যেমন শ্রীলঙ্কা নিজ প্রয়োজনে চীন ও ভারত উভয়ের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা নিয়েছে।

মুর বলেন, “বাংলাদেশও প্রায় একই রকম। ভারত ও চীন উভয়ের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের সমর্থন নিয়েছে। দেশটি যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সমর্থন সহ এ সব ‘পোলারাইজিং পাওয়ার’দের কাছ থেকে সমর্থন গ্রহণের ভারসাম্য বজায় রেখেছে বলে মনে হচ্ছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের ভূমিকা নিয়ে মুর বলেন, চীন এ অঞ্চলে নতুন প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে। “ব্যবহারিক দিক থেকে, চীনের সহায়তায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে যাতে আলো জ্বলে। কিন্তু, চীন বাংলাদেশে বার্মা ও দেশটির মধ্যে শান্তি স্থাপনকারী হিসেবে প্রবেশ করেছে।”

মুর এই অঞ্চলে বৃহৎ শক্তির প্রতিযোগিতায় নেপাল এবং ভুটানের অবস্থা ব্যাখ্যা করে বলেন, দেশগুলোর অস্থিতিশীল সরকারসমূহ “চীনাদের ভূমি দখলের” উপযুক্ত ক্ষেত্র তৈরি করে। তিনি বলেন, এই প্রতিযোগিতা কেবল আমাদের বিষয়ে নয়।

আমরাও এটার মধ্যে ঢুকছি। আমাদের এটির সাথে ভালভাবে ফিট করা দরকার৷ তবে, ভারত নম্র প্রতিবেশী নয়। আমরা যে গণতান্ত্রিক পয়েন্টগুলো উপস্থাপন করি তা ভারতে সবসময় একইভাবে সত্য হয় না।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com