1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. nemadmin@bongonewsbd24.com : :
  3. him@bdsoftinc.info : Staff Reporter : Staff Reporter
  4. info@wp-security.org : Security_64733 :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাংবাদিকদের ঐক্য ও অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারে এসএসপির নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক পটিয়ায় সাংবাদিককে মারধর: যুবদল নেতাসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা সুনামগঞ্জে বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ভিসি পরিবর্তনের দাবিতে আলটিমেটাম, না হলে লাগাতার ফুলতলায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত ইরানে সামরিক হামলা স্থগিত করলেন ট্রাম্প, চূড়ান্ত পর্যায়ে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা মেক্সিকোর, ম্যাচে ৩ লাল কার্ড ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা বস্তি ও হকার উচ্ছেদ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে- বিক্ষোভ সমাবেশ ও মহা মিছিল। বর্ণিল আয়োজনে শুরু ২০২৬ বিশ্বকাপ, উদ্বোধনী মঞ্চে শাকিরা-বার্না বয় খুলনার সিটি মেডিকেল কলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১১ ইউনিটের প্রাণপণ লড়াই; রোগী-স্বজনদের মাঝে আতঙ্ক

Bangladesh Rifles mutiny স্মরণে প্রধানমন্ত্রীর শপথের আহ্বান ‘ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে’

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ আজ জনগণের কাছে অনেকটাই বোধগম্য। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও সার্বভৌম মর্যাদার প্রতীক—এই শক্তিকে দুর্বল করার যেকোনো অপচেষ্টা জাতির অস্তিত্বের ওপর আঘাত।
আগামীকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শহীদ সেনা দিবস। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারির সেই বিভীষিকাময় দিনকে, যখন বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় নারকীয় হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন দিনটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়নি; তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সমীচীন নয়। তবে নাগরিক সচেতনতার প্রশ্নে তিনি ইঙ্গিত দেন—এই নৃশংস ঘটনার পেছনে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা সক্রিয় ছিল, যা ইতিহাসের নির্মোহ বিশ্লেষণে ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
বাণীতে তিনি আরও বলেন, পিলখানা ট্র্যাজেডির পর নানা মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনমত বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে সত্য উদঘাটন ও জাতীয় ঐক্য রক্ষা আজ সময়ের দাবি।
সম্পাদকীয় পর্যবেক্ষণে বলা যায়, জাতীয় নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত মজবুত রাখতে হলে সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা এবং ষড়যন্ত্র-অপতৎপরতার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলা অপরিহার্য। শহীদ সেনা দিবস কেবল শোকের নয়—এটি রাষ্ট্রীয় আত্মসমালোচনা, সতর্কতা ও নতুন অঙ্গীকারের দিন।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শেষাংশে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। “এই হোক শহীদ সেনা দিবসের অঙ্গীকার”—এ আহ্বানের মধ্য দিয়েই তিনি জাতিকে নতুন করে শপথে বলীয়ান হওয়ার ডাক দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ

© ২০২৩ bongonewsbd24.com